images

আন্তর্জাতিক

গ্রিনল্যান্ড দখলে বলপ্রয়োগ করা হবে কি না- প্রশ্নে ট্রাম্পের নো কমেন্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:২১ এএম

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন টালমাটাল পরিস্থিতি তৈরি করেছে। সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন? জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘নো কমেন্ট’ (কোনো মন্তব্য নয়)। কোনো স্পষ্ট উত্তর না দেওয়ায় তার এই অবস্থান ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কোনো রফাদফা না হলে ডেনমার্ক, নরওয়ে, ফ্রান্স, জার্মানিসহ আটটি ইউরোপীয় দেশের ওপর যে শুল্কের হুমকি তিনি দিয়েছেন, তা থেকে একচুলও নড়বেন না। তিনি বলেন, ‘আমি এটি করবই, শতভাগ নিশ্চিত থাকেন।’

ইউরোপীয় নেতারা যখন গ্রিনল্যান্ডের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সোচ্চার, তখন ট্রাম্প তাদের রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধের ওপর মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, ‘ইউরোপের উচিত রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধের দিকে নজর দেওয়া। কারণ, সত্যি বলতে, সেই যুদ্ধ তাদের কোথায় নিয়ে গেছে, তা আপনারা দেখছেন। গ্রিনল্যান্ড নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে ওদিকেই তাদের মনোযোগ দেওয়া উচিত।’

নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গার স্টোরকে লেখা চিঠি প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘নোবেল শান্তি পুরস্কারের ওপর নরওয়ে সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। নরওয়ে এই পুরস্কার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করে, তারা মুখে যা-ই বলুক না কেন।’

প্রসঙ্গত, গত বছর নোবেল না পাওয়ায় ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছিলেন। তবে নরওয়ে সরকার বরাবরই বলে আসছে, নোবেল কমিটি সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং এতে সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই।

এদিকে আজ সোমবার নরওয়ের প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো এক চিঠিতে ট্রাম্প লিখেছেন, যেহেতু তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়নি, তাই তিনি আর শান্তির তোয়াক্কা করবেন না। এখন থেকে তিনি কেবল যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের কথাই ভাববেন। আর সেই স্বার্থেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ গ্রিনল্যান্ডের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চায় ওয়াশিংটন। নরওয়ের সংবাদমাধ্যম ভিজিকে চিঠিটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী জোনাস গার স্টোর।

এফএ