বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

মিটিং-সমাবেশ চলাকালে আজান হলে করণীয়

ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩০ জুন ২০২৪, ১০:৩৬ পিএম

শেয়ার করুন:

মিটিং-সমাবেশ চলাকালে আজান হলে করণীয়

ইসলামে আজানের জবাব দেওয়ার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। মৌখিকভাবে আজানের জবাব দেওয়া সুন্নত। রাসুলুল্লাহ (স.) ইরশাদ করেন, ‘যখন তোমরা আজান শুনবে, তদুত্তরে মুয়াজ্জিনের অনুরূপ তোমরাও বলবে।’ (বুখারি: ৬১১)

তবে মনে রাখতে হবে, আজানের প্রায়োগিক জবাবই বাস্তবসম্মত জবাব। এটি জরুরি। প্রায়োগিক জবাব কী? এটি হলো নামাজের প্রস্তুতি নেওয়া। এটি সব মুসলমানের জন্য জরুরি। কেননা নামাজ যেমন ফরজ, নামাজের প্রস্তুতি নেওয়াও ফরজ।

আরও পড়ুন: আজান শুনলে কোরআন তেলাওয়াত বন্ধ করতে হবে কি?

আর দ্বিতীয় প্রকার তথা মৌখিক জবাব দেওয়া যদিও ফরজ-ওয়াজিব নয়, তবে তাও একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। তাই আজানের সময় সাধারণ দ্বীন ও দুনিয়াবি কথা ও কাজে লিপ্ত থাকা অনুচিত।

ওয়াজ বা কোনো দ্বীনি মাহফিল চলাকালীনও তা সাময়িক বন্ধ রেখে সবারই আজানের জবাব দেওয়া উত্তম। এমনকি কোরআন তেলাওয়াতকারী সাময়িক তেলাওয়াত বন্ধ রেখে আজানের জবাব দেওয়া উত্তম। 

আরও পড়ুন: আজানের আগে নামাজ পড়া যায়?

তবে একান্ত প্রয়োজনে দ্বীনি ও দুনিয়াবি যেকোনো কাজ চালু রাখতে পারে, যেমন কেউ যদি জরুরি মিটিং ইত্যাদিতে থাকে, এর জন্য পরবর্তী সময়ে উপযুক্ত সময়-সুযোগ পাওয়া যাবে না, তখন আজানের মৌখিক উত্তর না দিয়ে জরুরি মিটিং চালিয়ে যেতে পারবে। কেননা এতে কোনো ফরজ-ওয়াজিব তরক করা হয় না। (ফাতহুল কাদির: ১/২৪৮, রদ্দুল মুহতার: ১/৩৯৯, আদ্দুররুল মুখতার: ১/৩৯৭, ফতোয়ায়ে মাহমুদিয়া : ৫/৪২৭)

কথিত আছে, আজানের মৌখিক উত্তর না দিলে বেঈমান হয়ে যায় কিংবা বেঈমান অবস্থায় মারা যাওয়ার ভয় আছে—এরূপ কোনো বর্ণনা হাদিসের কিতাবগুলোতে নেই, অতএব তা একেবারেই ভুল। (ফতোয়ায়ে মাহমুদিয়া: ৫/৪৩০)

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর