নিজস্ব প্রতিবেদক
০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম
ফেসবুক খুললেই চোখে পড়ে নানা সংবাদ ও বক্তব্যের ফটোকার্ড। এর মধ্যে যেমন রয়েছে সঠিক পেজ, পাশাপাশি আছে ভুয়া পেজও। দেশের পরিচিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম ও ছবি ব্যবহার করে তৈরি করা ভুয়া পেজ থেকে ছড়ানো হচ্ছে নানা মনগড়া তথ্য।
বাদ যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যরাও। তাদের ছবি ও নাম ব্যবহার করে বানানো হয়েছে অনেক ভুয়া আইডি ও পেজ। এসব আইডি থেকে ছড়ানো হচ্ছে সম্পূর্ণ কাল্পনিক বক্তব্যের ফটোকার্ড।
শুধু ব্যক্তি নয়, প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যমও এমন নকলের শিকার হচ্ছে। প্রথম আলো, কালের কণ্ঠ, আমার দেশ, কালবেলা, নয়া দিগন্ত, যমুনা টিভিসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের নাম, লোগো, ফন্ট ও ডিজাইন হুবহু নকল করে বানানো হয়েছে অনেক পেজ। এসব পেজ ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে নানা ভুয়া ফটোকার্ড। দেখতে আসলের মতো হওয়ায় যাচাই-বাছাই ছাড়াই অনেক সাধারণ মানুষ শেয়ার করছেন এসব কার্ড।
এমনকি সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনের অনেক পরিচিত মুখও এগুলো বিশ্বাস করে শেয়ার করছেন তাদের আইডিতে। ফলে একটি শেয়ার থেকেই মুহূর্তের মধ্যে হাজারো মানুষের কাছে ছড়িয়ে যাচ্ছে বিভ্রান্তিকর তথ্য, যা অনেকটা উদ্বেগ তৈরি করেছে।
প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে অনেক ভুয়া আইডি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমান, বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানসহ পরিচিত অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে অনেক পেজ ও অ্যাকাউন্ট দেখা যায়। এসব আইডির নাম, প্রোফাইল ছবি, কভার ছবি ও পোস্টের ধরন এমনভাবে সাজানো, যাতে সাধারণ ব্যবহারকারীর কাছে এগুলো সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা তার পরিবারের অনুমোদিত পেজ বলে মনে হতে পারে।
কখনো পরিচিত কোনো ব্যক্তির পুরনো ছবি ব্যবহার করে তার সঙ্গে সম্পূর্ণ কাল্পনিক বক্তব্য জুড়ে দেওয়া হচ্ছে। আবার কোনো ব্যক্তির একটি বক্তব্যের অংশবিশেষ নিয়ে তার সঙ্গে নতুন কথা যুক্ত করে তৈরি করা হচ্ছে ভুয়া কার্ড। ফলে শুধু বক্তব্যের সত্যতা নিয়েই নয়, সেটি ওই ব্যক্তিরই কি না, তা নিয়ে তৈরি হচ্ছে বিভ্রান্তি।
তারেক রহমানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের ঘিরে এমন একাধিক ভুয়া ফটোকার্ড ছড়ানোর ঘটনা এরই মধ্যে ফ্যাক্টচেকিং সংস্থাগুলো শনাক্ত করেছে।
গত সেপ্টেম্বরে সংসদে দেওয়া তথ্যে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর নাম ও ছবি ব্যবহার করে ১৩৭টি ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, পেজ ও গ্রুপ শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের ফ্যাক্টচেকিং ইউনিট বাংলাফ্যাক্ট। একই সময়ে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো আরও শতাধিক ফেসবুক ও এক্স অ্যাকাউন্ট এবং গণমাধ্যমের আদলে তৈরি ১৬টি ওয়েবসাইট শনাক্তের তথ্যও জানানো হয়।
তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান ডিসমিসল্যাবের এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে নামিদামি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন পেজ খুলে সেখান থেকে এসব ভুয়া কার্ড ছড়ানো হচ্ছে। মানুষকে প্রভাবিত করতে মূলধারার সংবাদমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতাকেই কেউ কেউ কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অনেক গ্রাফিক্স কার্ডে পরিচিত সংবাদমাধ্যমগুলোর লোগো, ফন্ট, রং ও নকশা হুবহু নকল করা হয়েছে, যাতে বানোয়াট তথ্যও সাধারণ মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়।
বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে সামাজিক মাধ্যমে ভুয়া ফটোকার্ড ছড়ানোর হার বাড়তে থাকে, যা বাংলাদেশের গত সংসদ নির্বাচনের আগে আরও বেড়ে যায়। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজনৈতিক অপতথ্য ছড়ানোর প্রধান মাধ্যম হয়ে ওঠে সংবাদমাধ্যমের আদলে বানানো ভুয়া ফটোকার্ড।
