বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

রেকর্ড ট্রান্সফার ফিতে ম্যানসিটিতে আর্জেন্টাইন তারকা এনজো

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৩ এএম

শেয়ার করুন:

রেকর্ড ট্রান্সফার ফিতে ম্যানসিটিতে আর্জেন্টাইন তারকা এনজো

ট্রান্সফার উইন্ডোর ঘড়িতে যখন মাত্র কয়েক মিনিট বাকি, তখনই ম্যানচেস্টার সিটির ফ্যানদের মুখে হাসি ফুটে ওঠে। চেলসির জার্সি খুলে আকাশি নীল পরতে চলেছেন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। সময়সীমা শেষ হওয়ার আধঘণ্টা আগেই ঘোষণা এলো, ২৫ বছরের এই তারকা এখন সিটির খেলোয়াড়।

পাঁচ বছরের চুক্তিতে যোগ দিয়েছেন এনজো। তার জন্য সিটিকে গুনতে হয়েছে ১২৫ মিলিয়ন পাউন্ড, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২ হাজার ৭১ কোটি টাকারও বেশি। এই অঙ্ক ব্রিটিশ ফুটবলের ইতিহাসে যৌথ সর্বোচ্চ ট্রান্সফার ফি। গত বছর লিভারপুল আলেকজান্ডার ইসাককে ঠিক এত টাকায় কিনেছিল। সিটির নিজস্ব রেকর্ডও এবার দ্বিতীয়বার ভাঙল। জুলাইয়ে এলিয়ট অ্যান্ডারসনকে ১১৬ মিলিয়ন পাউন্ডে এনে তারা আগেই নতুন উচ্চতা ছুঁয়েছিল।

সামাজিক মাধ্যমে চেলসিকে বিদায় জানিয়ে এনজোর বার্তা দেওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যেই সিটির অফিসিয়াল ঘোষণা আসে। নতুন ক্লাবে যোগ দিয়ে উচ্ছ্বসিত এনজো বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে সফল ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি। এমন দলের অংশ হতে প্রত্যেক খেলোয়াড়ই চায়। এখানে আসতে পেরে আমি আরও বেশি খুশি হতে পারতাম না।”

এনজোর এই স্থানান্তর আরেকটি বিশেষ রেকর্ড গড়েছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে বেনফিকা থেকে চেলসিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি ১০৬.৮ মিলিয়ন পাউন্ডে। এবার তার চেয়েও বেশি মূল্যে বিক্রি হয়েছেন। ফলে ১০০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি দামে দুবার ট্রান্সফার হওয়া প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ইতিহাসে নাম লিখিয়েছেন এনজো।

গত মৌসুমে চেলসির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৫ গোল ও ৭ অ্যাসিস্ট করেছিলেন তিনি। দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন। কনফারেন্স লিগ ও ক্লাব বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি আর্জেন্টিনার জাতীয় দলেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

গত মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে আর্সেনালের পেছনে সাত পয়েন্টের ব্যবধানে রানার্সআপ হয়েছিল সিটি। নতুন মৌসুমে সেই ব্যবধান ঘোচাতেই মাঝমাