আজ বিশ্ব ডিম দিবস। পুষ্টিগুণে ভরপুর ডিম নিয়ে সারা বিশ্বে নানা আলোচনা হলেও, প্রকৃতির এক বিস্ময়কর ও সুন্দর নিয়ম হলো পাখির ডিমে তা দেওয়ার বিষয়টি। মা পাখি যখন পরম যত্নে ডিমে তা দেয়, তখনই কেবল তার ভেতর থেকে একটি প্রাণীর জন্ম হয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ডিমে তা না দিলে কেন বাচ্চা ফোটে না?

এর মূল বৈজ্ঞানিক কারণ হলো তাপমাত্রা (Temperature)। পাখির ডিমের ভেতর থাকা ভ্রূণ বা অ্যাম্ব্রিও (Embryo) সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় বা সুপ্ত অবস্থায় থাকে। ডিম পাড়ার পর যদি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সঠিক ও উষ্ণ তাপমাত্রা বজায় রাখা না হয়, তবে কোষ বিভাজন বা ভ্রূণের বৃদ্ধি শুরু হতে পারে না।
_20261009_151445064.jpeg)
সাধারণত পাখি যখন ডিমে তা দেয়, তখন তার শরীর থেকে প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার কাছাকাছি একটি নির্দিষ্ট ও নিখুঁত তাপমাত্রা ডিমের মধ্যে পরিবাহিত হয়। এই লাগাতার ও সুষম উষ্ণতাই ভ্রূণকে সক্রিয় করে তোলে এবং কোষগুলোর বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
আরও পড়ুন: রোজ কয়টি ডিম খাওয়া নিরাপদ?

তা না দিলে বা ডিম ঠান্ডা হয়ে গেলে ভ্রূণের ভেতরের জৈবিক প্রক্রিয়াগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে ডিমটি নষ্ট হয়ে যায় এবং কোনোমতেই বাচ্চা ফোটে না। প্রকৃতির এই নিপুণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই মূলত একটি নিথর ডিম থেকে জীবন্ত ছানার জন্ম হয়।
এজেড




