Dhaka Mail Logo

জাতীয়

মেট্রোস্টেশনের নিচে পার্কিংয়ে শৃঙ্খলা কতটা ফিরেছে?

আব্দুল হাকিম

২৬ আগস্ট ২০২৬, ০২:০৬ পিএম

মেট্রোরেল চালুর পর স্টেশনসংলগ্ন এলাকায় বেড়েছে ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলের চাপ। একসময় স্টেশনের নিচের খোলা জায়গায় যেখানে-সেখানে যানবাহন রাখায় তৈরি হতো বিশৃঙ্খলা। এতে ভোগান্তিতে পড়তেন যাত্রীরা। সেই চিত্র বদলাতে উত্তরা উত্তর, উত্তরা সেন্টার ও উত্তরা দক্ষিণ মেট্রোস্টেশনের নিচের জায়গাগুলো পার্কিংয়ের জন্য নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। দাগ টেনে আলাদা করা হয়েছে গাড়ি, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেলের জায়গাও। এতে আগের তুলনায় কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরেছে ঠিকই, তবে পার্কিং ফি, ইজারা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন।

সরেজমিনে দেখা যায়, স্টেশনের নিচের খোলা জায়গায় দাগ টেনে বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের জন্য পার্কিং স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। কার, জিপ, মাইক্রোবাস, হাইয়েস, মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেলের জন্য রাখা হয়েছে আলাদা জায়গা। ফলে স্টেশনের নিচের জায়গায় আগের মতো এলোমেলোভাবে যানবাহন রাখার সুযোগ কমেছে। নির্দিষ্ট স্থানে পার্কিং হওয়ায় পথচারী ও মেট্রোযাত্রীদের চলাচলের জায়গাও তুলনামূলকভাবে ফাঁকা থাকছে।

স্টেশন এলাকায় যানবাহন রাখার ক্ষেত্রে এই পরিবর্তনকে স্বাগত জানিয়েছেন অনেক যাত্রী। তাদের মতে, মেট্রোরেল চালুর পর স্টেশনের আশপাশে ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের চাপ বেড়েছে। অনেকে নিজস্ব যানবাহন স্টেশনে রেখে মেট্রোরেলে যাতায়াত করেন। কিন্তু আগে নির্দিষ্ট পার্কিংয়ের ব্যবস্থা না থাকায় ফুটপাত, প্রবেশপথ কিংবা চলাচলের জায়গাতেও যানবাহন রাখা হতো। এতে স্টেশনে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় ভোগান্তিতে পড়তে হতো যাত্রীদের। এখন নির্দিষ্ট পার্কিং স্পট থাকায় যানবাহন রাখার ক্ষেত্রে অন্তত একটি নিয়ম এসেছে। তবে অটোরিকশা ও রিকশার ক্ষেত্রে এখনো পুরোপুরি শৃঙ্খলা ফেরেনি। এসব যানবাহন এখনো মেট্রোরেলের নিচে সারিবদ্ধ হয়ে যাত্রীর অপেক্ষায় থাকছে।

metro_rail-1জানা গেছে, তিনটি মেট্রোস্টেশনের পার্কিং পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে তিনটি প্রতিষ্ঠান। উত্তরা উত্তর স্টেশনের দায়িত্ব পেয়েছে মাস্টার এন্টারপ্রাইজ, উত্তরা সেন্টারের মাহি ইন্টারন্যাশনাল এবং উত্তরা দক্ষিণের ভূমিজ লিমিটেড। উত্তরা উত্তর স্টেশনের পার্কিংয়ের জন্য মাস্টার এন্টারপ্রাইজের ইজারামূল্য ১২ লাখ ৯১ হাজার টাকা। আর উত্তরা সেন্টার ও উত্তরা দক্ষিণ স্টেশনের ইজারামূল্য এর চেয়ে কম-প্রায় ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার মধ্যে। তবে এই দুই স্টেশনের সুনির্দিষ্ট ইজারামূল্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

স্টেশনের নিচে টাঙানো পার্কিংয়ের ভাড়ার তালিকায় বিভিন্ন যানবাহনের জন্য নির্ধারিত ফি উল্লেখ করা হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী, কার বা জিপের জন্য দুই ঘণ্টা পর্যন্ত ৬০ টাকা, মোটরসাইকেলে ৩০ টাকা এবং বাইসাইকেলে ১০ টাকা নেওয়ার কথা রয়েছে। মাইক্রোবাস ও হাইয়েসের জন্যও নির্ধারিত হারে ফি রাখা হয়েছে। পাশাপাশি মাসিক পার্কিংয়ের সুবিধাও রাখা হয়েছে।

তবে পার্কিং ব্যবস্থা চালুর পরই এ নিয়ে কিছু প্রশ্নও উঠেছে। পার্কিংয়ের জন্য কতটুকু জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে, ইজারার শর্ত কী এবং ভাড়ার হার কীভাবে ঠিক করা হয়েছে-এসব বিষয়ে পুরোপুরি স্বচ্ছ তথ্য নেই বলে অভিযোগ রয়েছে। কয়েকজন গাড়িচালকের অভিযোগ, অল্প সময়ের জন্য গাড়ি থামালেও কখনো কখনো পার্কিং ফি দাবি করা হচ্ছে। কেউ কেউ আবার পার্কিংয়ের নিয়ম ও ফি সম্পর্কেও স্পষ্ট তথ্য না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন।

ইজারাদার প্রতিষ্ঠান ও ডিএমটিসিএলের বক্তব্যেও পার্কিং ফি নির্ধারণ নিয়ে কিছুটা পার্থক্য দেখা গেছে। ইজারাদারের দাবি, ভাড়ার হার ডিএমটিসিএল নির্ধারণ করে দিয়েছে। তবে ডিএমটিসিএলের কর্মকর্তার ভাষ্য, বিষয়টি নিয়ে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে ভাড়া নির্ধারণে কিছু ভুল থাকলেও পরে তা সংশোধন করা হয়েছে। পার্কিং ফি আদায়ের নিয়ম, সর্বোচ্চ হার এবং কোন সময়ের জন্য কত টাকা নেওয়া যাবে-এসব বিষয়ও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

metro_rail-2ডিএমটিসিএলের ওয়েবসাইটে পার্কিং স্পট ইজারার দরপত্রের বিজ্ঞপ্তি পাওয়া গেলেও ইজারা পাওয়া প্রতিষ্ঠানের নাম, চুক্তির শর্ত, ইজারামূল্য ও অনুমোদিত পার্কিং ফির পূর্ণাঙ্গ তথ্য আরও স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা হলে বিভ্রান্তি কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, পার্কিংয়ের জায়গাগুলো সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সম্পদ। তাই এসব জায়গা কীভাবে ব্যবহার হচ্ছে এবং সেখান থেকে কীভাবে অর্থ আদায় করা হচ্ছে, সে বিষয়ে যাত্রীদের জানার আগ্রহ থাকাটাই স্বাভাবিক।

ডিএমটিসিএল কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, মেট্রোরেলের নিজস্ব জায়গা ইজারা দিয়ে আয় করা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। মেট্রোরেলের আয় শুধু যাত্রীদের ভাড়ার ওপর নির্ভর করে না। বিশ্বের বিভিন্ন মেট্রোরেল ব্যবস্থার মতো ডিএমটিসিএলকেও ভাড়া-বহির্ভূত আয় বা ‘নন-ফেয়ার রেভিনিউ’ বাড়াতে হয়। এ জন্য মেট্রোরেলের নিজস্ব জায়গা, স্টেশনের দোকান, বিজ্ঞাপনসহ বিভিন্ন উৎস থেকে আয় করা হচ্ছে। এসব আয় মেট্রোরেলের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, উত্তরা উত্তর, উত্তরা সেন্টার ও উত্তরা দক্ষিণ মেট্রোরেল স্টেশনের গ্রাউন্ড লেভেলের জায়গাগুলো ডিএমটিসিএলের নিজস্ব মালিকানাধীন। এসব জায়গা উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ইজারা দেওয়া হয়েছে। দরপত্রে সর্বোচ্চ দরদাতা প্রতিষ্ঠানই ইজারা পেয়েছে। ফলে মেট্রোরেলের নিজস্ব জায়গা ইজারা দিয়ে আয় করার বিষয়টিকে তারা স্বাভাবিক ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হিসেবে দেখছে।

ডিএমটিসিএল কর্তৃপক্ষ বলছে, জনসাধারণের প্রতিক্রিয়াকে গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজন হলে পার্কিং ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনার সুযোগ রয়েছে। ফলে পার্কিং ব্যবস্থা চালুর পর যাত্রীদের অভিজ্ঞতা ও অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা আরও কার্যকর করা সম্ভব।

metro_rail-3কর্তৃপক্ষের মতে, সুশৃঙ্খল পার্কিংয়ের পাশাপাশি স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা ও নিয়মিত নজরদারি নিশ্চিত করা গেলে মেট্রোস্টেশনের নিচের জায়গার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে যাত্রীদের জন্য আরও নিরাপদ, সহজ ও পরিকল্পিত পরিবেশ তৈরি হবে।

ডিএমটিসিএলের মার্কেটিং শাখার ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ ওসমান গণি ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘মেট্রোরেল স্টেশনগুলোর প্রবেশ ও বের হওয়ার পথে আগে অটোরিকশা, ব্যক্তিগত গাড়ি ও অন্যান্য যানবাহনের কারণে অনেক সময় বিশৃঙ্খলা ও যানজট তৈরি হতো। এতে সাধারণ যাত্রীদের চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হতো। অনেকে গাড়ি নিয়ে স্টেশনের কাছাকাছি পর্যন্ত যেতে পারতেন না। আবার গাড়ি রেখে মেট্রোরেলে যাতায়াত করতে চাইলেও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থাকত। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে স্টেশনসংলগ্ন জায়গাগুলোকে একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার আওতায় আনতেই ইজারা দেওয়া হয়েছে।

