* ভোটের মাঠে ১ হাজার ৯৮১ প্রার্থী, নারী ৭৬ জন, হিজড়া একজন
* বিএনপি নারী প্রার্থী ১০ জন, জামায়াতে শূন্য
* ভোটে অংশ নিয়েছে ৫১ দল, নেই ৮ দল
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের এক হাজার ৭৩২ জন প্রার্থী ভোটের মাঠে। এর মধ্যে নারী প্রার্থী রয়েছে ২০টি দলের। আর ৩১টি দলের কোনো নারী প্রার্থী নেই। শতাংশ হিসাব করলে ভোটে অংশ নেওয়া ৬১ শতাংশ দলে নেই কোনো নারী প্রার্থী। এতে নারী প্রতিনিধিত্ব নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা ও নীতিগত অবস্থান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
বিজ্ঞাপন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসির প্রকাশিত প্রার্থী তালিকা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৫১টি দল এবং স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী রয়েছে ১৯৮১ জন। এর মধ্যে ৭৬ জন নারী ও একজন হিজড়া প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছে, যা মোট প্রার্থীর ৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ। এই ৫১টি দলের মধ্যে ২০টি দলের নারী প্রার্থী রয়েছে ৬১ জন। এর মধ্যে ১৫ জন স্বতন্ত্র ও একজন হিজড়া। দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নারী প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-মার্কসবাদী, ১০ জন করে প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছে তাদের।
যে ২০ দল নারী প্রার্থী দিয়েছে
বেশ কয়েকবার ক্ষমতায় ও বিরোধী দলে থাকা বিএনপির নারী প্রার্থী রয়েছে ১০ জন। নাটোর-১ আসনে ফারজানা শারমীন, যশোর-২ আসনে মোছা. সাবিরা সুলতানা, ঝালকাঠি-২ ইশরাত জাহান ইলেন ভুট্টো, মাদারীপুর ১ নাদিরা আক্তার, মানিকগঞ্জ-৩ আফরোজা খানম, ঢাকা-১৪ আসনে সানজিদা ইসলাম, শেরপুর-১ আসনে সানসিলা জেবরীন, সিলেট-২ আসনে মহসীনা রুশদী, ফরিদপুর-৩ আসনে চৌধুরী নায়াব ইউসুফ ও ফরিদপুর-২ আসনে শামা ওয়াবেদ। এই দলের প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে নারীর হার ৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ।
বিগত তিন সংসদে বিরোধী দলে থাকা জাতীয় পার্টির ছয়জন নারী প্রার্থী: ঠাকুরগাঁও-২ আসনে নুরুন নাহার বেগম, ঝিনাইদহ-১ আসনে মনিকা আলম, খুলনা-৫ আসনে শামীম আরা পারভীন, ঢাকা-১০ আসনে বহ্নি বেপারী, নরসিংদী-৫ আসনে মেহেরুন নেসা খান হেনা ও খাগড়াছড়ি আসনে মিথিলা রোয়াজা। দলটির ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বি রয়েছে ১৯৬ জন। সে হিসেবে নারী প্রার্থী ৩ দশমিক ০৬ শতাংশ।
গণফোরামের দুজন: ঝিনাইদহ-৪ আসনে খুনিয়া খানম ও ঢাকা-৯ আসনে নাজমা আক্তার গণফোরামের নারী প্রতিদ্বন্দ্বি। এই দলটির প্রতিদ্বন্দ্বি রয়েছে ১৯ জন, নারীর হার এই দলে ১০ দশমকি ৫৩ শতাংশ।
বাংলাদেশ মুসলিম লীগের একজন: দিনাজপুর-৩ আসনে লায়লাতুল রীমাই দলটির একমাত্র নারী প্রতিদ্বন্দ্বি।
বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) ১০ জন: এই দলের রংপুর-৩ আসনের প্রগতি বর্মন তমা, গাইবান্ধা-৫ আসনে মোছা. রাহেলা খাতুন, জয়পুরহাট-১ আসনে তৌফিকা দেওয়ান, ঢাকা-৫ আসনে শাহীনুর আক্তার সুমী, ঢাকা-৭ আসনে সীমা দত্ত, গাজীপুর-১ আসনে তাসলিমা আক্তার, নোয়াখালী-৫ আসনে মুনতাহার বেগম, চট্টগ্রাম-১০ আসনে আসমা আক্তার, চট্টগ্রাম-১১ আসনে দীপা মজুমদার ও মৌলভীবাজার-২ আসনে সাদিয়া নওশীন তাসনিম চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মার্কবাসী দলের প্রতিদ্বন্দ্বি মধ্যে নারী হার ৩৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ।
বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের চারজন: বগুড়া-৬ আসনে দিলরুবা, মাগুরা-১ আসনে শম্পা বসু, বরিশাল-৫ মনীষা চক্রবর্তী ও কুমিল্লা-৬ আসনে কামরুন নাহার সাথী বাসদের নারী প্রতিদ্বন্দ্বী। এই দলের প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে নারীর হার ১০ দশমকি ২৫ শতাংশ।
ন্যাশনাল পিপলস পার্টির একজন: ঢাকা-১৮ আসনে ছাবিনা জাবেদ এনপিপির একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বি।
ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের চারজন: ইনসানিয়াত বিল্পবের নারী প্রার্থীরা হলেন- মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে রোকেয়া আক্তার, ঢাকা-১৩ আসনে ফাতেমা আক্তার মুন্নি, গাজীপুর-২ আসনে সরকার তাসলিমা আফরোজ ও নরসিংদী-৫ আসনে তাহমিনা আক্তার। এই দলের নারী প্রতিদ্বন্দ্বির হার ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ।
এনসিপির দুজন: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্যে দিয়ে তরুণদের নিয়ে সৃষ্টি হওয়া এই দলটির নারী প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছে দুজন। ঢাকা-১৯ আসনে দিলশানা পারভীন ও ঢাকা-২০ আসনে নাবিলা তাসনিদ। এই দলের নারী প্রতিদ্বন্দ্বির হার ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ।
গণসংহতি আন্দোলনের তিনজন: এই দলের নাটোর-২ আসনে তাহমিদা ইসলাম তানিয়া, টাঙ্গাইল-৫ আসনে ফাতেমা আক্তার ও ব্রাহ্মবাড়িয়া-৫ আসনে নাহিদা জাহান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দলের নারী প্রতিদ্বন্দ্বির হার ১৭ দশমকি ৬৫ শতাংশ।
গণঅধিকার পরিষদের-জিওপি তিনজন: সিরাজগঞ্জ-১ আসনে মোছা. মল্লিকা খাতুন, ঢাকা-৮ আসনে মেঘনা আলম ও নরসিংদী-১ আসনে শিরীন আক্তার জিওপি-এর নারী প্রতিদ্বন্দ্বি। এই দলের নারী প্রতিদ্বন্দ্বির হার ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ।
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির ছয়জন: জেএসডির নারী প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে- সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে ইলোরা খাতুন, ফরিদপুর-৩ আরিফা আক্তার বেবী, ঢাকা-৭ আসনে শাহানা সেলিম, কুমিল্লা-৫ আসনে শিরিন আক্তার, নোয়াখালী-১ আসনে রেহেনা বেগম ও লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে তানিয়া রব। এই দলের নারী প্রতিদ্বন্দ্বির হার ২৩ দশমিক ০৭ শতাংশ।
নাগরিক ঐক্যের একজন: পাবনা-৪ আসনে শাহানাজ হক একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বি নাগরিক ঐক্যের।
বাংলাদেশের রিপাবলিকান পার্টি একজন: এই দলের কুষ্টিয়া-৩ আসনে একমাত্র নারী প্রতিদ্বন্দ্বি রুম্পা খাতুন।
এবি পার্টি একজন: ঢাকা-১০ আসনে নাসরিন সুলতানা একমাত্র নারী প্রতিদ্বন্দ্বী এবি পার্টির।
বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির দুজন: এই দলের দুজন প্রার্থী নারী, নেত্রকোণা-৪ আসনে চম্পা রানী সরকার ও রাঙ্গামাটি আসনে জুঁই চাকমা।
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) একজন: সিপিবির একজন নারী প্রতিদ্বন্দ্বি রয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। নেত্রকোণা-৪ আসনে জলী তালুকদার।
আম জনতার দলে একজন: আম জনতার দলের নারী প্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে শরিফা আক্তার।
ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ একজন: এই দলের নারী প্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে আয়েশা আক্তার।
বাংলাদেশ লেবার পার্টি একজন: এই দলের নারী প্রতিদ্বন্দ্বি চাঁদপুর-২ আসনে নাসিমা নাজনিন সরকার।
স্বতন্ত্র ১৫ জন নারী ও একজন হিজড়া: এবারে নির্বাচনে স্বতন্ত্র থেকে ১৫ জন নারী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে আশা মনি, রংপুর-৩ আসনে রীতা রহমান, রংপুর-৬ আসনে তাকিয়া জাহান চৌধুরী, গাইবান্ধা-১ আসনে মোছা. ছালমা আক্তার, জয়পুরহাট-১ আসনে সাবেকুন্নাহার, ঢাকা-১ আসনে অন্তরা সেলিমা হুদা, ঢাকা-৯ আসনে তাসনিম জারা, টাঙ্গাইল-৩ আসনে আইরিন নাহার, ময়নসিংহ-৬ আসনে আক্তার সুলতানা, ময়মনসিংহ-৯ আসনে হাসিনা খান চৌধুরী, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে রেহা কবির, ব্রাহ্মবাড়িয়া-২ আসনে রুমিন ফারহানা, কুমিল্লা-৯ আসনে সামিরা আজিম, চট্টগ্রাম-২ আসনে জিন্নাত আক্তার, খাগড়াছড়িতে জিরুনা ত্রিপুরা। এছাড়া রংপুর-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ারা ইসলাম রানী (হিজড়া)।
দীর্ঘ ১৭ বছর রাজনৈতিক সংকট কাটিয়ে এবার ভোটে জামায়াতে ইসলামী অংশ নিলেও দলটির কোনো নারী প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ ৩০ দলেরও নারী প্রতিদ্বন্দ্বী নেই।
