রোববার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ের খাবার খেয়ে হাসপাতালে ৯ শিক্ষার্থী

জেলা প্রতিনিধি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৫ পিএম

শেয়ার করুন:

চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ের খাবার খেয়ে হাসপাতালে ৯ শিক্ষার্থী
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থী

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার পুলিশ লাইনস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার খেয়ে অন্তত ৯ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাদের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টার মধ্যে তাদের অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম এবং হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক জমির মো. হাসিবুস সাত্তার।

​বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিদিনের নিয়ম অনুযায়ী রোববারও শিক্ষার্থীদের স্কুল ফিডিং প্রকল্পের আওতায় টিফিন হিসেবে ডিম ও বন রুটি দেওয়া হয়েছিল। তবে খাবার গ্রহণের কিছুক্ষণের মধ্যেই একাধিক শিক্ষার্থী পেটব্যথাসহ নানা শারীরিক অস্বস্তি অনুভব করতে শুরু করে। অবস্থা গুরুতর দেখে দ্রুত তাদের উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।’

​হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক জমির মো. হাসিবুস সাত্তার জানান, হাসপাতালে আনা শিক্ষার্থীদের জরুরি চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘তাদের মধ্যে খাদ্যে বিষক্রিয়ার (ফুড পয়জনিং) স্পষ্ট লক্ষণ এবং পেটব্যথা দেখা গেছে। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, পরিবেশন করা খাবার থেকেই তারা অসুস্থ হয়েছে। তবে বর্তমানে সব শিশুই আশঙ্কামুক্ত রয়েছে এবং তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।’

​সরকার সরবরাহ করা খাবারের গুণগত মান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এক শিক্ষার্থীর বাবা জহুরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘কোমলমতি শিশুদের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু মাননিয়ন্ত্রণ ঠিকমতো না হলে এমন ঘটনা বারবার ঘটবে। নিম্নমানের খাবারের কারণে শিশুরা অসুস্থ হলে সরকারি এ মহতী উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্যই ব্যাহত হবে।’

​উল্লেখ্য, চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুল ফিডিং প্রকল্পের খাবার সরবরাহের দায়িত্বে রয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক)’।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সংস্থার জেলা সমন্বয়কারী কবির হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এর আগেও আরও চারটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গাকের সরবরাহ করা খাবার খেয়ে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটেছিল।

প্রতিনিধি/এএম

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর