নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৪৪ পিএম
কক্সবাজারের মহেশখালীতে আমেরিকান কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ আবারও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যার পর এলএনজি কার্গোর অভাবে ওই টার্মিনাল থেকে আর গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে না।
বর্তমানে শুধু মহেশখালীর সামিটের সরবরাহ সচল রয়েছে। ফলে দেশব্যাপী চলমান জ্বালানি সংকট আরও তীব্র হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশকে জ্বালানি সহায়তা দেবে কাতার
পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, সবশেষ রাত ৮টা পর্যন্ত কেবল সামিটের সরবরাহ ছিল ৫৬ কোটি ঘনফুট। সবমিলিয়ে এই সময় পর্যন্ত মোট সরবরাহের পরিমাণ ২১৮ কোটি ঘনফুট। যার মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সরবরাহের পরিমাণ ১৬২ কোটি ঘনফুট।
মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নতুন কার্গো না আসা পর্যন্ত সামিটের টার্মিনাল থেকেই আমদানি করা এলএনজি সরবরাহের ওপর নির্ভর করতে হবে।
এর আগে কারিগরি সমস্যার কারণে গত শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে এক্সিলারেটের টার্মিনাল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তখন জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ নেমে আসে প্রায় ১৬৫ কোটি ঘনফুটে।
আরও পড়ুন: দুই কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার
এর কয়েক ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে সামিট থেকে সরবরাহ শুরু হলে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়।
এদিকে বুধবার (১৯ আগস্ট) আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে একনেক সভা শেষে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি জানান, দেশের চলমান বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট সাময়িক। এই সংকট দ্রুততম সময়ে সমাধানে সরকার নানাভাবে চেষ্টা করছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা গ্যাস আমদানি করছি। তবে শুধু আমদানি করলেই সংকটের সমাধান হবে না, গ্যাস ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোও তৈরি করতে হবে। এলএনজি স্টেশন স্থাপনেও সময় প্রয়োজন।’
এএইচ