একে সালমান
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৭ পিএম
রাজধানীজুড়ে টানা তিন দিনে একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে অগ্নিসংযোগ এবং ট্রেনে আগুন দেওয়ার ঘটনায় জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) থেকে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত ৭২ ঘণ্টায় রাজধানীর মালিবাগ, মহাখালী, আগারগাঁও, যাত্রাবাড়ী, বাবুবাজার, মগবাজার, রামপুরা, মিরপুর, বাড্ডা, কমলাপুরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে ৩১টি ককটেল বিস্ফোরণ, সাতটি বাসে অগ্নিসংযোগ এবং কমলাপুর রেলস্টেশনে একটি বগিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনার নেপথ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জড়িত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ধারাবাহিক ককটেল বিস্ফোরণ, রেল ও বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনাগুলো শুধু বিচ্ছিন্ন নাশকতা নয়, বরং রাজধানীর ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আগাম গোয়েন্দা তথ্য, মাঠপর্যায়ের নজরদারি, সিসিটিভি বিশ্লেষণ এবং দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা কতটা কার্যকর রয়েছে, সেই প্রশ্ন সামনে আসছে। তবে ঘটনাগুলোর মধ্যে সাংগঠনিক যোগসূত্র আছে কি না, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা যেন দেশের কোথাও কোনো তৎপরতা চালাতে না পারে, সেজন্য টহল ও নজরদারি বাড়ানোসহ নতুন করে মাঠপর্যায়ে বেশ কিছু নির্দেশনা জারি করেছে পুলিশ বাহিনী।
এরপরও যদি কোনো এলাকায় আওয়ামী লীগের কার্যক্রম লক্ষ্য করা যায়, সেটার দায়ভার ওই এলাকার দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তাদেরই নিতে হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে অগ্নিসংযোগ
শুক্রবারের ঘটনার পর শনি ও রোববারও পরিস্থিতি ছিল একই রকম। মিরপুরে দুটি বাস, বাড্ডায় একটি বাস এবং দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে একটি গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। রাতে মাতুয়াইলে একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেওয়া হয়। এসব ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে হাইকোর্টের প্রধান ফটকের বাইরের গেটে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাতে একই ফটকে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম। তিনি জানান, দুপুর ১টার কিছু পর হাইকোর্টের প্রধান ফটকের সামনের সড়কে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
একই দিনে মিরপুরের সিরামিক রোডের সরকারি কলেজের পাশে পরিস্থান পরিবহনের একটি বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন মিরপুর জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মোস্তাক সরকার। তিনি বলেন, সকালে বৃষ্টির মধ্যে সিরামিক রোডের সরকারি কলেজের পাশে পরিস্থান পরিবহনের একটি বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সকাল সোয়া ৭টা থেকে সাড়ে ৭টার মধ্যে পার্কিং করে রাখা বাসটিতে আগুন দেওয়া হয়। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পরিস্থান পরিবহনের মালিক খান মো. মহিতুল ইসলাম জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তার সাবেক চালক ফোন করে তাকে জানান, পরিস্থান পরিবহনের বাসটিতে (ঢাকা মেট্রো ব-১১-৮৭০৩) আগুনের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি বাসটি পুড়ে যেতে দেখেন। পাশের একটি চায়ের দোকানদার ধোঁয়া উড়তে দেখেছিলেন। এ ঘটনায় মামলা করেছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো মামলা করেননি।
এ ছাড়া তিন নেতার মাজার, হাইকোর্ট ও কয়েক দফায় যাত্রাবাড়ী থানার গেটের সামনে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে এক রিকশাচালক গুরুতর আহত হন।
কমলাপুরে ককটেলের পর ট্রেনে আগুন
এদিকে ঘটনার সবচেয়ে উদ্বেগজনক অধ্যায় ঘটে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে। শনিবার রাতে ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এরপর রোববার রাতে একই প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা হাওর এক্সপ্রেসের একটি কোচে আগুন লাগে। রাত সাড়ে ৯টার দিকে আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ট্রেনে আগুনের ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো কারণ নিশ্চিত করা যায়নি। তবে ঘটনাটি নাশকতা কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশ রেলওয়ে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে অগ্নিসংযোগের এসব ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ ও জনসমাগমপূর্ণ স্থাপনার আশপাশে ঘটছে। যাত্রাবাড়ী থানা, কমলাপুর রেলস্টেশন, সচিবালয়সংলগ্ন এলাকা, মৎস্য ভবন ও শিল্পকলা একাডেমির সামনেও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। রোববার মৎস্য ভবন ও হাইকোর্টসংলগ্ন এলাকাতেও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষ টহল
টানা বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের পর রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট, ফ্লাইওভার, প্রবেশপথ ও বিভিন্ন এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। যানবাহনে তল্লাশি ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। যাত্রাবাড়ীর ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আওয়ামী লীগের এক নেতাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা ওয়ারী বিভাগ। এ সময় অবিস্ফোরিত চারটি ককটেল উদ্ধার করা হয়।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিবি ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন বংশাল থানার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. রায়হান উদ্দিন, রাসেল খান, আলাউদ্দিন ও আব্দুল্লাহ।
