ইংল্যান্ডের মাটিতে পাকিস্তান দল যখন দুই টেস্টেই বড় হারে হেরে সিরিজ হারার দ্বারপ্রান্তে, তখন দলে হঠাৎ বড় ধরনের রদবদল। সাত খেলোয়াড় বাদ, কোচ বদল; এসব সিদ্ধান্ত নিয়ে এখন সাবেক দুই অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি ও শোয়েব মালিকের কণ্ঠস্বর উঠে এসেছে। তারা শুধু নির্বাচনের যৌক্তিকতাই নয়, খেলোয়াড়দের সঙ্গে আচরণ ও মানসিক চাপের বিষয়ও সামনে এনেছেন।
শহীদ আফ্রিদি সাম্প্রতিক কয়েকটি সিদ্ধান্তকে ‘বুঝতে কষ্ট হয়’ বলে মন্তব্য করেছেন। তার মতে, এসব সিদ্ধান্তের পেছনে কী চিন্তা বা কৌশল কাজ করছে, তা স্পষ্ট নয়। বিশেষ করে টেস্ট দলে টি-টোয়েন্টি বিশেষজ্ঞ খেলোয়াড়দের ডাকা এবং বিকল্প খেলোয়াড় বাছাইয়ের বিষয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। আফ্রিদি বলেন, ইংল্যান্ডে টেস্ট খেলতে এমন খেলোয়াড়দের অন্তর্ভুক্তির পেছনে নির্বাচকদের ভাবনা কী, তা জানা দরকার।
আরও পড়ুন-আর্জেন্টিনায় মেসির ১০ নম্বর জার্সি এখন পরবেন কে?
আরও পড়ুন-রেকর্ড ট্রান্সফার ফিতে ম্যানসিটিতে আর্জেন্টাইন তারকা এনজো
মাত্র পাঁচটি টেস্টের পর কোচকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তকেও তিনি বিস্ময়কর বলে উল্লেখ করেছেন। অভিজ্ঞ নির্বাচকদের নেওয়া এই সিদ্ধান্তগুলো পাকিস্তান ক্রিকেটের নির্বাচন ও ব্যবস্থাপনা নীতির ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে বলে মনে করেন তিনি।
একই সঙ্গে সরব হয়েছেন শোয়েব মালিক। তিনি বলেন, দল থেকে বাদ পড়া খেলোয়াড়রাও জাতীয় দলের প্রতিনিধি। তারা পাকিস্তানের হয়ে খেলে অবদান রেখেছেন। তাদের প্রথম সুযোগের ফ্লাইটে দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত অসম্মানজনক বার্তা দেয়। মালিকের মতে, জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হলে তা শুরু হওয়া উচিত দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাছ থেকে। যারা শুধু বেঞ্চে ছিলেন বা দু-তিনটি টেস্ট খেলেছেন, তাদের ওপরই দোষ চাপানো ঠিক নয়।
মালিক আরও বলেন, সফরের মাঝপথে নয়, পুরো সফর শেষ হওয়ার পর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে জবাবদিহি নিশ্চিত করা উচিত। প্রতিটি খারাপ পারফরম্যান্সের পর খেলোয়াড়দের ওপর যে অতিরিক্ত মানসিক চাপ পড়ে এবং সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনা হয়, তা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর। এভাবে চাপ চলতে থাকলে খেলোয়াড়দের মধ্যে ব্যর্থতার ভয় জেঁকে বসতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
এসটি