ডিসমিসল্যাবের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, গত বছরের ১১ ডিসেম্বর থেকে এ বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রচারিত মোট রাজনৈতিক অপতথ্যের প্রায় অর্ধেকই ছড়িয়েছে এসব ভুয়া ফটোকার্ডে। রাজনৈতিক কোনো ঘটনা নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি এবং উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে ভুয়া ভাষ্য ছড়াতে এগুলো প্রায়ই ব্যবহার করা হচ্ছে।
ডিসমিসল্যাবের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশের বিভিন্ন ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানের যাচাইয়ে ৬৯০টি আলাদা ভুয়া ফটোকার্ড শনাক্ত হয়েছে। যার অনেকগুলোই সংবাদমাধ্যম আমার দেশ, কালের কণ্ঠ, নয়া দিগন্ত ও যমুনা টেলিভিশনের মতো প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের আদলে তৈরি। এসব কার্ডের প্রায় অর্ধেকই রাজনৈতিক অপতথ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। রাজনৈতিক পক্ষগুলো প্রতিপক্ষকে হেয় করতে এবং নিজেদের জনপ্রিয়তা নিয়ে অতিরঞ্জিত বা মিথ্যা দাবি প্রচার করতে এসব ফটোকার্ড ব্যবহার করে।
চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া ২৭৫টি ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে বাংলাদেশের ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে ২৪০টি প্রতিবেদনের মাধ্যমে এসব ভুল তথ্যের ফ্যাক্টচেক প্রকাশ করা হয়েছে।
ফ্যাক্টচেকাররা বলছেন, এসব কার্ডের একটি বড় কৌশল হলো- পাঠকের আস্থা অর্জনের জন্য পরিচিত গণমাধ্যমের পরিচয় ধার করা। লোগো ও পরিচিত ডিজাইন দেখেই অনেক ব্যবহারকারী কার্ডটিকে সত্যিকারের সংবাদ হিসেবে ধরে নেন।
যাচাই ছাড়া শেয়ার করায় ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি
অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারী যাচাই না করে এসব তথ্য শেয়ার করছেন সামাজিক মাধ্যমে। এমনটি অনেক সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনের পরিচিত ব্যক্তিরাও যাচাই না করে এসব কার্ড শেয়ার করছেন তাদের আইডি বা পেইজে। কোনো একটি পেইজ বা ব্যক্তির পোস্ট থেকে একটি কার্ড ছড়িয়ে পড়ার পর সেটি একাধিক পরিচিত ব্যক্তি শেয়ার করলে সাধারণ ব্যবহারকারীর কাছে সেটি আরও বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হয়।
ফলে একটি ভুয়া তথ্যের বিস্তার ঘটতে সময় লাগছে মাত্র কয়েক মিনিট। পরে সেটি বিভিন্ন পেইজ, গ্রুপ, ব্যক্তিগত আইডি ও মেসেঞ্জার গ্রুপে ছড়িয়ে পড়ে। এতে বিভ্রান্ত তৈরি হচ্ছে।
কীভাবে বুঝবেন ভুয়া কার্ড
কোনো ফটোকার্ড দেখেই শেয়ার না করে কয়েকটি বিষয় যাচাই করা জরুরি। প্রথমত, কার্ডটি কোন পেইজ বা অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশ করা হয়েছে, সেটি দেখতে হবে। দ্বিতীয়ত, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ও ভেরিফায়েড পেইজে একই তথ্য আছে কি না, তা মিলিয়ে দেখতে হবে।
কোনো সংবাদমাধ্যমের নামে কার্ড হলে ওই সংবাদমাধ্যমের ওয়েবসাইট ও অফিসিয়াল সামাজিক মাধ্যমের পেইজে গিয়ে খবরটি খুঁজে দেখা উচিত। একই বক্তব্য বা সংবাদ অন্য নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করা যেতে পারে।
কার্ডে ব্যবহৃত ভাষা, বানান, ফন্ট, লোগোর অবস্থান, তারিখ এবং শিরোনামের ধরনেও অস্বাভাবিকতা থাকতে পারে। তবে শুধু এসব দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে মূল উৎস খুঁজে বের করাই সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি।
করণীয় কী
বিশেষজ্ঞদের মতে, সামাজিক মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নাম ও ছবি ব্যবহার করা হলেই সেটি যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত পেজ- এমনটি ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই। কোনো বক্তব্য বা সংবাদ শেয়ার করার আগে মূল ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠানের ভেরিফায়েড/অফিশিয়াল পেজ এবং সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য মিলিয়ে দেখা জরুরি।
বিশেষ করে রাজনৈতিক ব্যক্তি ও গণমাধ্যমের নামে তৈরি করা ভুয়া কার্ডের ক্ষেত্রে সতর্কতা আরও জরুরি। কারণ এসব কার্ডের মাধ্যমে শুধু একজন ব্যক্তির নামে মিথ্যা বক্তব্য ছড়ানো নয়, একইসঙ্গে কোনো সংবাদমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।
