সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ঢাকা

গ্রামীণ ও স্থানীয় শিল্পের সবুজায়নে ১০০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১ মে ২০২৬, ০৪:২৮ পিএম

শেয়ার করুন:

গ্রামীণ ও স্থানীয় শিল্পের সবুজায়নে ১০০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল

দেশের গ্রামীণ ও স্থানীয় শিল্পখাতকে পরিবেশবান্ধব এবং টেকসই শিল্পে রূপান্তরের লক্ষ্যে ১০০০ কোটি টাকার বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই তহবিল থেকে উদ্যোক্তারা সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ সুদে ঋণ সুবিধা পাবেন।

সোমবার (১১ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়নে গঠিত ৫ হাজার কোটি টাকার ‘গ্রিন ট্রান্সফরমেশন ফান্ড’ থেকে গ্রামীণ ও স্থানীয় শিল্পের জন্য আলাদাভাবে ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


নতুন নীতিমালার আওতায় পরিবেশবান্ধব যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানি এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পরিবেশবান্ধব যন্ত্রপাতি ক্রয়ের বিপরীতে এই ঋণ সুবিধা দেওয়া হবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি, পানি সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পুনর্ব্যবহার কার্যক্রম এবং কর্মপরিবেশ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে এই অর্থায়ন পাওয়া যাবে।

সার্কুলার অনুযায়ী, গ্রাহক পর্যায়ে ঋণের সর্বোচ্চ সুদহার নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ শতাংশ। অন্যদিকে অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে মাত্র ১ শতাংশ সুদে পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা পাবে। প্রকল্পের ধরন অনুযায়ী ঋণের মেয়াদ হবে ২ থেকে ৫ বছর এবং সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত গ্রেস পিরিয়ড সুবিধা থাকবে।

একজন ঋণগ্রহীতা এই তহবিলের আওতায় সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। মোট আমদানি বা ক্রয়মূল্যের সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ পর্যন্ত অর্থায়ন করা যাবে।

এ ছাড়া ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্তও নির্ধারণ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে ব্যবহৃত মোট বিদ্যুতের অন্তত ১০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি যেমন: সৌরবিদ্যুৎ থেকে সংগ্রহ করতে হবে। তবে ঋণখেলাপি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এই তহবিলের আওতায় কোনো সুবিধা পাবে না।

রাষ্ট্রায়ত্ত সব ব্যাংক এই তহবিলের আওতায় ঋণ বিতরণ করতে পারবে। তবে বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকের ক্ষেত্রে খেলাপি ঋণের হার ২০ শতাংশের নিচে থাকতে হবে। যেসব ব্যাংক ইতোমধ্যে গ্রিন ট্রান্সফরমেশন ফান্ডের আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে অংশগ্রহণ চুক্তি সম্পন্ন করেছে, তাদের নতুন করে চুক্তি করার প্রয়োজন হবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করছে, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই অর্থনীতি গড়ে তোলার পাশাপাশি স্থানীয় শিল্পের সক্ষমতা বাড়াতে এই তহবিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

টিএই/এফএ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর