Dhaka Mail Logo

ইসলাম

হজের কোটা ২০ হাজার বাড়ানোর দাবি হাবের

ধর্ম ডেস্ক

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৮ পিএম

২০২৭ সালের হজে বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা পূর্ণ হওয়ায় সৌদি সরকারের কাছে আরও অন্তত ২০ হাজার হজ কোটা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনের একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার এ দাবি জানান। এ সময় সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার উপস্থিত ছিলেন।

হাব মহাসচিব বলেন, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ১৫ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশের জন্য ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনের হজ কোটা থাকলেও গত কয়েক বছরে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে হজযাত্রীর সংখ্যা কমে যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৭ সালের জন্য বাংলাদেশের কোটা কমিয়ে ৭৮ হাজার ৫০০ জন নির্ধারণ করে সৌদি সরকার।

আরও পড়ুন: হজের নিবন্ধন শুরু, করবেন যেভাবে

তিনি বলেন, এবার নিবন্ধনের নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা পূর্ণ হয়ে গেছে। এরপরও ২০ হাজারের বেশি হজে গমনেচ্ছু অপেক্ষমাণ রয়েছেন। তাঁদের অনেকেই হজ পালনের জন্য মানসিক ও আর্থিকভাবে প্রস্তুতি নিয়েছেন। কোনো কোনো পরিবারের কিছু সদস্য নিবন্ধিত হলেও অন্যরা কোটা পূর্ণ হওয়ায় অপেক্ষমাণ রয়েছেন।

ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, এসব হজে গমনেচ্ছুর বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সৌদি সরকারের কাছ থেকে অন্তত আরও ২০ হাজার কোটা বরাদ্দ নেওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশের মূল হজ কোটা ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হওয়ায় বাড়তি কোটার জন্য বাংলাদেশ যৌক্তিকভাবে দাবিদার বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

হাবের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত কোটা বরাদ্দের ব্যবস্থা নিতে ইতোমধ্যে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে সৌদি হজ মন্ত্রণালয়ের কাছে অতিরিক্ত কোটা চেয়ে প্রস্তাব পাঠানো হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: ৪০ হাজার কোটা খালি রেখেই শেষ হলো হজ নিবন্ধন

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত কোটার বাইরে ১০ হাজারের বেশি হজযাত্রী ইতোমধ্যে হজ পালনে আগ্রহ দেখিয়েছেন। পাশাপাশি প্রায় ১৩ হাজার আনপেইড ভাউচার রয়েছে। এসব ভাউচারের অর্থ পরিশোধ শেষ হলে কোটার অতিরিক্ত হজযাত্রীর সংখ্যা আরও স্পষ্ট হবে। তবে সৌদি আরবের অনুমোদন ছাড়া নির্ধারিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত হজযাত্রীর নিবন্ধন করা হবে না।

নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ হওয়ায় এখন বাংলাদেশের চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যা সৌদি আরবকে জানানো হবে। এরপর সৌদি পর্বের অর্থ প্রেরণ, আবাসন ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ফিটনেস সনদ, টিকা প্রদান ও প্রশিক্ষণসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, নভেম্বরে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে হজ চুক্তি হওয়ার কথা রয়েছে। ওই চুক্তি নিয়ে আলোচনায় বাংলাদেশের হজ কোটা বাড়ানোর বিষয়টিও উঠতে পারে।