আরও পড়ুন: গুজব ও অপপ্রচার রোধে ইসলামি নির্দেশনা
ডিজিটাল অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ডিসেন্ট’-এর সম্পাদক ও ফ্যাক্ট-চেকার কদরুদ্দিন শিশির ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘সংবাদমাধ্যমের লোগো জালিয়াতি ও অপতথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বর্তমানে অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। যা নিয়ন্ত্রণে সরকারের দায়িত্বই সবচেয়ে বেশি। সরকার, সংবাদমাধ্যম ও রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বিত ও সৎ সদিচ্ছা থাকলে এটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হলেও বাস্তবে প্রয়োজনীয় সদিচ্ছার অভাবে এই সংকট সহজে নিরসন হওয়ার সম্ভাবনা কম।’
তিনি মনে করেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুক্তচিন্তা, বাকস্বাধীনতা ও বিনোদনমূলক মিম বা কনটেন্ট তৈরির অধিকার থাকলেও সেখানে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও সীমারেখার বাধ্যবাধকতা থাকা প্রয়োজন। মূলধারার কোনো সংবাদমাধ্যমের পরিচিতি ও ফটোকার্ড ব্যবহার করে ব্যক্তির নামে অসত্য বক্তব্য ছড়ানো সম্পূর্ণ অন্যায্য। এ ধরনের কনটেন্ট প্রকাশের ক্ষেত্রে স্পষ্ট ডিসক্লেমার বা সতর্কবার্তা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা উচিত।’
কদরুদ্দিন শিশির বলেন, ‘সংগঠিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পেইজ বা অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সমাজে ক্ষতিকর অপতথ্য ছড়ানো রোধে প্রথমে সতর্ক করা এবং পরবর্তীতে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। তবে বাংলাদেশে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে বড় সমস্যা হলো নিরপেক্ষতার অভাব এবং আইনের রাজনৈতিক অপব্যবহার। সরকারপন্থী ও বিরোধী পক্ষের ক্ষেত্রে দ্বিমুখী নীতি না রেখে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক পক্ষপাতহীন ও ন্যায়সঙ্গত উপায়ে আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।’
এ ধরণের অপপ্রচারের শিকার সবেচেয়ে বেশি কারা হচ্ছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল অপপ্রচারের প্রধান শিকার রাজনৈতিক অঙ্গনের লোকজন। সরকারপক্ষ, বিরোধী দল এবং প্রভাব বিস্তারকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠী একে অপরের বিরুদ্ধে অপতথ্য ছড়াচ্ছে। একইসঙ্গে প্রতিটি পক্ষই পাল্টা অপপ্রচারের ভিকটিম বা শিকার হচ্ছে।’
অপরাধের শাস্তি কী?
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. শাহ আলম ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘অপরাধ প্রমাণিত হলে বিভিন্ন মেয়াদে যেমন- পাঁচ, সাত, এমনকি ১০ বছরের সাজাও হতে পারে। একাধিক অপরাধ থাকলে একাধিক মেয়াদের শাস্তি। সেকশন ভিন্ন ভিন্ন। তিন বছর, সাত বছর, ১০ বছর বিভিন্ন মেয়াদের। অপরাধের ওপর ডিপেন্ড করেই সাজাগুলো হয়ে থাকে।’
সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচারের ঘটনায় মামলার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘দুইভাবে মামলা করা যায়। এক হচ্ছে- সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা করা যেতে পারে। আদালতে একটা আলাদা সাইবার ট্রাইব্যুনাল আছে। এই ট্রাইব্যুনাল আবার সব জায়গায় পাওয়া যাবে না, বিভাগীয় সদর দফতরে আছে। অন্যটি হলো- থানায় গিয়ে একটা জিডি করে রাখা বা অভিযোগ দেওয়া।’
আইনজীবী শাহ আলম বলেন, ‘জিডি করে রাখা বা অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাইবার ট্রাইব্যুনাল বা সাইবার সিকিউরিটি টিম সিআইডিতে অনলাইনে অভিযোগ করা যায়। এরপর তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেবেন সংশ্লিষ্টরা। যদি সত্যতা পায়, তবে অভিযুক্ত অ্যারেস্ট হবেন। তখন সেকশন অনুযায়ী সাজা হবে।’
তিনি বলেন, ‘৪২০ ধারায়ও মামলা হতে পারে। সাইবার ট্রাইব্যুনালে সাইবার আইন অনুযায়ী বিভিন্ন আলাদা সেকশন আছে, সেটির ধারা অনুযায়ী অপরাধীদের পানিশমেন্ট হয়।
ফেসবুকে অন্যের নামে ভুয়া আইডি খুললে কী সাজা হতে পারে- এমন প্রশ্নে শাহ আলম বলেন, ‘পেনাল্টি, অর্থদণ্ড এবং সাজা হয়। সেকশন একেকটা, কী অপরাধ করছে ওইটার ওপর ভিত্তি করে, ওই সেকশন অনুযায়ী সাজা হয়।’
এএইচ/এমআর