জেলা প্রতিনিধি
০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২৮ পিএম
শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় বন্যহাতির চলাচলের সময় তাদের পায়ের চাপে একটি মৎস্য খামারের বাঁধ ভেঙে যায় । এতে খামার থেকে পানি বেরিয়ে যাওয়ার সময় পানির সঙ্গে বিপুল পরিমাণ মাছ ভেসে যায়। এ ঘটনায় প্রায় সাত থেকে আট লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এতে বড় ধরনের আর্থিক বিপর্যয়ে পড়েছেন খামারটির মালিক এনামুল হক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ময়মনসিংহ বন বিভাগের বালিজুড়ি রেঞ্জ সংলগ্ন খৃস্টানপাড়া এলাকায় বন্যহাতির বিচরণকালে এ ঘটনা ঘটে। হাতির পায়ের চাপে খামারের বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ভেঙে পড়লে মুহূর্তেই বেরিয়ে যায় খামারের পানি। পানির সঙ্গে মাছগুলোও ঝরনার স্রোতে ভেসে যায়।
এ ঘটনায় খামারের মালিক এনামুল হক বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়েছেন। দীর্ঘদিনের শ্রম ও বিনিয়োগে গড়ে তোলা খামারটি এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় চরম হতাশা দেখা দিয়েছে তার মধ্যে। পাশাপাশি বন্যহাতির বিচরণকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।
ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য খামারি এনামুল হক জানান, দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করে তিনি খামারটিতে মাছ চাষ করে আসছিলেন। কিন্তু বন্যহাতির পায়ের চাপে খামারের বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকার মাছ পানির স্রোতে ভেসে যায়। এ ছাড়া ভেসে যাওয়া মাছের কিছু অংশ স্থানীয় লোকজন ধরে নিয়ে গেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এই ঘটনায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন জানিয়ে এনামুল হক বলেন, বর্তমানে আমার অবস্থা খুবই শোচনীয়।
এ বিষয়ে বালিজুড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা রাতুল সাহা জানান, বন্যহাতিগুলো বর্তমানে খৃস্টানপাড়া এলাকায় অবস্থান করছে। এখন পর্যন্ত হাতির কারণে কোনো ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে একটি মৎস্য খামারের বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় খামারির ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি জানার পর বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট বিট কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
প্রতিনিধি/এফএ