ঈদুল আজহার প্রধান আকর্ষণ ও বড় আমল হলো কোরবানি। এটি ইসলামের একটি শিয়ার বা মহান নিদর্শন। আল্লাহ তাআলা কোরবানির নির্দেশ দিয়ে বলেন— ‘আপনি আপনার রবের উদ্দেশ্যে নামাজ পড়ুন এবং কোরবানি আদায় করুন।’ (সুরা কাউসার: ২)
সামর্থ্য অনুযায়ী, একজন একটি পশু অথবা বড় পশুকে শরিকে (কয়েকজন মিলে ভাগাভাগির মাধ্যমে) কোরবানি করা জায়েজ। উট, গরু, মহিষ সাত ভাগে এবং সাতের কমে যেকোনো সংখ্যা যেমন দুই, তিন, চার, পাঁচ ও ছয় ভাগে কোরবানি করা জায়েজ। (মুসলিম: ১৩১৮; বাদায়েউস সানায়ে: ৪/২০৭)
বিজ্ঞাপন
এভাবে একটি বড় পশুতে সর্বোচ্চ সাতজন শরীক হয়ে কোরবানি দিতে পারবে। জাবের বিন আব্দুল্লাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমরা হুদায়বিয়ার সনে উট সাতজনের পক্ষ থেকে এবং গরুও সাত জনের পক্ষ থেকে কোরবানি করেছিলাম।’ (সহিহ মুসলিম: ২৩২২, আবু দাউদ: ২৮০৯, তিরমিজি: ১৪২২, ইবনে মাজাহ: ৩১৩২)
আরও পড়ুন
কোরবানির গোশত বিতরণের সঠিক নিয়ম
ঋণ পরিশোধ আগে না কোরবানি?
অর্থাৎ আপনি চাইলে একটি গরু বা মহিষ বা উট ৬ ভাগে কোরবানি করতে পারবেন। একইভাবে ২ বা ৪ কিংবা ১, ৩, ৫ ভাগেও করতে পারবেন। এতে কোরবানি শুদ্ধ হবে। শুধু মনে রাখতে হবে- প্রত্যেক অংশ যেন সমান হয়। কোনো অংশ যেন অন্য অংশ থেকে কম না হয়। যেমন কারো আধা ভাগ, কারো দেড় ভাগ—এমন হলে কোনো শরিকের কোরবানি শুদ্ধ হবে না। (বাদায়েউস সানায়ে: ৪/২০৭)
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সামর্থ্যবানদের বিশুদ্ধ নিয়ত ও হালাল উপার্জন দিয়ে সহিহ সুন্নাহ অনুযায়ী কোরবানি করার তাওফিক দান করুন। আমিন।




