সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ঢাকা

বাধ্যতামূলক এফওপিএল বাস্তবায়নে মাসব্যাপী প্রচার কর্মসূচি তরুণদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৫ পিএম

শেয়ার করুন:

বাধ্যতামূলক এফওপিএল বাস্তবায়নে মাসব্যাপী প্রচার কর্মসূচি তরুণদের
ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেক্টর আয়োজিত ‘আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা থেকে জনদাবি: বাংলাদেশে নীতিগত উদ্যোগের জন্য তরুণদের ভূমিকা’ শীর্ষক কর্মশালা

প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও ক্ষতিকর চর্বির পরিমাণ সম্পর্কে ভোক্তাদের সহজে বোঝার উপযোগী তথ্য নিশ্চিত করতে বাধ্যতামূলক ফ্রন্ট অব প্যাক লেবেলিং (এফওপিএল) বাস্তবায়নের দাবিতে এক মাসব্যাপী প্রচার অভিযানে নামছেন তরুণেরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ প্রচারাভিযানের মাধ্যমে কার্যকর ও প্রমাণভিত্তিক নীতিমালা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের পক্ষে জনমত গড়ে তোলা হবে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেক্টর আয়োজিত ‘আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা থেকে জনদাবি: বাংলাদেশে নীতিগত উদ্যোগের জন্য তরুণদের ভূমিকা’ শীর্ষক কর্মশালায় এ বিষয়ে জানানো হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য (আইন ও নীতি) ও যুগ্ম সচিব মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের জ্যেষ্ঠ নীতি ও প্রচার বিষয়ক পরামর্শক মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস এবং ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিসের কারিগরি উপদেষ্টা আমিনুল ইসলাম সুজন। স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রকল্প সমন্বয়কারী মাহবুবা রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকার ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। প্যাকেটজাত খাবারের পুষ্টিতথ্য সহজ ভাষায় প্যাকেটের সামনের অংশে সতর্কতাসহ তুলে ধরার দাবির প্রতি সমর্থন জানাই।

কর্মশালায় আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও বাংলাদেশের নীতিগত প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস বলেন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে কার্যকর এফওপিএল নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের পক্ষে সম্মিলিত জনসমর্থন গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ।

আমিনুল ইসলাম সুজন তরুণদের নেতৃত্বে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারাভিযান পরিচালনার কৌশল ও গুরুত্ব তুলে ধরেন। তার আলোচনায় তরুণদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নীতিগত পরিবর্তনের পক্ষে জনদাবি তৈরির বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

আয়োজকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এক মাস ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্যভিত্তিক পোস্ট, সংক্ষিপ্ত ভিডিও, কুইজ ও তরুণদের বক্তব্য প্রকাশ করা হবে। এর মাধ্যমে প্যাকেটজাত খাবারের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে ভোক্তাদের সচেতন করার পাশাপাশি কার্যকর, বাধ্যতামূলক ও প্রমাণভিত্তিক এফওপিএল প্রবিধান দ্রুত চূড়ান্ত ও বাস্তবায়নের দাবি জানানো হবে।

কর্মশালায় অংশ নেওয়া তরুণেরা তাদের মতামত ও সম্ভাব্য প্রচার কার্যক্রম তুলে ধরেন। অধিবেশনটি পরিচালনা করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের এফওপিএল প্রকল্পের সমন্বয়কারী মাহবুবা রহমান। সমাপনী পর্বে প্রচার ও প্রচারাভিযান বিষয়ক কর্মসূচি কর্মকর্তা মারজানা মুনতাহা পরবর্তী পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরেন।

আয়োজকরা জানান, তরুণদের সম্মিলিত উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কার্যকর এফওপিএল বাস্তবায়নের পক্ষে জনদাবি জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এএইচ/এফএ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর