শনিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৫, ঢাকা

ঘিবলি ব্যবহারকারীদের ছবি চুরি করে অর্থ উপার্জন করছে!

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১ এপ্রিল ২০২৫, ১০:২৫ এএম

শেয়ার করুন:

loading/img

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে ঘিবলি স্টাইলে ছবি তৈরি করে শেয়ার করার প্রতিযোগিতা। অথচ এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারকারীদের অজান্তেই তাদের ছবি চুরি করছে। জানুন কীভাবে?
 
আপনার মুখের ছবি চুরি যাচ্ছে না তো

ঘিবলি স্টাইলে ছবি বানাতে গিয়ে শুধু যে আমরা এআই সংস্থাগুলোর কাছে ফেস রেকগনিশন দিয়ে দিচ্ছি তাই নয়, প্রতিদিনই আমরা নিজেদের ছবি এই ধরনের এআই সংস্থাগুলোকে দিয়ে দিচ্ছি। ফোন আনলক করার জন্য, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্যাগ করার জন্য আমাদের ফেস রেকগনিশন দরকার হয় আর এই সংবেদনশীল তথ্য যদি চুরি হয়ে যায় আপনার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।


বিজ্ঞাপন


animation

সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা যখন কোনও ছবি পোস্ট করি, বা এই ধরনের অ্যাপকে ক্যামেরা অ্যাক্সেস দিয়ে থাকি, আমরা এর বিপদ সম্পর্কে চিন্তাও করি না। এআই সংস্থাগুলো আমাদের মুখের ত্রিমাত্রিক ছবি স্ক্যান করে অজান্তেই সঞ্চয় করে রেখে দেয়। পাসওয়ার্ড বা ক্রেডিট কার্ডের নম্বরের থেকেও এই তথ্য অনেক বেশি বিপজ্জনক। কারণ নম্বর বা পাসওয়ার্ড আপনি সহজেই বদলাতে পারবেন, কিন্তু আপনার মুখের ছবি আপনি বদলাতে পারবেন না কখনও।

আরও পড়ুন: ঘিবলি কী? যেভাবে ঘিবলি ছবি জনপ্রিয় হলো

অনেকেই এই বিষয়ে আমল দেন না


বিজ্ঞাপন


এর আগে ক্রিয়ারভিউ এআই-কে ঘিরে সমস্যা দেখা গিয়েছিল। বড়সড় অভিযোগ উঠেছিল যে এই সংস্থা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, খবরের চ্যানেল, পাবলিক রেকর্ড থেকে ৩ বিলিয়ন ছবির ডেটাবেস সংগ্রহ করেছিল কারও অনুমতি না নিয়েই। আর সেগুলোকেই বেসরকারি সংস্থাগুলোকে বিক্রি করে দিচ্ছিল।

main-car

আপনার ছবি চুরি করে কারা অর্থ উপার্জন করছে

স্ট্যাটিস্টার রিপোর্ট অনুসারে, ফেসিয়াল রেকগনিশন টেকনোলজির বাজারমূল্য ২০২৫ সালে যাবে ৫.৭৩ বিলিয়ন ডলারে আর ২০৩১ সালের মধ্যে ১৪.৫৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যাবে। ১৬.৭৯ শতাংশ সিএজিআর আসতে পারে এই বাজারে। গুগল এবং মেটার এআই মডেলগুলোকে গ্রাহকের ছবি দেখিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে, কিন্তু সেগুলো তারা কোথাও বিক্রি করে না।

এজেড

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


News Hub