যাদের হাতে এখন স্মার্টফোন আছে, তাদের বেশিরভাগই ফেসবক, হোয়াটসঅ্যাপ, টিকটকের মতো সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এই আসক্তি যত বাড়ছে, প্রতারকদের ততই পোয়া বারো। ফোন খুললেই এখন নানা রকমের লোভনীয় অফারের ছড়াছড়ি। এর মধ্যে কোনটা আসল আর কোনটা জাল? একটু ভুলচুক হলেই কিন্তু চোখের নিমেষে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খালি
হ্যাকার এবং স্ক্যামারদের থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছে সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্টরা। এজন্য বিশ্বব্যাপী চলছে সচেতনতামূলক প্রচার। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের সময় কীভাবে স্ক্যামারদের থেকে সতর্ক থাকবেন? কয়েকটি জিনিস মেনে চলতে হবে শুধু।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন: ৮৪ লাখ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করল হোয়াটসঅ্যাপ
লোভনীয় অফার দেখলে সাবধান: অফার যত লোভনীয় জাল হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি। এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এই ফাঁদে পা দিলে চলবে না। কোনও অফার সম্পূর্ণ বিশ্বাস করার আগে সেটা আদৌ সত্যি কি না যাচাই করে দেখতে হবে। নাহলে লোভে পাপ আর পাপে মৃত্যু।
অজানা লিঙ্কে ক্লিক নয়: বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রতারকরা ভুয়ো লিঙ্ক পাঠায়। তাতে ক্লিক করলেই সর্বনাশ। সব তথ্য চলে যাবে স্ক্যামারদের হাতে। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খালি হওয়া তখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র। তাই ভুলেও অজানা বা সন্দেহজনক লিঙ্কে ক্লিক করা চলবে না।
বিজ্ঞাপন
চাকরির প্রলোভনে ভুললে সর্বনাশ: চাকরির বাজার খারাপ। বেকারত্ব বাড়ছে। এটাকেও সুযোগ হিসেবে কাজে লাগায় প্রতারকরা। নিজেদের কোনও বড় কোম্পানির হর্তাকর্তা বলে পরিচয় দিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা করে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনও সংস্থায় আবেদন করার আগে সেই কোম্পানি সম্পর্কে ভালভাবে খোঁজখবর নেওয়া উচিত। আর যদি কেউ চাকরি করে দেওয়ার নামে টাকা চায়, তাহলে এই ফাঁদে পা দেবেন না।
ওটিপি, পিন শেয়ার করবেন না: প্রতারক চক্র আপনার কাছে আপনার বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের পিন বা ওটিপি চাইতে পারে। ভুলেও তাদের ওটিপি দেবেন না। দিলেই আপনি প্রতারিত হবেন।
এজেড