ঢাকা মেইলে সংবাদ প্রকাশের পর হুইলচেয়ার পেল সেই জাফরিন

জেলা প্রতিনিধি
গাইবান্ধা
প্রকাশিত: ০৫ আগস্ট ২০২২, ০৮:২৬ পিএম
ঢাকা মেইলে সংবাদ প্রকাশের পর হুইলচেয়ার পেল সেই জাফরিন

নতুন প্রজন্মের অনলাইন ঢাকা মেইলে (dhakamail.com) সংবাদ প্রকাশের পর হুইলচেয়ার পেল গাইবান্ধার জাফরিন (১৬)। গত ২৮ জুলাই ‘মোর বেটির একনা চিয়ার নিয়্যা দেও বাহে’ শিরোনামে জাফরিনকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে ঢাকা মেইল ডটকম। সংবাদটি নজরে পড়ে টি. এম মনোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তির।

শুক্রবার (৫ আগস্ট) বিকেলে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের কুমেদপুর (উত্তরপাড়া) গ্রামের ওই প্রতিবন্ধীর স্বজনদের হাতে চেয়ারটি তুলে দেন টি. এম মনোয়ার হোসেন।

এসময় মনোহরপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব প্রধান রিপন, মানবাধিকার কর্মী সালাউদ্দিন কাশেম, মনোহপুর ইউপি আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান, কাজী বাবু ও সাংবাদিক আসাদুজ্জামান রুবেল উপস্থিত ছিলেন।

>> আরও পড়ুন: ঢাকা মেইলে সংবাদ প্রকাশের পর বুয়েটে ভর্তির সহায়তা পেলেন মেহেদী

>> আরও পড়ুন: ঢাকা মেইলে সংবাদ প্রকাশের পর হুইলচেয়ার পেল সেই লিমন

>> আরও পড়ুন: ঢাকা মেইলে সংবাদ প্রকাশের পর ভাতা কার্ড পেলেন শিকলবন্দি মশিউর

>> আরও পড়ুন: ঢাকা মেইলে সংবাদ প্রকাশের পর আর্থিক সহায়তা পেল সেই কুলসুম

পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের কুমেদপুর (উত্তরপাড়া) গ্রামের দিনমজুর জাহিদুল ইসলামের মেয়ে জাফরিন আক্তার জন্মগতভাবে শারিরীক প্রতিবন্ধী। মেয়েটির হাত-পা বাঁকা। স্বাভাবিকভাবে হাঁটা-চলাকরতে পারে না। দিন-রাত মাটি ঘেঁষে চলাফেরা করতে হয়। একটি হুইল চেয়ারের অভাবে ১৬ বছর ধরে মানবেতর জীবন যাপন করছে মেয়েটি। কিন্তু চেয়ার কেনার সামর্থ ছিল না পরিবারটির।

টি. এম মনোয়ার হোসেন পলাশবাড়ী সরকারি কলেজের ছাত্র। তার বাড়ি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের তরনীপাড়া গ্রামে। তিনি বর্তমানে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক পরিচালিত ‘কালেক্টরেট আদর্শ শিক্ষা নিকেতন’ এ মাধ্যমিক শাখায় বিজ্ঞান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।

হুইল চেয়ারটি পেয়ে জাফরিনের বাবা-মা বলেন, ‘আমরা গরীব মানুষ। মেয়ের জন্য হুইল চেয়ার কেনার সামর্থ্য ছিল না। কত মানুষের কাছে ঘুরছি। কেউই সহযোগিতা করেনি। আজ মনোয়ার হোসেন চেয়ার নিয়ে বাড়িতে এসেছেন। আমরা অনেকটাই আনন্দিত এবং তার জন্য দোয়া করি।’

প্রতিনিধি/এএ

ঢাকা মেইলে সারাদেশের বিশেষ প্রতিবেদন পড়তে ক্লিক করুন।