Dhaka Mail Logo

লাইফস্টাইল

সহকর্মীকে চকলেট উপহার দিয়েছেন তো?

লাইফস্টাইল ডেস্ক

২০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৬ পিএম

পরিবার কিংবা বন্ধুদের বাইরে দিনের সবচেয়ে বেশি সময় যাঁদের সঙ্গে কাটানো হয়, তাঁরা হলেন সহকর্মী। প্রতিদিনের ফাইলের স্তূপ আর ডেডলাইনের মানসিক চাপ দূর করতে কাজের ফাঁকে সহকর্মীর সঙ্গে এক কাপ চা কিংবা কফি মুহূর্তেই মনটা চাঙ্গা করে দেয়। এই পেশাদার সম্পর্কটাকে আরও মধুর ও প্রাণবন্ত করে তোলার দিন আজ- ‘অফিস চকলেট ডে’ বা সহকর্মীকে চকলেট উপহার দেওয়ার দিন।

সহকর্মীদের সঙ্গে পেশাদার গণ্ডির বাইরেও একটি সুন্দর ও আন্তরিক সম্পর্ক তৈরি করার সুযোগ এনে দেয় দিবসটি। কর্মক্ষেত্রে এটি ইতিবাচক শক্তি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বাড়াতেও ভূমিকা রাখে। বিজ্ঞানও বলে, ডার্ক চকলেট স্ট্রেস হরমোন কমাতে সাহায্য করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে মন ভালো করতে কার্যকরী।

Picture

অফিস চকলেট ডে’র প্রেক্ষাপট

‘অফিস চকলেট ডে’ মূলত আমেরিকান করপোরেট সংস্কৃতি ও সোশ্যাল মিডিয়া ট্রেন্ডের হাত ধরে শুরু হয়। কিছু ফুড ব্লগার ও দিনভিত্তিক ওয়েবসাইট ২০ অক্টোবর দিনটিকে এই দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। কর্মক্ষেত্রে দুপুরের পর কর্মীদের ক্লান্তি ও একঘেয়েমি দূর করতে এবং চকলেটের মুড ভালো করার বৈজ্ঞানিক গুণাগুণকে কাজে লাগিয়ে এই দিবস পালন শুরু করেন তারা।

বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন করপোরেট অফিস দারুণ এই আইডিয়াটি লুফে নেয় এবং সহকর্মীদের সঙ্গে চকলেট ভাগ করা শুরু করে। সেসব আনন্দঘন মূহুর্তের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায়  তারা হ্যাশট্যাগসহ শেয়ার করতে শুরু করলে দিনটি জনপ্রিয় বৈশ্বিক ট্রেন্ডে পরিণত হয়।

Picture

চকলেটের ইতিহাস

চকলেটের গল্পটা প্রায় তিন হাজার বছরের পুরোনো। প্রথম চকলেটের স্বাদ পেয়েছিল প্রাচীন মেসোআমেরিকায় মায়া ও অ্যাজটেক সভ্যতার মানুষ। তবে সেসময়কার চকলেট এখনকার মতো মিষ্টিজাতীয় কোনো খাবার ছিল না। তারা রোস্টেড কোকো বিনের সঙ্গে পানি ও মশলা মিশিয়ে ‘এক্সোকোল্যাটল’ নামের এক ধরণের তিতকুটে পানীয় তৈরি করত।

আরও পড়ুন: রাতে ডার্ক চকলেট খেলে শরীরে কী ঘটে?

Picture

ষোড়শ শতকে স্প্যানিশ অভিযাত্রীদের মাধ্যমে এই কোকো প্রথম ইউরোপে পৌঁছায়। পরবর্তীতে ইউরোপীয়রা এর সঙ্গে চিনি ও দুধ মিশিয়ে আজকের এই আধুনিক মিষ্টি চকলেটের রূপ দেয়।

দিনটি উদযাপন করবেন যেভাবে

আজ সহকর্মীদের জন্য এক বক্স চকলেট, চকোলেট মাফিন কিংবা একটি চকোলেট নিয়ে আসতে পারেন। অফিসের যেসব সহকর্মীর সঙ্গে সারা বছর শুধু অফিশিয়াল বা কাজের কথাই হয় তারাও যেন বাদ না পড়েন।

আরও পড়ুন: চকলেট কীভাবে তৈরি হয়? 

Picture

সবাইকে চমকে দেওয়ার এই আয়োজনে কেই যেন বাদ না পড়ে খেয়াল রাখবেন। তাহলে কিন্তু মিষ্টি পরিবেশ মুহূর্তেই তেতো হয়ে উঠতে পারে!

টিম মেম্বারদের সঙ্গে ছোটখাটো একটি চকলেট পার্টির আয়োজন করা যেতে পারে। সবাই মিলে ডার্ক চকলেট কিংবা মিল্ক চকলেটের স্বাদ নিতে নিতে আড্ডা দিলে কাজের মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যায়। 

চকলেট আদান-প্রদানের জন্য কাজের জরুরি মুহূর্তে বিঘ্ন না ঘটিয়ে দুপুরের লাঞ্চের বিরতি বা বিকেলের চায়ের আড্ডার সময়টাকে বেছে নেওয়া যেতে পারে। 

এএ