images

আন্তর্জাতিক

ইরান যুদ্ধ কতদিন চলবে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩২ পিএম

টানা এক মাসেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ভয়াবহ যুদ্ধ চলছে। তবে এই যুদ্ধ শুধু ইরানেই সীমাবদ্ধ নেই, এতে অন্তত আরও বহু দেশ প্রভাবিত হয়েছে, যেমন- সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরাক, বাহরাইন, কুয়েত, সৌদি আরব, ওমান, আজারবাইজান, অধিকৃত পশ্চিম তীর, সাইপ্রাস, সিরিয়া, কাতার এবং লেবানন। ফলে মধ্যপ্রাচ্য এমন এক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদী এবং বহুমুখী যুদ্ধের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তারপরও বিশ্বজুড়ে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে- এই যুদ্ধ আর কতদিন চলবে?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ কতদিন চলবে, তা কোনো নির্দিষ্ট ক্যালেন্ডারে মাপা কঠিন। কারণ চলমান এই যুদ্ধ এখন আর কোনো চূড়ান্ত বিজয়ের লড়াই নয়, বরং একে অপরকে ক্রমাগত দুর্বল করার একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া।

ইরানের কর্মকর্তারাও সবসময় জোর দিয়ে বলেন, দেশটি দীর্ঘমেয়াদি মুখোমুখি লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত এবং এই বার্তা দিয়েই তারা দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের জন্য ধৈর্য ও প্রস্তুতির একটি চিত্র তুলে ধরতে চান।

গত ২ মার্চ ইরানের সাবেক সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান আলী লারিজানি ঘোষণা করেন, ইরান একটি দীর্ঘ সংঘাতের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘ইরান যুক্তরাষ্ট্রের মতো নয়, দীর্ঘ যুদ্ধের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছে’।

দেশটির কর্মকর্তারা আরও বলেছেন, আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইরানের প্রতিক্রিয়া নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমায় সীমাবদ্ধ নয়, যা ইঙ্গিত করে যে সংঘাত কয়েক মাস বা তার চেয়েও দীর্ঘকাল চলতে পারে।

ইরানি সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ গত ৮ মার্চ বলেন, ‘আমরা অবশ্যই যুদ্ধবিরতি চাইছি না। আমাদের আক্রমণকারীকে শাস্তি দিতেই হবে’। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশটি ইসরায়েলের সঙ্গে একটি অস্তিত্বগত যুদ্ধে লিপ্ত।

ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালায়েনিকও বলেছেন, ইরান ‘আক্রমণাত্মক প্রতিরক্ষা’ শত্রুর প্রত্যাশার চেয়ে বহু গুণ বেশি সময় ধরে বজায় রাখতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ইরান ইচ্ছাকৃতভাবে তার অস্ত্র ব্যবহারের ধাপগুলো ভাগ করে চালাচ্ছে—অর্থাৎ সব সক্ষমতা একসঙ্গে নয়, বরং আরও উন্নত সক্ষমতার কিছু অংশ পরবর্তী পর্যায়ের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।

কতদিন চলতে পারে?

সামরিক বিশ্লেষকরা চলমান এই যুদ্ধের সমিাপ্তিতে সম্ভাব্য তিনটি বিকল্পের কথা তুলে ধরেছেন—  

স্বল্প মেয়াদী (৩-৬ মাস): যুদ্ধ বন্ধে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক চাপ বিশেষ করে ইরানের প্রধান দুই মিত্র চীন ও রাশিয়ার মধ্যস্থতা মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তাহলে সরাসরি হামলা থামতে পারে। তবে উত্তেজনা চলমান থাকতে পারে।

মধ্য মেয়াদী (১-৩ বছর): যদি ইসরায়েল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা বা জ্বালানি অবকাঠামোতে বড় আঘাত হানে, তবে ইরান তার পুরো শক্তি দিয়ে পাল্টা আঘাত করবে। সেক্ষেত্রে মধ্যপাচ্যের দেশগুলো হামলার মাত্রা আরও ইড়য়ে দেবে ইরান। এছাড়াও হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করে বিশ্ব অর্থনীতিতে ধস নামতে পারে এবং যুদ্ধ বছরের পর বছর টেনে নিতে পারে।

দীর্ঘ মেয়াদী (অনির্দিষ্টকাল): আদর্শিক দ্বন্দ্ব এবং অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই হওয়ার কারণে এই সংঘাত কয়েক দশক ধরে লো-ইনটেনসিটি ওয়ার' বা কম মাত্রার যুদ্ধ হিসেবে চলতে পারে।

ইরানের কৌশল কী?

কিছু বিশ্লেষক বলছেন, ইরান এমন একটি কৌশলের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে ইরানি বাহিনী ধারাবাহিকভাবে বা ধাপে ধাপে ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করছে এবং ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্বার্থের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করছে।

এ ধরনের হামলার কয়েকটি লক্ষ্য রয়েছে। প্রথমত, এগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বাধ্য করে আগত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্রিয় হতে। প্যাট্রিয়ট বা থাডের মতো এসব ব্যবস্থা প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত হলেও অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও সীমিত সংখ্যক, এবং অনেক ক্ষেত্রে প্রতিটি প্রতিরোধই ধ্বংস করা ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোনের তুলনায় বেশি ব্যয়সাপেক্ষ।

দ্বিতীয়ত, ধারাবাহিক হামলা দেশগুলোর প্রতিরোধকারী ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত, লজিস্টিক নেটওয়ার্ক ও সামরিক প্রস্তুতিকে চাপে ফেলতে পারে।

ওয়াশিংটন পোস্ট–এর তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী লড়াইয়ের প্রথম সপ্তাহেই দ্রুতগতিতে সুনির্দিষ্ট অস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে।

অন্যান্য বিশ্লেষকরা বলেন, অতিরিক্ত অস্ত্র ব্যবহারের এই মাত্রা ‘সরবরাহ ব্যবস্থার গুরুতর দুর্বলতা’ উন্মোচিত করছে।

ইরানি কর্মকর্তারা বলেছেন, তাদের অস্ত্র সরবরাহ অনেক বেশি স্থিতিশীল এবং সশস্ত্র বাহিনী ‘বর্তমান গতিতে অন্তত ছয় মাস তীব্র যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে’।

দেশটির কয়েকজন কমান্ডার আরও বলেছেন, ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন সম্পূর্ণরূপে দেশীয়ভাবে হয় এবং একাধিক উৎপাদন কেন্দ্র ও বড় মজুত থাকার কারণে ইরান দীর্ঘ সময় ধরে হামলা চালাতে সক্ষম।

ইরান মনে হচ্ছে সময় ধরে হামলাগুলো ছড়িয়ে দিচ্ছে, যাতে প্রতিপক্ষকে হঠাৎ, সিদ্ধান্তমূলক কোনো বৃহৎ আক্রমণের মুখে পড়ার বদলে একটানা প্রতিরক্ষা বজায় রাখতে হয়। এই কৌশলটি একটি বৃহত্তর সামরিক মতবাদের প্রতিফলন, যা ইরান কয়েক দশকের মধ্যে বৃহত্তর শক্তিধর দেশগুলোর সামরিক সুবিধা মোকাবিলায় গড়ে তুলেছে।

১৯৮০–এর দশকের ইরান–ইরাক যুদ্ধের পর ইরান অসম যুদ্ধ কৌশলে ব্যাপক বিনিয়োগ করে। এই পদ্ধতি এমন সরঞ্জাম ও কৌশলের ওপর গুরুত্ব দেয়, যা প্রচলিত যুদ্ধক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠত্বের ওপর নির্ভর না করেই শক্তিশালী বাহিনীকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম। লক্ষ্য সবসময় শক্তিশালী শত্রুকে সরাসরি পরাজিত করা নয়, বরং যেকোনো সামরিক সংঘাতকে ব্যয়বহুল, দীর্ঘস্থায়ী ও অনিশ্চিত করে তোলা।

মার্কিন স্থল অভিযানের জন্য প্রস্তত ইরান

অন্যদিকে ইরানে সীমিত ও স্বল্পমেয়াদী স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সম্ভাব্য এই হামলার মূল লক্ষ্য হতে পারে ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে মজুত রাখা প্রায় ৪০০ কেজির বেশি উচ্চমানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ছিনিয়ে আনা। 

আবার অনেকে বলছেন, ইরানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিতেও মার্কিন স্থল অভিযান শুরু হতে পারে। খারগ দ্বীপের মাধ্যমেই ইরানের ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রফতানি হয়। এই দ্বীপ দখলে নিয়ে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে ওয়াশিংটন।

এছাড়াও ইরানের অর্থনীতিকে আরও চাপে ফেলা, সর্বোচ্চ চাপ দিয়ে দেশটিকে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মতি দিতে বাধ্য করা বা শাসকগোষ্ঠীতে পরিবর্তন আনার মতো লক্ষ্যও পূরণ হতে পারে এ ধরনের স্থল অভিযানের মাধ্যমে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল অভিযানের বিরুদ্ধে ৭০ লাখের বেশি বেসামরিক ইরানি অস্ত্র হাতে তুলে নিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।

