images

জাতীয়

কৌশলে ভোটের প্রচারণা, শোকজ-জরিমানাতেই সীমাবদ্ধ ইসি

বোরহান উদ্দিন, মো. মেহেদী হাসান হাসিব

১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ পিএম

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আচরণবিধি লঙ্ঘনের হিড়িক চলছে দেশজুড়ে। প্রার্থিতা, লেভেল প্লেইং ফিল্ডসহ পরস্পরের মধ্যে নানা অভিযোগ তুললেও সময়ের আগেই বিএনপি-জামায়াত ও এনসিপির প্রার্থীরা প্রচারণায় নেমেছেন। বড় সমাবেশ না করলেও আচরণবিধিকে তোয়াক্কা না করে মাঠে ঘুরে বেড়াচ্ছেন দলগুলোর নেতাকর্মীরা। প্রকাশ্যে এমন পরিস্থিতি চললেও নির্বাচন কমিশন যেন নীরব। শোকজ ও সামান্য জরিমানার বাইরে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ তেমনটা চোখে পড়েনি। এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতা ও আন্তরিকতা নিয়ে জনমতে প্রশ্ন উঠেছে।

ইসির সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে যাদের শোকজ কিংবা জরিমানা করা হয়েছে তাদের বেশিরভাগই বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির প্রার্থী। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও আছেন তালিকায়। এদের কাউকে কাউকে সামান্য আর্থিক দণ্ডও দেওয়া হয়েছে। ‘নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম’ অনুসন্ধান করার পাশাপাশি নানা অপরাধের সংক্ষিপ্ত বিচারের জন্য গঠিত নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি এই ব্যবস্থা নিচ্ছে।

জানা গেছে, নিয়মের বাইরে গিয়ে রঙিন পোস্টার ব্যবহার, মোটর শোভাযাত্রা, জমায়েত করে ভোট চাওয়া কিংবা প্রতিশ্রুতি দেওয়ার ঘটনায় এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে এর বাইরেও সামাজিক নানা কর্মসূচির আড়ালে নির্বাচনী প্রচারণা চলছে প্রতিনিয়ত। কোথাও আবার ওয়াজ-মাহফিলেও ভোট চাওয়া হচ্ছে। যদিও আগামী ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের আগে প্রচারণা চালানোর কোনো সুযোগ নেই প্রার্থীদের।

নির্বাচন কমিশন বলছে, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ইতোমধ্যে অনেক প্রার্থীকে শোকজ করা হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে প্রতীকসহ পোস্ট বা লিফলেট বিতরণের অভিযোগে কিছু এলাকায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

যে কৌশলে প্রচারণায় প্রার্থীরা

সরাসরি ভোট না চাইলেও সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক অনুষ্ঠানের আড়ালে কৌশলে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন প্রার্থীরা। মসজিদে নামাজ আদায়, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ, সামাজিক অনুষ্ঠান কিংবা ব্যক্তিগত সৌজন্য সাক্ষাৎ সব মিলিয়ে চলছে অনানুষ্ঠানিক গণসংযোগ। পাড়া-মহল্লার দোকানপাট, বাসাবাড়ি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরছেন তারা। অনেক জায়গায় প্রার্থীদের ছবি ও দলীয় প্রতীকসংবলিত লিফলেট ও স্টিকার বিতরণ, যানবাহনে লাগানোর ঘটনাও ঘটছে। এসব কর্মসূচিতে একে অন্যকে ঘায়েল করে বক্তব্যও দিচ্ছেন, যা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটছে।

Rumin_Farhanaঅনলাইনেও পরিস্থিতি এমনই। সামাজিক মাধ্যমে চলছে ইঙ্গিতপূর্ণ প্রচারণা। ফেসবুকে ছবি, ভিডিও ও স্ট্যাটাসে প্রতীক ও স্লোগান তুলে ধরে ভোট প্রত্যাশা করছেন প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা। আনুষ্ঠানিক মাইকিং না থাকলেও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম কার্যত প্রচারণার বিকল্প ময়দানে পরিণত হয়েছে। যদিও এসবের দিকে যেন কারো নজর নেই।

সম্প্রতি খোদ নির্বাচন কমিশনের সামনে লিফলেট বিতরণ করার পাশাপাশি ভোট চান ঢাকা-১৩ আসনের প্রার্থী মামুনুল হক। পরে তাকে শোকজ করা হয়েছে।

