ধর্ম ডেস্ক
২৭ মে ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম
মুজদালিফা থেকে এসে হাজিরা বুধবার ভোরে মিনার জামারাতুল আকাবায় ‘শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ’ (রামি) রীতি পালন শুরু করেন। ঈদুল আজহার প্রথম দিনে এই ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালিত হয়। এ সময় হাজিদের ইবাদত পালনে সহায়তার জন্য সৌদি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও ব্যবস্থাপনার সমন্বিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
জামারাত কমপ্লেক্সে এ সময় সুশৃঙ্খলভাবে জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ করা হয়। সরাসরি মাঠ পর্যায়ের পর্যবেক্ষণ ও পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পায়ে চলাচলকারীদের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ এবং পবিত্র স্থানসমূহে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা হয়।
আরও পড়ুন: আরাফাতে লাখো কণ্ঠে লাব্বাইক, হাজিদের অশ্রুতে ভিজল পুণ্যভূমি
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসা দল মোতায়েন করা হয়। পাশাপাশি হাজিদের দিকনির্দেশনা ও সচেতনতামূলক সেবা প্রদান এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়, যাতে নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ বজায় থাকে।
এছাড়া হাজিদের চলাচল সহজ করতে শাটল বাস ও ‘আল মাশায়ের আল মুগাদ্দাসাহ মেট্রো’ নিয়মিতভাবে পবিত্র স্থানগুলোর মধ্যে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পরিবহন সেবা অব্যাহত রাখে। এতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও যাতায়াত সময় কমাতে সহায়তা মিলছে।
আরও পড়ুন: আরাফাতের পর মুজদালিফায় হাজিদের পবিত্র এক রাত
জামারাতুল আকাবায় পাথর নিক্ষেপ হজের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। মুজদালিফায় রাতযাপনের পর হাজিরা ঈদের দিন ‘ইয়াওমুন নাহর’-এর অন্যান্য রীতি কোরবানি, মাথা মুণ্ডন বা চুল ছোট করা এবং তাওয়াফুল ইফাদা পালনের দিকে অগ্রসর হন।
সূত্র: আল আওসাত