নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ মে ২০২৬, ০৫:০৫ পিএম
ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় কমানো, পণ্য পরিবহনে সাশ্রয় নিশ্চিত এবং রাজধানীর যানজট নিরসনে অভ্যন্তরীণ নদীপথের অবকাঠামোগত উন্নয়নের আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। একই সঙ্গে নদী খনন, নৌপথের নাব্যতা রক্ষা এবং খাল পুনরুদ্ধারে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
রোববার (১১ মে) বাংলাদেশ সচিবালয়ে পানি সম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব বিষয় তুলে ধরেন ডিসিসিআই সভাপতি তাসকিন আহমেদ।
সাক্ষাৎকালে ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথ ঐতিহাসিকভাবে শিল্পের কাঁচামাল ও পণ্য পরিবহনের সবচেয়ে সাশ্রয়ী মাধ্যম হলেও নদীতে পলি জমে নাব্যতা হ্রাস এবং অবৈধ দখলের কারণে এর কার্যকারিতা কমে গেছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় পরিকল্পিত ড্রেজিং, নদীতীর পুনরুদ্ধার এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানাই।
তাসকীন আহমেদ বলেন, সরকারের আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার জলাশয় খননের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে নৌ-চলাচল বাড়বে, ব্যবসার ব্যয় কমবে এবং কৃষি ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক গতি সৃষ্টি হবে।
তিনি আরো বলেন, বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা ও ধলেশ্বরী নদীকে সংযুক্ত করে ঢাকার চারপাশে প্রায় ১১২ কিলোমিটার দীর্ঘ বৃত্তাকার নৌপথ কার্যকরভাবে ব্যবস্থাপনা করা গেলে তা রাজধানীর যানজট নিরসনে বিকল্প পরিবহন ব্যবস্থা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ লক্ষ্যে খাল খনন ও লজিস্টিক সহায়তায় পিপিপি মডেলে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করতে হবে।
জবাবে পানি সম্পদ মন্ত্রী বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ নদীপথকে আরো কার্যকর ও সাশ্রয়ী পরিবহন মাধ্যমে রূপ দিতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।
তিনি দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচিতে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এর মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে ওঠার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
এ সময় ডিসিসিআই’র ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ সেলিম সোলাইমান এবং ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ডক্টর এ কে এম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী উপস্থিত ছিলেন।
এমআর/এফএ