মূলত, বুধবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির জবাবেই প্রতিক্রিয়া জানান ইরানি স্পিকার।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, “২ থেকে ৩ সপ্তাহের মধ্যে ইরানে বড় আঘাত হানবে যুক্তরাষ্ট্র। আমরা তাদের ‘প্রস্তর যুগে’ ফিরিয়ে নিয়ে যাব, যেখানে তাদের থাকা উচিত।  মার্কিন বাহিনী ‘খুব, খুব শীঘ্রই’ তাদের যুদ্ধক্ষেত্রের সমস্ত লক্ষ্য পূরণ করবে।”

এদিকে গালিবাফের মতো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার এই ঘোষণার পর বিশ্লেষকরা ধারণা করেছেন- ইরানি সরকার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়াই করতে জনগণকে স্বেচ্ছাসেবী হওয়ার ব্যাপক আহ্বান জানিয়েছে। বেসামরিক নাগরিক ছাড়াও অবসরপ্রাপ্ত সৈন্যদেরও যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য ডাকা হতে পারে বলেও জানা গেছে।

সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার ঝুঁকি কী?

এদিকে সংঘাত যত দীর্ঘায়িত হবে, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের জন্য রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ঝুঁকিও তত বাড়বে। ওই অঞ্চলের দেশগুলো, বিশেষ করে পারস্য উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো, বৃহত্তর যুদ্ধ ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। 

অন্যাদিকে চলমান সংঘাত আঞ্চলিক জোটের বিন্যাস বদলে দিতে পারে এবং প্রতিবেশী দেশগুলোকে ইরানের প্রতিপক্ষে ঠেলে দিতে পারে।

ইরানের জন্য যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া মানে সামরিক কৌশল, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা। এর বিপরীতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চ্যালেঞ্জ হতে পারে ক্ষয়ক্ষতির এই লড়াই চালিয়ে যাওয়া। একদিকে সামরিক অভিযান বজায় রাখা; অন্যদিকে বৈশ্বিক আর্থিক, রাজনৈতিক ও কৌশলগত ব্যয়ের ব্যবস্থাপনা করা।

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঝুঁকি এখন কতটা?

অনেকেই মনে করেন, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা মূলত আঞ্চলিক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই সংঘাত কি আরও বড় আকারে ছড়িয়ে পড়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে? এই সংঘাত কি আরও বড় আকার ধারণ করে বিশ্বযুদ্ধে পরিণত হতে পারে?

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক ইতিহাসের এমেরিটাস অধ্যাপক মার্গারেট ম্যাকমিলান, বিবিসির ‘গ্লোবাল স্টোরি’ পডকাস্টে বলেছেন, ‘অতীতের যুদ্ধগুলো দেখলে বোঝা যায়… প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ক্ষেত্রেও… শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ শুরু হওয়ার পেছনে কারণ হিসেবে অনেকটাই ছিল দুর্ঘটনা আর প্রতিপক্ষের সাথে ভুল বোঝাবুঝি। একে অনেকটা স্কুলের মাঠের ঝগড়ার মতো ভাবা যেতে পারে।’ অর্থাৎ, যেখানে ছোট ছোট ভুল বোঝাবুঝি বড় সংঘাতে রূপ নিতে পারে।

তিনি ব্যাখ্যা করেন, ইরান যদি জাহাজ চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ রুটে হামলা চালায় বা হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়, তাহলে বৈশ্বিকভাবে এর প্রভাব পড়বে। এতে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে এবং বড় শক্তিগুলো এতে জড়িয়ে পড়তে পারে।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সম্পৃক্ততা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। অনেক দেশ সরাসরি যুদ্ধে না জড়ালেও তারা অর্থনৈতিক ও কৌশলগতভাবে প্রভাবিত হয়েছে।

ম্যাকমিলান বলেন, ‘সংঘাত একটি অঞ্চল ছাড়িয়ে আরেকটি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা সবসময়ই থাকে। কারণ এতে এমন দেশগুলো ব্যস্ত হয়ে পড়ে, যারা তাদের বাধা দিতে পারত। এজন্য বাইরের দেশগুলো এর সুযোগ খুঁজে নিতে পারে।’

তবে লন্ডনের কিংস কলেজের আন্তর্জাতিক ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক জো মাইওলো মনে করেন, এই সংঘাত আঞ্চলিক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ থাকবে। এতে সৌদি আরবসহ গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলের দেশগুলো জড়াতে পারে, কিন্তু তার মনে হয় না যে চীন বা রাশিয়া সরাসরি যুদ্ধে নামবে। তিনি বলেন, ‘বিশ্বের কোথাও কিছু হলেই চীন তাইওয়ানে হামলা করবে, এ ধারণা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।’

তিনি আরও বলেন, ‘যদি আমরা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের কথা বলি, তাহলে আমার মনে হয় না চীন বা রাশিয়া সরাসরি এতে জড়াতে চাইবে, আর ইউরোপের এতে জড়ানোর সম্ভাবনা আরও কম।’

এমএইচআর