সংবাদ সম্মেলনে ডিসি মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন জানান, গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় যাত্রাবাড়ী থানার সামনে সড়কে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে এক পথচারী গুরুতর আহত হন। ঘটনার পর যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের পাশাপাশি ডিবি ওয়ারী বিভাগ ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হয়। এরপর গত ১৯ সেপ্টেম্বর বংশাল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে রায়হান উদ্দিন নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেফতার করে ডিবির একটি দল।
তিনি জানান, রায়হানকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ২০ সেপ্টেম্বর রাত সোয়া ১২টার দিকে লালবাগ থানার জেন সাহা রোডের একটি ১০ তলা ভবনের নিচতলার পার্কিং এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে পার্কিংয়ের একটি পিলারের পাশে ইটের সুরকির বস্তার মধ্যে লাল কসটেপে মোড়ানো চারটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়। এরপর ডেমরা থানার ডগাইর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।
ডিসি মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তিরা নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠনের সদস্য। তারা মূলত জনমনে ভীতি সৃষ্টি করতে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করছেন।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে মামলা করা হয়েছে।
এ ছাড়া হাইকোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় সালমান ইসলাম সাকিব নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে ডিবি। এ সময় তার কাছ থেকে ককটেল নিক্ষেপের কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে মতিঝিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হাজারীবাগ বেড়িবাঁধ এলাকায় একটি বাসা থেকে চারটি ককটেল উদ্ধার করে ডিবি।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতার সালমান ইসলাম সাকিব কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মতিঝিল থানা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিশেষজ্ঞদের মত
পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খন্দকার রফিকুল ইসলাম ঢাকা মেইলকে বলেন, গোয়েন্দা ব্যর্থতা—এমন মন্তব্যের সঙ্গে তারা একমত নন। কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাকে সরাসরি গোয়েন্দা ব্যর্থতা বলা যায় না। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আরও বড় ধরনের ঘটনা উদ্ঘাটন করছে।
তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে অগ্নিসংযোগের সঙ্গে জড়িত কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। সব বিষয় মাথায় রেখে আইনশৃঙ্খলা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে, যাতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটতে পারে।
গুলশানে মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণ
রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিলের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৭৯ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
এর আগে গত ১১ সেপ্টেম্বর দুপুরে গুলশান-১ এলাকায় জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে কয়েক শ মানুষ মিছিল বের করেন। পুলিশ মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গেলে তারা দুটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটান। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে।
এ ঘটনায় গুলশান থানার এসআই মো. মাহবুব হোসাইন বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন। এতে ১১৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৮০ থেকে ১০০ জনকে আসামি করা হয়।
এ ঘটনায় গুলশান বিভাগের উপকমিশনার এম তানভীর আহমেদ এবং গুলশান থানার ওসি মো. দাউদ হোসেনকে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে প্রত্যাহার করা হয়।
এ ছাড়া রাজধানীর তেজগাঁও এলাকা থেকে জঙ্গি সন্দেহে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ২৩ জনকে আটক করে পুলিশ। যাচাই-বাছাই শেষে তাঁদের মধ্যে ১১ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ। বাকি ১২ জনের বিরুদ্ধে ৫৪ ধারায় মামলা করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছে কাউন্টার টেরোরিজম ইনভেস্টিগেশন (সিটিটিসি)।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
আরও পড়ুন: মালিবাগ রেলগেটে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ
তিনি বলেন, বাকি ১২ জন কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) হেফাজতে রয়েছেন। তাঁদের ৫৪ ধারায় আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। এরপর তাঁদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
অপরাধ বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তৌহিদুল হক ঢাকা মেইলকে বলেন, ধারাবাহিক বিস্ফোরণ, অগ্নিসংযোগ ও ঝটিকা মিছিল সম্ভাব্য অস্থিতিশীলতার সতর্কসংকেত হতে পারে। এসব ঘটনা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর কোথায় ঘাটতি রয়েছে, তা চিহ্নিত করা প্রয়োজন।
বিশেষ করে নগরজুড়ে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করা জরুরি। তা না হলে এমন অস্থিতিশীল পরিস্থিতি আর্থিকভাবে যেমন ক্ষতি বয়ে আনবে, তেমনি সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।
একেএস/এআর