বিষোদগার-উস্কানি, বাড়ছে সংঘাতের শঙ্কা

ঢাকা-৮ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাসির উদ্দিন পাটওায়ারী। কখনো ফজরের নামাজের পর মসজিদের সামনে দাঁড়িয়ে ভোটারদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন, দোয়া চাইছেন। কখনো কখনো গণভোটের পক্ষে ভোট চাইছেন। আবার নিজ এলাকার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে সরাসরি বিষোদগারও করছেন। নিয়ম অনুযায়ী যা করার কোনো সুযোগ নেই প্রার্থীদের। 

উল্টোদিকে এই আসনের বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসও থেমে নেই। তিনিও প্রতিনিয়ত মাঠে যাচ্ছেন। এলাকার ভোটারদের সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে কথা বলছেন। দোয়া চাচ্ছেন, ভোটও চাচ্ছেন। কৌশলে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নাসির উদ্দীন পাটওয়ারীর সমালোচনা করেও বক্তব্য দিচ্ছেন।

দুই প্রার্থীর এমন পাল্টাপাল্টি বক্তব্য অনলাইনে অনেকটা ঝড় তুলেছে। অবশ্য গত রোববার (১৮ জানুয়ারি) নাসির উদ্দীন পাটওয়ারীকে শোকজ করা হয়েছে। একইদিনে এনসিপির আহ্বায়ক ও ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলামকেও শোকজ করা হয়েছে।

এছাড়া উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে আরো কয়েকজন প্রার্থী শোকজের মুখে পড়েছেন। গত ১৫ জানুয়ারি চুয়াডাঙ্গা-২ (দামুড়হুদা, জীবননগর ও সদরের একাংশ) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. রুহুল আমিনকে শোকজ করা হয়। বক্তব্যে ‘বাঁশের লাঠি ব্যবহার করতে কর্মীদের উৎসাহ দেওয়ায়’ তাকে শোকজ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এর বাইরেও কখনো হেলথ ক্যাম্প, শীতার্তদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণের নামে প্রতিনিয়ত প্রচারণা চালাচ্ছেন প্রার্থীরা। কিন্তু এসবের বিরুদ্ধে খুব একটা ব্যবস্থা নিতে দেখা যাচ্ছে না নির্বাচন কমিশনকে।

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের পাশাপাশি ‘মব’ সৃষ্টির অভিযোগ করা হয়েছে। সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আবুবকর সরকার নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে চিঠি দিয়ে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেছেন।

nasirআচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তার দুই সমর্থককে দুই দফায় আর্থিক জরিমানা করায় রুমিন ফারহানা এর আগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে কড়া ভাষায় প্রতিবাদ করেছেন। প্রকাশ্যে আঙুল তুলে ওই কর্মকর্তাকে সাবেক এই সংসদ সদস্যের শাসানোর ঘটনা মুহুর্তে ভাইরাল হয়ে হয় সামাজিত মাধ্যমে।

যদিও রুমিন ফারহানার অভিযোগ, অন্য প্রার্থীরা প্রকাশ্যে আচরণবিধি লঙ্ঘন করলেও সে বিষয়ে প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। বরং উল্টো তাকে হয়রানি করা হচ্ছে।

মাঠে ৩০০ ম্যাজিস্ট্রেট

যদিও ‘নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম’ অনুসন্ধান ও আইন লঙ্ঘনের বিষয় বিচার করতে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে ৩০০ নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি মাঠে কাজ করছে। গত ১৪ জানুয়ারি জারি করা প্রজ্ঞাপনের পর নির্বাচনের তারিখ থেকে তারা মাঠে নামছেন। থাকবেন নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ পর্যন্ত। এসব কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকায় উপস্থিত থেকে সার্বক্ষণিক নির্বাচনি দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা আছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই কমিটি দায়িত্ব পালনকালে নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম সংঘটিত হলে তা অনুসন্ধান করে ৩ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে প্রতিবেদন দেবে। একইসঙ্গে কোন নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম যা সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘন হলে আরপওি অনুযায়ী অপরাধ হিসেবে বিবেচ্য হবে, এবং তারা বিচার করবেন।