‘এর মূল উদ্দেশ্য বেশি রাজস্ব আয় করা নয়। তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে জায়গাগুলো পরিচালনা করে একটি সুন্দর ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করা এবং মেট্রোরেলের যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা।’

ওসমান গণি আরও বলেন, ‘ইজারা দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যারা সর্বোচ্চ দর দিতে আগ্রহী, তাদের মধ্য থেকে সর্বোচ্চ দরদাতাদের তিনটি স্টেশনের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে এবং সে অনুযায়ী চুক্তি সম্পাদন করা হয়েছে।’

metro_rail-4পার্কিং ফি প্রসঙ্গে ডিএমটিসিএলের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘চুক্তিতে সর্বোচ্চ কত টাকা নেওয়া যাবে, তার একটি সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। তবে সর্বনিম্ন ভাড়া কত হবে, তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়নি। প্রাথমিকভাবে ভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে কিছু ভুল ছিল। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পর ইজারাদার প্রতিষ্ঠানকে তা সংশোধন করতে বলা হয়। পরে সংশোধিত হারে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে গাড়ির ধরন অনুযায়ী পার্কিং ফি নেওয়া হচ্ছে।’

ইজারা দেওয়ার পর বিভিন্ন মহল থেকে ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় ধরনের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে বলেও জানান ওসমান গণি। তিনি বলেন, ‘আগে স্টেশনসংলগ্ন যেসব জায়গায় ভিড় ও বিশৃঙ্খলা থাকত, এখন সেখানে তা অনেকটাই কমেছে। তবে কর্তৃপক্ষের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো জনসেবা। মেট্রোরেলের স্টেশনসংলগ্ন এসব জায়গা থেকে কত টাকা রাজস্ব আসবে, সেটি মূল বিষয় নয়। যাত্রীরা যেন স্বাচ্ছন্দ্যে স্টেশনে প্রবেশ করতে পারেন, নিরাপদে বের হতে পারেন এবং প্রয়োজন হলে গাড়ি রেখে নিশ্চিন্তে মেট্রোরেলে যাতায়াত করতে পারেন, সেটিই ছিল ইজারা দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য।’

metro_rail-6

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্ধারিত পার্কিংয়ের বাইরে যানবাহন রাখা বন্ধ করতে নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন। একই সঙ্গে নির্ধারিত ফির চেয়ে বেশি অর্থ নেওয়া হচ্ছে কি না, তাও তদারকি করতে হবে। কোনো যাত্রী অভিযোগ করলে তা দ্রুত যাচাই ও নিষ্পত্তির ব্যবস্থা থাকলে পার্কিং ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়বে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক পরিকল্পনাবিদ আদিল মুহাম্মদ খান ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘মেট্রোরেল স্টেশন এলাকায় পার্কিং ব্যবস্থাপনা লিজ দেওয়ার ফলে যদি আগের এলোমেলো পার্কিং কমে এবং যাত্রী চলাচলের পরিবেশ উন্নত হয়, তাহলে এর ইতিবাচক দিক রয়েছে। তবে লিজ প্রক্রিয়াটি কতটা স্বচ্ছ ছিল এবং লিজের শর্তগুলো সাশ্রয়ী ও জনবান্ধব কি না, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি।’

আদিল মুহাম্মদ বলেন, ‘শুধু জায়গা লিজ দিলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। লিজগ্রহীতা কী করতে পারবেন এবং কী করতে পারবেন না, চুক্তিতে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। একই সঙ্গে চুক্তির শর্ত ঠিকভাবে মানা হচ্ছে কি না, সেটিও কর্তৃপক্ষকে সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। অনেক সময় নির্দিষ্ট পরিমাণ জায়গা লিজ নিয়ে তার চেয়ে বেশি জায়গা দখল করে ব্যবহারের প্রবণতা দেখা যায়। এ ধরনের বিষয় ঠেকাতে নিয়মিত মনিটরিং প্রয়োজন।’

metro_rail-5জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের এই অধ্যাপক আরও বলেন, ‘পার্কিংয়ের ভাড়া এমন হতে হবে, যাতে সাধারণ যাত্রীরা তা বহন করতে পারেন। শুরুতে ব্যবস্থাটি ভালোভাবে চললেও পরে লিজগ্রহীতা অতিরিক্ত ভাড়া নির্ধারণ করলে বা স্বেচ্ছাচারিতা করলে এর সুফল নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই পার্কিং ব্যবস্থাপনা কতটা সাশ্রয়ী ও জনবান্ধব হচ্ছে, সেটি নিয়মিত পর্যালোচনা করা দরকার।

আদিল মোহাম্মদ আরও বলেন, ‘ইতোমধ্যে যাত্রীদের কাছ থেকে বেশি ভাড়া নেওয়া এবং নির্ধারিত জায়গার বাইরে পার্কিং দখলের মতো অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নিতে হবে। এজন্য একটি নির্দিষ্ট কমিটির মাধ্যমে নির্ধারিত সময় পরপর পার্কিং ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করা উচিত। এতে লিজ দেওয়ার ফলে পাওয়া প্রাথমিক সুফল দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখা সম্ভব হবে।’

এএইচ/এমআর