নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৬:২২ পিএম
প্রজনন স্বাস্থ্য নিয়ে প্রতিবেদনের জন্য রিপ্রডাক্টিভ হেলথ সার্ভিস অ্যান্ড এডুকেশন প্রোগ্রাম (আরএইচস্টেপ) মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ঢাকা মেইলে নিজস্ব প্রতিবেদক মাহফুজ উল্লাহ হিমু। তিনি তার ‘পিসিওএস বিষয়ে অজ্ঞতা: মাতৃত্বের স্বাদ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন নারীরা’ শীর্ষক প্রতিবেদনের জন্য এই পুরস্কার পেয়েছেন।
এই ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমের মোট সাতজন সাংবাদিককে অ্যাওয়ার্ড দিয়েছে আরএইচস্টেপ।
বুধবার (২০ ডিসেম্বর) রাজধানীর কারওয়ানবাজারে দৈনিক ডেইলি স্টার কার্যালয়ে আয়োজিত অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে সার্টিফিকেট ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। পুরস্কার তুলে দেন দৈনিক প্রথম আলো ফিরোজ চৌধুরী, আরএইচস্টেপ ডিরেক্টর (প্রোগ্রাম) মাহবুবুল হক এবং ডেপুটি ডিরেক্টর (প্রোগ্রাম) ডা. এলভিনা মোস্তারী।
পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিকরা হলেন, এটিএন বাংলার বিশেষ প্রতিবেদক মো. শরফুল আলম, দৈনিক কালবেলার নিজস্ব প্রতিবেদক মাহমুদুল হাসান, ঢাকা পোস্টের তানভীরুল ইসলাম, দৈনিক আমাদের সময়ের মো. আজাদুল ইসলাম আদনান, ঢাকা মেইলের মো. মাহফুজ উল্লাহ হিমু, দৈনিক যুগান্তরের জাহিদ হাসান ও যমুনা টিভির শেখ মহিউদ্দিন মধু।
অনুষ্ঠানের সূচনা বক্তব্যের পর সাতজন পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের নাম এক এক করে ঘোষণা করা হয়। এসময় তাদের তৈরি করা রিপোর্ট প্রেজেন্ট করা হয় এবং এর নেপথ্যে তাদের কী উদ্দেশ্য ছিল তা জানতে চাওয়া হয়। সাতটি রিপোর্ট প্রেজেন্টেশনের পরে পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সার্টিফিকেট এবং সম্মাননা পুরস্কার।

আয়োজকরা জানান, বাংলাদেশের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকার, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর পাশাপাশি একটি বড় ভূমিকা পালন করছে দেশের গণমাধ্যম। টেলিভিশন, দৈনিক সংবাদপত্র এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোকে তাই যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে অবগত করতে গত ১২ সেপ্টেম্বর একটি অবহিতকরণ সভার আয়োজন করেছিল আরএইচস্টেপ। আরএইচস্টেপ আয়োজিত সেই সভায় দেশের স্বনামধন্য গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য এবং সমন্বিত যৌনতা শিক্ষা বিষয়গুলো সম্পর্কে জানানো হয়। একইসঙ্গে সে বিষয়ে কিছু প্রতিবেদন তৈরির আহ্বান করা হয়। এরই মধ্যে গত তিন মাসে বেশকিছু রিপোর্ট দেশের গণমাধ্যমগুলোতে প্রচার হয়, যা সামাজিকভাবে বেশ সাড়া ফেলে। সেখান থেকে সাতটি সেরা রিপোর্ট বাছাই করা হয়।
বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৪৫ ভাগের বেশি জনগোষ্ঠী ১০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। যা আমাদের যুব সমাজের অন্তর্ভুক্ত এবং ২০২২ সালের জনশুমারি রিপোর্ট অনুযায়ী জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ২২ শতাংশ। এ যুব সমাজ এবং তাদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার রক্ষার্থে ‘অধিকার এখানে এখনি ২’ প্রকল্পের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বাংলাদেশে যেখানে আরএইচস্টেপসহ কাজ করছে নারীপক্ষ, অবয়ব, নাগরিক উদ্যোগ, ওয়ায়পিএফ, ঋতু এবং ব্র্যাক।
এমএইচ/জেবি