নিজস্ব প্রতিবেদক
০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২২ পিএম
দেশে মাদক নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত সরকারি সংস্থাগুলোর প্রয়োজনীয় জনবল, সরঞ্জাম ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিশ্চিতকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন।
শুক্রবার (৬ অক্টোবর) ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ: চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইশরাক হোসেন বলেন, ‘মাদক একটি সমাজ ও জাতিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। তাই তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে শুধু আলোচনা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম নয়, বরং কার্যকর ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিতে হবে।’
মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের পুনর্বাসনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘শুধু আইন প্রয়োগের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। বিশেষ করে ছিন্নমূল ও অসহায় মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।’
পারিবারিক সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘সন্তানদের চলাফেরা, বন্ধুত্ব ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন থাকতে হবে। পরিবার থেকেই মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’
আরও পড়ুন:
থাইল্যান্ড হয়ে ঢাকায় ‘কুশ’, নতুন করে নজরে মাদক কারবারিরা
ঘরে বসেই অর্ডার, দরজায় পৌঁছে যাচ্ছে মাদক
‘র্যালি করে মাদক নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না, আগে সরবরাহ বন্ধ করতে হবে’
‘মাদক নিয়ন্ত্রণে নেপথ্যের প্রভাবশালী চক্রকে আইনের আওতায় আনতে হবে’
সবার সহযোগিতা ছাড়া পুলিশের পক্ষে মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়: ডা. জাহিদ
এ সময় মাদক নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক ও সামাজিক এবং ধর্মীয় নেতৃবৃন্দকে নিয়ে দেশব্যাপী সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘দেশের জনমিতিক সুবিধা কাজে লাগাতে হলে তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে হবে।’
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রিসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। এতে ড. এম এ মোহিত কামাল, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হাসান ফারুক, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তাজুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য দেন। এতে ইডেন মহিলা কলেজ ডিবেটিং ক্লাব ও স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরাও অংশগ্রহণ করেন।
এএম