images

জাতীয়

ট্রেনে ঈদযাত্রা: টিকিটের চাহিদা পশ্চিমে বেশি, পূর্বে আগ্রহ কম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

০৪ মার্চ ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম

ঈদুল ফিতরের আগেই রেলওয়ে টিকিট বিক্রি শুরু হলেও পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে চাহিদার তফাৎ দেখা দিয়েছে। প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনেও পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট দ্রুত শেষ হয়ে গেছে। তবে পূর্বাঞ্চলের কিছু গন্তব্যের টিকিট এখনো ফাঁকা দেখা যাচ্ছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুরসহ পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় সব গন্তব্যের টিকিটের চাহিদা বেশি। চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ পূর্বাঞ্চলের টিকেটেরটিকিট

বুধবার (৪ মার্চ) বিক্রি শুরু হয় দ্বিতীয় দিনের টিকিট। সকাল ৮টায় পশ্চিমাঞ্চলের ১৪ মার্চের টিকিটের বিক্রি শুরু হলেও প্রথম আধ ঘণ্টায় প্রায় সব টিকিট শেষ হয়ে যায়। এদিন পশ্চিমাঞ্চলের জন্য ১২ হাজার টিকিটের টিকিট বরাদ্দ ছিল। কিছু গন্তব্যের টিকিট দুই ঘণ্টা পরও পাওয়া গেছে।

সাড়ে ৯টার দিকে খুলনামুখী জাহাঙ্গীরাবাদ এক্সপ্রেসের প্রায় আড়াই শতাধিক টিকিট ফাঁকা ছিল। একই রুটের চিত্র এক্সপ্রেসেরও কয়েকটি টিকিট ক্ষেত্রে দেখা গেছে। তবে রাজশাহী ও রংপুরের টিকিট ফাঁকা ছিল না।

অন্যদিকে পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রামের মহানগর এক্সপ্রেসের তিন শতাধিক টিকিট ফাঁকা ছিল। একই গন্তব্যের তুর্ণা এক্সপ্রেসে প্রায় আড়াইশ টিকিট অবিক্রীত ছিল। সিলেটের কিছু টিকিটও এখনও বিক্রি হয়নি। তবে এই অঞ্চলের দ্বিতীয় দিনের টিকিট এখনো বিক্রি শুরু হয়নি।

শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে ঈদুল ফিতর ২০ অথবা ২১ মার্চ হতে পারে। সেই হিসেবেই ঈদযাত্রার আগাম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ১৭, ১৮ ও ১৯ মার্চের টিকিটের চাহিদা বেশি হবে।

গত মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ১৩ মার্চের টিকিট বিক্রি শুরু হয়। আজ (৪ মার্চ) দ্বিতীয় দিন ১৪ মার্চের, আগামীকাল তৃতীয় দিন ১৫ মার্চের, ৬ মার্চ চতুর্থ দিন ১৬ মার্চের, ৭ মার্চ পঞ্চম দিন ১৭ মার্চের, ৮ মার্চ ষষ্ঠ দিন ১৮ মার্চের এবং ৯ মার্চ সপ্তম দিন ১৯ মার্চের টিকিট পাওয়া যাবে।

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার সাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘পশ্চিমাঞ্চলের জন্য বরাদ্দ ছিল ১৩ হাজারের মতো টিকিট। প্রথম ঘণ্টায় প্রায় ২১ লাখ হিট পড়েছিল। তিনি জানান, দিন যত গড়াবে টিকিটের চাহিদা বাড়বে। বিশেষ করে ঈদের আগের দিনগুলোতে দুই অঞ্চলেই চাহিদা বেশি থাকবে।’

স্টেশন ম্যানেজার আরও বলেন, ‘এবার টিকিট কালোবাজারি করা সম্ভব নয়। সব টিকিট অনলাইনে বিক্রি হচ্ছে এবং যিনি টিকিট কিনবেন, তাকেই ভ্রমণ করতে হবে। এটি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।’

রেলওয়ের উপ-পরিচালক (টিসি) মো. আনসার আলী বলেন, ‘টিকিট বিক্রি স্বচ্ছতার সঙ্গে হচ্ছে তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। ট্রেনে যাত্রা আনন্দময় করতে আমরা সব প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা করছি এবারের ঈদযাত্রা অন্যান্য বছরের তুলনায় সুন্দর ও ব্যতিক্রম হবে।’

এএম/এমআই