শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

হজের নিবন্ধন শুরু, করবেন যেভাবে

ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৪ পিএম

শেয়ার করুন:

হজের নিবন্ধন শুরু, যেভাবে করবেন আবেদন

২০২৭ সালের হজে যেতে আগ্রহীদের জন্য সোমবার (২৭ জুলাই) থেকে প্রাথমিক নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সৌদি আরবের হজ ও ওমরা মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত হজ কার্যক্রমের রোডম্যাপ অনুযায়ী ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ সময়সূচি নির্ধারণ করেছে।

আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যবস্থাপনায় ই-হজ সিস্টেমের মাধ্যমে প্রাথমিক নিবন্ধন করা যাবে।

হজে যেতে আগ্রহীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। এর আগে প্রত্যেক হজযাত্রীকে ৩০ হাজার টাকা জমা দিয়ে প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। এরপর সাড়ে তিন লাখ টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন করা যাবে।

প্রাথমিক নিবন্ধনকারীদের আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্ধারিত হজ প্যাকেজের বাকি অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।

আরও পড়ুন: রাসুল (স.) কেন বারবার ওমরা করতে বলেছেন?

যেভাবে করবেন নিবন্ধন

সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যেতে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা ই-হজ সিস্টেমে ইউজার তৈরি করে নিজেরাই নিবন্ধন করতে পারবেন। এছাড়া ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, জেলা ও উপজেলা মডেল মসজিদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম কার্যালয় এবং ঢাকা হজ অফিস থেকেও নিবন্ধনের সুযোগ থাকবে।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন করতে হবে।

অন্যদিকে, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সির নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে অর্থ জমা দিতে হবে। এজেন্সির ব্যাংক হিসাবসংক্রান্ত তথ্য হজ পোর্টালে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির প্রোফাইলে পাওয়া যাবে।

নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত

হজে যেতে আগ্রহীদের এমন পাসপোর্ট থাকতে হবে, যার মেয়াদ ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ ও টিকা গ্রহণের জেলা, হজের ধরন এবং হজ প্যাকেজ নির্বাচন করতে হবে।

আরও পড়ুন: বছরে একাধিকবার ওমরার সুযোগ, খরচ এবং আবেদনের নিয়ম

তবে ১৫ বছরের কম বয়সী কেউ হজে যেতে পারবেন না। একইভাবে গুরুতর হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার বা কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি, স্নায়ুবিক বা মানসিক রোগী এবং ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা হজ পালনের জন্য অনুমোদিত হবেন না।

এ ছাড়া কেমোথেরাপি, বায়োলজিক্যাল থেরাপি বা রেডিওথেরাপি গ্রহণরত ক্যানসার রোগীরাও হজে যাওয়ার অনুমতি পাবেন না।

জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ সক্রিয় সংক্রামক রোগ, যেমন যক্ষ্মা ও হেমোরেজিক ফিভারে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও হজে যেতে পারবেন না।

পাশাপাশি গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাসে থাকা কিংবা ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় থাকা কোনো নারী পাবেন না হজযাত্রী ফিটনেস সনদ।

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর