স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের সময়সীমা আরও তিন বছর বাড়িয়েছে জাতিসংঘ। অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে এই বাড়তি সময়কে সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদেরা।
তবে এই সময়ের মধ্যে ব্যাংক খাতের দুর্বলতা দূর করা, রাজস্ব আদায় বাড়ানো, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা, বিনিয়োগ ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং রফতানি বহুমুখীকরণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করতে হবে। এসব ক্ষেত্রে ব্যর্থ হলে এলডিসি উত্তরণের পর আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখা কঠিন হতে পারে।
রোববার (১ নভেম্বর) নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের বিশ্লেষণে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, বাংলাদেশের সামনে এখন মূল প্রশ্ন এলডিসি উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন নয়, বরং উত্তরণ-পরবর্তী অর্থনৈতিক বাস্তবতা মোকাবিলার প্রস্তুতি। ২০২৪ সালে জাতিসংঘের নির্ধারিত তিনটি সূচকেই প্রয়োজনীয় মান অর্জন করেছিল বাংলাদেশ। ফলে উত্তরণের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন না থাকলেও দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোগত দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠা এবং সংস্কারের সুফল নিশ্চিত করাই এখন গুরুত্বপূর্ণ।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের বিশ্লেষণ থেকে জানা যায়, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশের উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এর আগে ২০২৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি নতুন সরকার সময় বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়। পরে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের মহাসচিবকে চিঠি দেন। জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশ সংক্রান্ত কমিটি পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সময় বাড়ানোর বিষয়ে ইতিবাচক মত দেয়। অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের সুপারিশের পর সাধারণ পরিষদ সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্তটি অনুমোদন করে।
তবে এই সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখছে না জাতিসংঘ। দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের জটিলতা এবং এর ফলে সরকারের ওপর তৈরি হওয়া অতিরিক্ত চাপ বিবেচনায় নিয়ে ব্যতিক্রমী ভিত্তিতে এই সময় বাড়ানো হয়েছে। সাধারণত প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকটের মতো পরিস্থিতিতে প্রস্তুতির সময় বাড়ানোর নজির থাকলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিবর্তনও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে সংস্কার বাস্তবায়নের প্রত্যাশাও যুক্ত রয়েছে। জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট কমিটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সংস্কারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। একই সঙ্গে এই সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে অন্য দেশের জন্য সাধারণ নজির হয়ে উঠবে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে। অর্থাৎ ২০২৯ সালের আগে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে।
ব্যাংক ও রাজস্ব খাতে দুর্বলতা বড় বাধা
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গাগুলোর একটি ব্যাংক খাত। দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুনে ব্যাংক খাতের মোট ঋণের ৩২ দশমিক ৮ শতাংশ খেলাপি ঋণে পরিণত হয়েছে। এই পরিস্থিতি ব্যাংকের আর্থিক সক্ষমতা, নতুন বিনিয়োগে ঋণপ্রবাহ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর চাপ তৈরি করতে পারে।
খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে। একই সঙ্গে ব্যাংক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, ঋণ বিতরণ ও আদায়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং আর্থিক খাতের দুর্বলতা দূর করা প্রয়োজন। এলডিসি উত্তরণের পর আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে দেশের ব্যবসা ও শিল্প খাতে অর্থায়নের সক্ষমতা বাড়ানোও গুরুত্বপূর্ণ।
রাজস্ব আদায়ের দুর্বলতাও অর্থনৈতিক সংস্কারের পথে বড় বাধা। বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের তুলনায় কর রাজস্বের অনুপাত ছিল ৬ দশমিক ৯ শতাংশ। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য এই অনুপাত ৯ দশমিক ২ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই লক্ষ্য অর্জনে করের আওতা বাড়ানো, কর প্রশাসনের সক্ষমতা উন্নত করা এবং রাজস্ব আদায়ে কাঠামোগত পরিবর্তন প্রয়োজন। রাজস্ব আয় কম থাকলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা ও অবকাঠামো খাতে প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহের সক্ষমতা সীমিত হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেও সরকারকে চাপের মুখে পড়তে হয়।
তাই শুধু রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করলেই হবে না, বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যালোচনা করতে হবে। সরকারি ব্যয়ের কার্যকারিতা বাড়ানো এবং অর্থের অপচয় কমানোর বিষয়টিও সংস্কার কার্যক্রমের অংশ হওয়া প্রয়োজন।
রফতানি বহুমুখীকরণে জোর
বাংলাদেশের রফতানি আয়ের বড় অংশ তৈরি পোশাক খাত নির্ভর। বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট রফতানির ৮০ দশমিক ৬ শতাংশ এসেছে তৈরি পোশাক খাত থেকে। রফতানি আয়ের এমন কেন্দ্রীভবন দেশের অর্থনীতিকে নির্দিষ্ট একটি শিল্পের ওপর নির্ভরশীল করে রেখেছে।
