বিনোদন ডেস্ক
০৮ জানুয়ারি ২০২৪, ১১:৪৪ এএম
গতকাল ৭ জানুয়ারি ভোট কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম বলেছিলেন, ‘আমার জয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।’ কিন্তু ঠেকাতে পারেননি নিজের পরাজয়। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গো হারা হেরেছেন হিরো আলম। সর্বনিম্ন ভোট পেয়ে হারিয়েছেন জামানত।
বগুড়া-৪ আসনে বাংলাদেশ কংগ্রেস থেকে ডাব প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন হিরো আলম। রোববার (৭ জানুয়ারি) রাতে পাওয়া বেসরকারি ফল অনুয়ায়ী, তিনি পেয়েছেন দুই হাজার ১৭৫ ভোট।
আরও পড়ুন: আমার জয় কেউ ঠেকাতে পারবে না: হিরো আলম
নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা অনুযায়ী কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট বৈধ ভোটের (কাস্টিং ভোট) আট ভাগের এক ভাগ থেকে অন্তত একটি ভোট বেশি হবে।
কিন্তু এই নির্বাচনে হিরো আলম বগুড়া-৪ আসনে দুই হাজার ১৭৫ ভোট পেয়েছেন। এ আসনে মোট ভোটার তিন লাখ ৪৪ হাজার ৫১৪ জন। মোট প্রদত্ত ভোট ৯৬ হাজার ৬০৮টি। সে ক্ষেত্রে জামানত রক্ষার জন্য একজন প্রার্থীকে পেতে হবে ১২ হাজার ৭৬ ভোট।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী আমাকে ভোট দিতে এসেছিলেন: ফেরদৌস
নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বগুড়া জেলা জাসদের সভাপতি বর্তমান সংসদ সদস্য একেএম রেজাউল করিম তানসেন ৪২ হাজার ৭৫৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ডা. জিয়াউল হক মোল্লা। তিনি ঈগল প্রতীকে ৪০ হাজার ৬১৮ ভোট পেয়েছেন। আর হিরো আলম পেয়েছেন ডাব প্রতীকে ২ হাজার ১৭৫ ভোট।
তবে হিরো আলম ভোটের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন। নির্বাচনের নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে বলেছেন, ‘এই ফলাফল আমি মানি না।’
আরও পড়ুন: ১৩৬ কেন্দ্রের ফল প্রকাশ, ট্রাক নিয়ে খাদে মাহি
নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর নিজে বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করে এ কনটেন্ট ক্রিয়েটর বলেন, ‘ভোট কেন্দ্রের পাশে জিলাপির পোটলা নিয়ে বসে ছিল। তারা কালো টাকা ছড়িয়ে নির্বাচনকে প্রভাবিত করেছে। ভোটারদের হাতে হাতে হাজার টাকার নোট আর জিলাপির পোটলা দিয়েছে, আমার কাছে ছবি এবং প্রমাণ আছে। ছবিসহ বিষয়গুলো নির্বাচন কমিশন, জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন জায়গায় পাঠিয়েছি। টাকার লোভে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও বিএনপি নেতার ঈগলের ভোট করেছে।’
তবে হিরো আলমের সমর্থকদের অনেকে বলছেন উল্টো কথা। তাদের দাবি স্বতন্ত্র প্রার্থী না হওয়াটা ছিল আলমের ভুল সিদ্ধান্ত। দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে এসেই আজ তার এই দশা।