ভোলার লালমোহনে আন্তঃজেলা গরুচোর ও ডাকাত চক্রের ১১ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। তখন উদ্ধার করা হয়েছে পাঁচটি চোরাই গরু।
শনিবার (৮ মার্চ) দুপুরে পুলিশ তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করেন।
বিজ্ঞাপন
সকালে লালমোহন থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (লালমোহন সার্কেল) মো. বাবুল আক্তার।
আটকরা হলেন - মো. নুরু গাজী (৪৫), জুয়েল মৃধা (৩০), মাঈনুদ্দিন প্যাদা (৩০), আবুল হাশেম (৪০), আবু তাহের (৪৭), নিজাম (৪২), মাজাহারুল হাওলাদার (৩৪), ইসমাত হোসেন (১৯), রেজাউল সরদার (৪৫), জাকির হাওলাদার (৫২), তোফাজ্জল ফরাজী (৫৫)।
এরা সবাই পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার মাঝের চরের বাসিন্দা। তারা দীর্ঘ দিন ধরে গরু চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে জানা যায়।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার জানান, গত ২ মার্চ দিবাগত রাতে লালমোহন উপজেলার চর কচুয়াখালী থেকে মো. জাকির মাঝি ও তার এক আত্মীয়ের গরুর খোয়ার থেকে ১৬টি গরু চুরি করে নিয়ে যায় ডাকাত দল। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৯ লাখ ২৫ হাজার টাকা। পরের দিন জাকির মাঝি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে লালমোহন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
বিজ্ঞাপন
পরে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ একটি চৌকস পুলিশ দল বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার মাঝেরচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামিদেরকে আটক করেন।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সবাই আন্তঃজেলা চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করেছেন।
প্রতিনিধি/ এমইউ