images

জাতীয়

কুমিল্লায় হতাহতের ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৫ মার্চ ২০২৬, ০২:৪১ পিএম

কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে বাস-ট্রেনের সংঘর্ষে ১২ জনের মৃত্যুর ঘটনাটি মূলত দ্বায়িত্ব অবহেলা থেকে ঘটেছে। এ দুর্ঘটনায় গেটম্যান মো. হেলালকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১১। র‍্যাব জানায়, দুর্ঘটনার সময় দুই গেটম্যানের কেউই ঘটনাস্থলে ছিলো না।

‎বুধবার (২৫ মার্চ) রাজধানীর কারওয়ান বাজার র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব জানান র‍্যাব-১১।

‎র‍্যাব-১১ এর উপ-অধিনায়ক লে. কমান্ডার মো. নাঈম উল হক বলেন, কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে ১২ জন নিহতের ঘটনায় জড়িত রেলক্রসিং কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে কুমিল্লার বুড়িচং থানার শংকুচাইল এলাকা থেকে মো. হেলাল নামের ওই গেইটম্যানকে গ্রেফতার করে র‍্যাব-১১ এর একটি আভিযানিক দল। তিনি রেল দুর্ঘটনায় হওয়া মামলার প্রধান আসামি।

‎তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনার সময় ওই রেল ক্রসিংয়ে দায়িত্বরত দুই গেইটম্যানের কেউই ঘটনাস্থলে ছিলেন না। পরবর্তীতে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তারা পালিয়ে যায়।

‎এর আগে, ‎গত ২২ মার্চ রাত ৩টা ১০ মিনিটে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড ফ্লাইওভারের নিচে রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় যশোর থেকে লক্ষীপুরগামী ‘মামুন স্পেশাল’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ১২ জন নিহত হয় এবং ২৫ জন আহত হয়। এই ঘটনায় বাসের যাত্রী নিহত সোহেল রানার খালা বাদী হয়ে লাকসাম রেলওয়ে থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় ওই রেলক্রসিংয়ের দুই গেইটম্যানকে আসামি করা হয়।

তিনি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা যায় কর্তব্যরত গেটম্যান রেলক্রসিংয়ের গেট বন্ধ না করায় দুর্ঘটনাটি সংঘটিত হয়। ঘটনার সময় দুই গেইটম্যান মো. হেলাল ও মেহেদী হাসান কেউই ঘটনাস্থলে ছিলেন না। তাদের দায়িত্ব অবহেলা৷ কারণে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

‎গ্রেফতারকৃত মো. হেলালকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে এবং অন্য আসামিকে গ্রেফতারে র‍্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

‎একেএস/এমআই