যে ৩১টি রাজনৈতিক দলের নারী প্রার্থী নেই: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি- এলডিপি, জাতীয় পার্টি-জেপি, গণতন্ত্রী পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ, জাকের পার্টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, গণফ্রন্ট, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ, বাংলাদেশ জাতীয় পাটি, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপা, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট), বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফ, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এনডিএম, বাংলাদেশ কংগ্রেস, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-বাংলাদেশ জাসদ, বাংলাদেশ সুপ্রিম পাটি (বি.এস.পি), বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি), জনতার দল, বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি (বিইপি), বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পাটি।
নিবন্ধিত দলে যারা ভোটে নেই: বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এম. এল), কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, তৃণমূল বিএনপি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন-বি এন এম। আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত থাকায় ভোটে নেই দলটি।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, রাজনৈতিক দলগুলোর সর্বস্তরের কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য পূরণের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া নারী সদস্যের নির্বাচনে রাখার দাবি রয়েছে নির্বাচন বিশেষজ্ঞসহ সংশ্লিষ্টদের। তবে এবারের চিত্র আরও হাতাশার বলছেন অনেকে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও নির্বাচন বিষয়ক সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য জেসমিন টুলী বলেন, নারী প্রতিনিধি বাড়ানো নিয়ে এতো এতো কথা বলেছি, যে আর বলতেও ভালো লাগে না। কেননা, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে বিষয়টির উল্লেখ থাকলেও তা বাস্তবায়নে দলগুলো এগিয়ে আসছে না।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল নারী প্রার্থী দেয়নি- এ বিষয়টি কীভাবে দেখছেন জানতে চাইলে ফেয়ার ইলেকশন মনিটরিং অ্যালায়েন্সের (ফেমা) সাবেক প্রেসিডেন্ট ও পর্যবেক্ষক মুনিরা খান ঢাকামেইলকে বলেন, ‘আমি ঠিক বলতে পারবো না যে দলগুলো কতদিন আগে গঠন করেছে এবং কতদিন আগে তারা নিবন্ধন পেয়েছে। একটা দল নতুন করে যখন নিবন্ধিত হয়, তাদের কার্যক্রম শুরু হয়, তার ওপর নির্ভর করে যে তাদের দলে নারী প্রার্থী হওয়ার উপযুক্ত কয়জন আছে এবং অন্যান্য পুরুষও দেখতে হবে যে নেতৃস্থানীয়দের মধ্যে কয়জন আছে।
মুনিরা খান বলেন, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো যোগ্যতা আছে কতজনের এগুলো অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে। আমি তো এমন কথা কাউকে বলতে পারব না তুমি যেহেতু দল গঠন করেছ, সেহেতু তোমাকে নারী প্রার্থী দিতেই হবে, এত পুরুষ দিতেই হবে তা তো হয় না। এটা তো একটা প্রাকটিসের ব্যাপার এবং তাদের নিজস্ব পার্টির আদর্শের ব্যাপার। এছাড়া নারী নেতৃত্বের প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধির বিষয়টি এখনো লিগ্যাল ব্যাটেলে রয়ে গেছে, ওটা কিন্তু হয়নি। অতএব রাজনৈতিক দলগুলো নারী প্রার্থী না দিলেও ওদের বিরুদ্ধে কিছু বলা যাবে না। আইনগতভাবে, ব্যক্তিগতভাবে সেটা আমি করতে পারবো না।
সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর এক হাজার ৭৩২ জন এবং স্বতন্ত্র ২৪৯ জন মিলে এবার মোট প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী থাকল ১৯৮১ জন। এর মধ্যে ধানের শীষ ২৮৮ জন, দাঁড়িপাল্লা ২২৪ আর হাতপাখার ২৫৩ প্রার্থী রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচারেও নেমেছেন। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত প্রচার চলবে। আর ভোটগ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
এমএইচএইচ/ক.ম