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অপরাধ নিয়ে আরপিওতে যা আছে

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে প্রার্থীর বিরুদ্ধে জেল ও জরিমানা, তাৎক্ষণিক দণ্ড, প্রার্থিতা বাতিলের সুযোগ আছে। এতে বলা আছে, আচরণি বিধিমালায় উল্লিখিত কোনো ধারা লঙ্ঘন করলে তা নির্বাচনী অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। এক্ষেত্রে ব্যক্তির সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে। আর দলের ক্ষেত্রে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করার বিধান আছে। একইসঙ্গে অপরাধ গুরুতর হলে নির্বাচনি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের আলোকে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতাও দেওয়া আছে। 

আচারণবিধি লঙ্ঘন হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে থাকেন। তারা জরিমানা, অল্প সময়ের জন্য দণ্ড দিতে পারেন। এছাড়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা মূলত নির্বাচনের সময় নির্বাচনি তদন্ত কমিটির অংশ হিসেবে কাজ করেন। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে শোকজ করে, শুনানি শেষে ইসিতে প্রতিবেদন জমা দেন। 

অপরাধ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাও কখনো কখনো ব্যবস্থা নিয়ে থাকেন। আর প্রার্থিতা বাতিল কিংবা বড় অংকের জরিমানার ক্ষেত্রে প্রতিবেদনের আলোকে ইসি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়।

প্রার্থীদের দাবি, তারা নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধির মধ্যেই রয়েছেন। তাদের দাবি, এগুলো প্রচারণা নয়, কেবল সামাজিক যোগাযোগ ও সৌজন্য বিনিময়। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব কর্মকাণ্ড বাস্তবে আগাম প্রচারণারই অংশ। এতে নির্বাচনি আচরণবিধির কার্যকারিতা প্রশ্নের মুখে পড়ছে এবং সুষ্ঠু ও সমান প্রতিযোগিতার পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।

mirza-abbasপ্রশাসনের প্রতি নিরপেক্ষতা নষ্ট করার অভিযোগ তুলে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা বলেছেন, সব জায়গায় কর্মসূচি হচ্ছে। কিন্তু আমাদের নেতাকর্মীদের হয়রানি করা হচ্ছে। আশা করব প্রশাসন, পুলিশ, নির্বাচন কমিশন ও সরকার নিরপেক্ষ থাকবে।

এই স্বতন্ত্র প্রার্থী বলেন, প্রশাসনকে অনুরোধ করব নিজের আইনের ভেতরেই আপনারা কাজ করবেন। কোনো প্রার্থীকে ডান চোখে আর কোনো প্রার্থীকে বাম চোখে দেখবেন না। প্রশাসনকে বিনীতভাবে অনুরোধ করব আইন সবার জন্য সমান, আইনের প্রয়োগও যেন সবার ক্ষেত্রে সমান হয়।

যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাব্বির আহমেদ ঢাকা মেইলকে বলেন, প্রচারণা শুরুর সময়ের আগেই যা হচ্ছে এটা করার সুযোগ নেই। আরপিওতে স্পষ্ট বলা আছে প্রার্থীরা কখন কী করতে পারবেন, কী পারবেন না। এখন আচরণবিধি থাকলেই তো হবে না, তা কার্যকর করতে না পারলে প্রার্থীরা কৌশলের আশ্রয় নেবেই। এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের দুর্বল নজরদারি পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলছে।

নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই যদি আচরণবিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন না করা হয়, তাহলে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর আগেই নির্বাচনি মাঠ অসম প্রতিযোগিতার দিকে ঝুঁকে পড়বে। 

নির্বাচন বিশেষজ্ঞ মো. আবদুল আলীম ঢাকা মেইলকে বলেন, আরপিও অনুযায়ী চাইলেই আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ আছে। অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী জেল-জরিমানা, প্রার্থিতা বাতিল করা যাবে। দেশজুড়ে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।

সবার সহযোগিতা চান সিইসি 

মাঠের এমন পরিস্থিতিতে কঠোরতা বদলে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দীন।

রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের তিনি বলেন, ‘আচরণবিধি সঠিকভাবে পালন করা হলে নির্বাচন সুন্দরভাবে হবে। এজন্য আপনাদের সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।’

নিজেদের কর্মীদের আচরণবিধি সম্পর্কে ব্রিফ করতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে সিইসি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন একা সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে পারে না। এর জন্য রাজনৈতিক নেতৃত্বের সহযোগিতা অপরিহার্য।

গত শনিবার ইসিতে আপিল শুনানিতে কমিশনের সামনে বাকবিতণ্ডায় জড়ানো আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও হাসানাত আব্দুল্লাহকে আচরণবিধি নিয়ে রির্টানিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

বিইউ/এমএইচএইচ/এমআর