Dhaka Mail Logo

জাতীয়

ধর্মীয় স্থাপনা উন্নয়নে বড় প্রকল্প, শুরুতেই আপত্তি

আব্দুল হাকিম

১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৮ এএম

  • ৫৩ হাজার স্থাপনা উন্নয়নের পরিকল্পনা
  • একই ধরনের প্রকল্পে নতুন বরাদ্দ
  • স্থাপনা উন্নয়নে ভ্রমণ ব্যয়ে সাড়ে ৩ কোটি
  • বাড়িভাড়ায় যাবে সাড়ে ৪ কোটি
  • এলাকাভিত্তিক তালিকা তৈরির পরামর্শ
  • এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন পায়নি

একই ধরনের একটি প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে মাত্র ৪৪ দশমিক ০৪ শতাংশ, অথচ নতুন করে আবার ২ হাজার ৫৯০ কোটি টাকার আরেকটি প্রকল্প নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। দেশের ৬৪ জেলায় ৫৩ হাজার ধর্মীয় ও সামাজিক স্থাপনা উন্নয়নের এ প্রকল্পে কোন প্রতিষ্ঠান কীভাবে বাছাই হবে, এত বিপুলসংখ্যক আউটসোর্সিং জনবল কেন প্রয়োজন এবং প্রকল্প শেষ হওয়ার পর অবকাঠামোর রক্ষণাবেক্ষণ কীভাবে হবে, তার স্পষ্ট ব্যাখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পরিকল্পনা কমিশন।

একই সঙ্গে চলমান প্রকল্পের কাজ শেষ না হওয়ার কারণ, নতুন প্রকল্পে একই স্থাপনায় পুনরায় অর্থ বরাদ্দের ঝুঁকি এবং প্রকল্প শেষে অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কার ওপর থাকবে, তা স্পষ্ট করতে বলা হয়েছে। এসব প্রশ্নের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা ও ব্যয়ের পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া প্রকল্পটির উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) সংশোধন করে পুনরায় জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় কবরস্থান, শ্মশান, মসজিদ, মন্দির, চার্চ, প্যাগোডা, গুরুদুয়ারা ও ঈদগাহসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক স্থাপনার উন্নয়ন, সংস্কার ও সম্প্রসারণ করা হবে। স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৫৯০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৫৩ হাজার স্থাপনার উন্নয়ন, সংস্কার ও সম্প্রসারণে ২ হাজার ৩৬২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রকল্পটির প্রস্তাবিত বাস্তবায়নকাল ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত। তবে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অনুমোদিত প্রকল্প হিসেবে এর উল্লেখ নেই। এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন না পাওয়া প্রকল্পটির বিভিন্ন খাতের ব্যয়, জনবল কাঠামো, প্রতিষ্ঠান নির্বাচন এবং বাস্তবায়ন পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় ডিপিপি সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নতুন প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে পরিকল্পনা কমিশনের প্রশ্নের অন্যতম কারণ একই ধরনের আরেকটি প্রকল্প এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। ‘সার্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-২’ নামে ১ হাজার ৪৫০ কোটি টাকার প্রকল্পটি ২০২২ সালের জুলাই থেকে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত বাস্তবায়নের জন্য নেওয়া হয়। এর আওতায়ও কবরস্থান, শ্মশান, মসজিদ, মন্দির, চার্চ, প্যাগোডা ও ঈদগাহসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক অবকাঠামোর উন্নয়ন, সংস্কার, মেরামত এবং সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, চলমান প্রকল্পটির বাস্তবায়ন অগ্রগতি ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত ছিল ৪৪ দশমিক ০৪ শতাংশ। অর্থাৎ নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার এক বছরেরও কম সময় আগে প্রকল্পটির অর্ধেকের বেশি কাজ বাকি ছিল। এ অবস্থায় একই ধরনের নতুন প্রকল্প নেওয়ার আগে চলমান প্রকল্পের ধীরগতির কারণ ব্যাখ্যা করতে বলেছে কমিশন।

চলমান প্রকল্পের কাজ কেন নির্ধারিত সময়ে শেষ করা যাচ্ছে না, নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে কী ধরনের অতিরিক্ত সুবিধা তৈরি হবে এবং আগের প্রকল্পের অসমাপ্ত কাজ নতুন প্রকল্পের সঙ্গে কীভাবে সমন্বয় করা হবে, তা স্পষ্ট করার প্রয়োজন রয়েছে। এ ছাড়া চলমান প্রকল্পের মূল্যায়ন প্রতিবেদন নতুন প্রকল্প প্রস্তাবের সঙ্গে যুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরোনো প্রকল্পের কাজ শেষ করতে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান নিশ্চিত করার বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে বলা হয়েছে।

প্রকল্পটির জনবল কাঠামো নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে পরিকল্পনা কমিশন। প্রস্তাবে ৫৯৮টি আউটসোর্সিং সেবা গ্রহণের জন্য ১৩৯ কোটি ২৬ লাখ টাকা বরাদ্দের তথ্য রয়েছে। এত বিপুলসংখ্যক আউটসোর্সিং জনবলের প্রয়োজনীয়তা কী, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসব জনবলের ব্যয় নির্ধারণে সর্বশেষ সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করতে বলা হয়েছে।

প্রকল্পের জনবলসংক্রান্ত তথ্যে দেখা যায়, শুরুতে ৬৫৮টি পদ ও সেবা প্রস্তাব করা হয়েছিল। পরে অর্থ বিভাগের জনবল নির্ধারণসংক্রান্ত কমিটির পর্যালোচনায় ১০টি পদ এবং ৫৯৮টি আউটসোর্সিং সেবাসহ মোট ৬০৮ জনবলের সুপারিশ করা হয়। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এসব পদ বা সেবা বিলুপ্ত করার শর্ত রাখার কথাও রয়েছে।

চার বছর মেয়াদি একটি প্রকল্পে এত বড় জনবল কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা এবং এ খাতে বিপুল ব্যয়ের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে কোন ধরনের জনবল প্রয়োজন, এলজিইডির বিদ্যমান জনবল দিয়ে কতটা কাজ করা সম্ভব এবং আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে কী ধরনের সেবা নেওয়া হবে, তা স্পষ্ট করা জরুরি। এ কারণে সংশোধিত ডিপিপিতে জনবল কাঠামো ও ব্যয়ের হিসাব পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।

প্রকল্পের বিভিন্ন কারিগরি ও প্রশাসনিক কাজে চারজন পরামর্শক নিয়োগের জন্য মোট ২ কোটি ২৬ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছিল। নকশা ও প্রকৌশল, অঙ্কন ও নকশা, অর্থ ব্যবস্থাপনা এবং অফিস ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাজে এসব পরামর্শক নিয়োগের পরিকল্পনা ছিল।

তবে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভায় পরামর্শক নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এলজিইডির নিজস্ব কারিগরি জনবল থাকার পরও নকশা ও প্রকৌশলসংক্রান্ত কাজে নতুন করে পরামর্শক নিয়োগের যৌক্তিকতা জানতে চাওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে পরামর্শক খাত বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রকল্প বাস্তবায়নে কোন কাজের জন্য সংস্থাটির নিজস্ব জনবল যথেষ্ট এবং কোন ক্ষেত্রে বাইরের বিশেষজ্ঞের সহায়তা প্রয়োজন, তা নির্ধারণ করা জরুরি। প্রয়োজনীয়তা যাচাই ছাড়া পরামর্শক নিয়োগ করা হলে প্রকল্পের প্রশাসনিক ব্যয় বাড়তে পারে। এ কারণে সংশোধিত ডিপিপিতে পরামর্শক খাতের প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পের প্রশাসনিক ব্যয়ের মধ্যে একটি জিপ গাড়ি কেনার জন্য ১ কোটি ১৯ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছিল। এ ব্যয় বাদ দিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী গাড়ি ভাড়া করার ব্যবস্থা রাখার সুপারিশ করেছে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি। এ ছাড়া অফিস ব্যবস্থাপনায় ৪০ লাখ ৫০ হাজার টাকা, বাড়িভাড়া বাবদ ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা, পেট্রোল ও লুব্রিকেন্টে ২ কোটি টাকা, ভ্রমণে ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা, মোটরযান মেরামতে ৭৫ লাখ টাকা এবং প্রশিক্ষণে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব রয়েছে। এসব ব্যয় যৌক্তিক পর্যায়ে কমিয়ে আনার পরামর্শ দিয়েছে কমিশন। অফিস ভবন ভাড়ার ব্যয় বাদ দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করতে বলা হয়েছে।

প্রকল্পের প্রশাসনিক ব্যয় পর্যালোচনার ক্ষেত্রে কোন খাতে কত টাকা ব্যয় অপরিহার্য, তা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। মাঠপর্যায়ে ৫৩ হাজার স্থাপনার উন্নয়নকাজ তদারকি, কাজের মান যাচাই এবং অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে যে ব্যবস্থাপনা দরকার, তার সঙ্গে প্রশাসনিক ব্যয়ের সামঞ্জস্য থাকতে হবে। এ কারণে প্রতিটি খাতের ব্যয়ের যৌক্তিকতা তুলে ধরে সংশোধিত ডিপিপি তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় ৫৩ হাজার ধর্মীয় ও সামাজিক স্থাপনা অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা থাকলেও এসব প্রতিষ্ঠান কীভাবে নির্বাচন করা হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা এলাকাভিত্তিকভাবে সাজিয়ে ডিপিপিতে যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে জনস্বার্থ ও এলাকার বাস্তব প্রয়োজনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করতে বলা হয়েছে।

কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিগত বা পারিবারিক প্রতিষ্ঠানকে প্রকল্পের আওতায় নেওয়া যাবে না। আগে সরকারি সহায়তা পাওয়া কোনো প্রতিষ্ঠান একই ধরনের কাজের জন্য নতুন করে বরাদ্দ পাবে না। পাশাপাশি এলজিইডির সমাপ্ত ও বাস্তবায়নাধীন অন্য প্রকল্পের সঙ্গে কাজের দ্বৈততা এড়াতে হবে। কোনো স্থাপনায় একই ধরনের উন্নয়নকাজ আগে অন্য প্রকল্পের আওতায় হয়ে থাকলে সেখানে আবার অর্থ বরাদ্দ দেওয়ার আগে বিষয়টি যাচাই করতে হবে।

প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনার পরিবর্তে জনসম্পৃক্ততা ও এলাকার বাস্তব প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনাও রয়েছে। পাশাপাশি সীমানাপ্রাচীরে টাইলস বসানো, প্রতিষ্ঠানের বাইরের দেয়ালে টাইলস লাগানো কিংবা ফটক দৃষ্টিনন্দন করার মতো সৌন্দর্যবর্ধনমূলক কাজে প্রকল্পের অর্থ ব্যয় করা যাবে না।

৫৩ হাজার প্রতিষ্ঠানের তালিকা চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে যাচাইযোগ্য মানদণ্ড থাকা জরুরি। কোন এলাকায় কী ধরনের অবকাঠামোর ঘাটতি রয়েছে, কোথায় সংস্কার প্রয়োজন এবং কোন স্থাপনায় নতুন অবকাঠামো দরকার, তার ভিত্তিতে বরাদ্দ নির্ধারণ করতে হবে। একই সঙ্গে আগে সরকারি সহায়তা পাওয়া প্রতিষ্ঠানের তথ্য যাচাইয়ের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

প্রকল্পের আওতায় নির্মিত বা সংস্কার করা স্থাপনাগুলোর ভবিষ্যৎ রক্ষণাবেক্ষণ নিয়েও  প্রশ্ন তুলেছে পরিকল্পনা কমিশন। প্রকল্প শেষ হওয়ার পর এসব অবকাঠামোর দেখভাল কে করবে, কীভাবে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান হবে এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কোন প্রতিষ্ঠানের ওপর থাকবে, তা নির্ধারণ করে ডিপিপিতে যুক্ত করতে বলা হয়েছে।

সামাজিক ও ধর্মীয় স্থাপনার উন্নয়ন শুধু নির্মাণ বা সংস্কারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। দীর্ঘ মেয়াদে অবকাঠামো ব্যবহারযোগ্য রাখতে নিয়মিত মেরামত, পরিচ্ছন্নতা ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের ব্যবস্থা থাকতে হয়। প্রকল্প শেষ হওয়ার পর এসব কাজের দায়িত্ব ও অর্থের উৎস নির্ধারিত না থাকলে নতুন অবকাঠামো যথাযথভাবে ব্যবহার ও সংরক্ষণে সমস্যা তৈরি হতে পারে।

এ কারণে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি সুনির্দিষ্ট প্রস্থান পরিকল্পনা এবং সময়বদ্ধ কর্মপরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। প্রকল্পের আওতায় তৈরি সম্পদ ও উন্নত অবকাঠামোর রক্ষণাবেক্ষণ কীভাবে চলবে, তা আগেই নির্ধারণ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে প্রকল্পের অর্থে তৈরি অবকাঠামোর স্থায়িত্ব এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার নিশ্চিত করার বিষয়টি মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে।

প্রকল্পটির মোট প্রস্তাবিত ব্যয় ২ হাজার ৫৯০ কোটি টাকা হলেও বিভিন্ন খাতের ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় ডিপিপি পুনর্গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনবল, পরামর্শক, গাড়ি, অফিস ব্যবস্থাপনা, ভ্রমণ, প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য প্রশাসনিক খাতে প্রস্তাবিত ব্যয় পুনর্বিবেচনা করে যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের ভিত্তি, চলমান প্রকল্পের সঙ্গে কাজের দ্বৈততা এবং প্রকল্প শেষে রক্ষণাবেক্ষণের পরিকল্পনা স্পষ্ট করতে হবে।

প্রকল্পটি অনুমোদনহীন নতুন প্রকল্প হিসেবে বিবেচনার প্রক্রিয়ায় এসেছে। গত ২৪ আগস্ট আন্তমন্ত্রণালয় প্রোগ্রামিং কমিটির সভায় এটি বিবেচনার জন্য প্রস্তাব করা হয়। এরপর ৯ সেপ্টেম্বর প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভায় প্রকল্পটি পর্যালোচনা করা হয়। সভার সুপারিশ অনুযায়ী ডিপিপি সংশোধন করে পুনরায় জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশনের যুগ্মপ্রধান মোছা. আনার কলি বলেন, প্রকল্পটি আগের সরকারের সময়ও ছিল এবং সেই প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় নতুন করে প্রস্তাব করা হয়েছে। পিইসি সভায় বিভিন্ন সুপারিশ দিয়ে প্রকল্পটি ফেরত পাঠানো হয়েছে। সংশোধিত ডিপিপি পাওয়ার পর তা পরীক্ষা করে একনেকের জন্য সুপারিশ করা হবে।

এএইচ/এএস