এলডিসি থেকে উত্তরণের পর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিদ্যমান কিছু বিশেষ সুবিধা পর্যায়ক্রমে হারানোর ঝুঁকি রয়েছে। ফলে রফতানি প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে নতুন পণ্য, নতুন বাজার এবং বিকল্প শিল্প খাত গড়ে তোলা প্রয়োজন। একই সঙ্গে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, ব্যবসার ব্যয় কমানো এবং পণ্যের মান উন্নয়নের দিকে নজর দিতে হবে।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের বিশ্লেষণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা, জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। যুক্তরাজ্য উত্তরণের পরও তিন বছর পর্যন্ত বিদ্যমান বাজারসুবিধা অপরিবর্তিত রাখার নিশ্চয়তা দিয়েছে বলে বিশ্লেষণে বলা হয়েছে। তবে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির উদ্যোগের সবগুলো এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।
তাই শুধু আলোচনা শুরু করাকে সাফল্য হিসেবে দেখলে চলবে না। চুক্তি সম্পন্ন করা, প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেওয়া এবং ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন বাজারের সুযোগ কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে রফতানি খাতে যেসব সুবিধা স্বল্পোন্নত দেশের মর্যাদার কারণে পাওয়া যায়, সেগুলো পর্যায়ক্রমে বন্ধ করার পরিকল্পনাও আগে থেকে তৈরি করা প্রয়োজন।

জ্বালানি ও সামাজিক সুরক্ষায় প্রয়োজন সংস্কার
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও শিল্প উৎপাদন বাড়াতে নির্ভরযোগ্য এবং সাশ্রয়ী জ্বালানি সরবরাহ অপরিহার্য। কিন্তু জ্বালানি খাতের দুর্বলতা উৎপাদন ব্যয় বাড়াতে এবং শিল্পের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা কমাতে পারে। বিশ্লেষণে ২০২৬ সালের ১০ আগস্ট সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি বিদ্যুৎ সরবরাহের সক্ষমতা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি সামনে এনেছে।
জ্বালানি খাতে সংস্কারের অংশ হিসেবে সরবরাহব্যবস্থার নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো, মূল্য নির্ধারণে কার্যকর নীতি গ্রহণ এবং ভর্তুকি ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে এসব পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ ও শিল্প খাতের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনায় নিতে হবে।
সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির কার্যকারিতা বাড়ানোও উত্তরণ প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সরকারি সহায়তা প্রকৃত উপকারভোগীর কাছে পৌঁছানো, যোগ্য মানুষকে বাদ পড়া থেকে রক্ষা করা এবং বরাদ্দের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অর্থনৈতিক সংস্কারের চাপ যেন নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও কঠিন না করে, সেই বিষয়েও নজর দিতে হবে।
বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যবসার ব্যয় কমানোর পাশাপাশি পরিবহন ও পণ্য সরবরাহব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি। বিশ্লেষণে বিশ্বব্যাংকের সরবরাহব্যবস্থা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৯টি দেশের মধ্যে ৮৮তম বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পণ্য পরিবহন, বন্দর ব্যবস্থাপনা ও সরবরাহব্যবস্থার দক্ষতা বাড়ানো গেলে ব্যবসার সময় ও ব্যয় কমানো সম্ভব হবে। এতে দেশীয় ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের সুযোগও বাড়বে।
প্রতিশ্রুতির চেয়ে বাস্তবায়নে গুরুত্ব
এলডিসি উত্তরণকে সামনে রেখে বাংলাদেশের প্রস্তুতি পরিকল্পনা ও সংস্কারের প্রতিশ্রুতি থাকলেও বাস্তবায়নে ঘাটতি রয়েছে বলে বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশের চূড়ান্ত মসৃণ উত্তরণ কৌশল ২০২৫ সালে প্রকাশিত হয়, যদিও ২০২১ সালে উত্তরণের সুপারিশ পাওয়ার পর থেকেই প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ ছিল।
এ অবস্থায় ২০২৬ থেকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত সময়কে তিনটি সমান্তরাল অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কাজে লাগানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা। দ্বিতীয়ত, ব্যাংক খাত, রাজস্ব ও মূল্যস্ফীতিসহ সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা। তৃতীয়ত, বেসরকারি বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানো।
বিশ্লেষণে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের তুলনায় বেসরকারি বিনিয়োগের অনুপাত ২১ দশমিক ৫ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এ অনুপাত ২১ দশমিক ৩ শতাংশে রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি উৎপাদনশীলতা উন্নত করা এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নেতৃত্বে সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাবও এসেছে। বর্তমানে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ এলডিসি উত্তরণ সংক্রান্ত প্রস্তুতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও বিষয়টির পরিধি বিবেচনায় সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে নেতৃত্ব ও সমন্বয় প্রয়োজন বলে বিশ্লেষণে মত দেওয়া হয়েছে।
এজন্য জাতীয় সংসদে উত্তরণ প্রস্তুতি ও সংশ্লিষ্ট সংস্কার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা, মন্ত্রণালয়গুলোর দায়িত্ব নির্ধারণ এবং প্রতিবছর অগ্রগতি পর্যালোচনার সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি কোন খাতে কী লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, কতটুকু অগ্রগতি হয়েছে এবং কোথায় ঘাটতি রয়েছে, তা জনসাধারণের সামনে তুলে ধরতে নিয়মিত হালনাগাদ তথ্যভান্ডার তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অর্থ মন্ত্রণালয়কে প্রতিবছর উত্তরণ প্রস্তুতির অগ্রগতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে প্রতিবেদন দিতে হবে। জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীরও নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে সহায়তা করার কথা রয়েছে। ফলে সংস্কার পরিকল্পনা তৈরি করে রেখে দেওয়ার সুযোগ নেই। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাস্তব অগ্রগতি দেখাতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. নাজনীন আহমেদ, সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান এবং গবেষণা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খানসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য গবেষক ও কর্মকর্তারা।
এএইচ/এফএ




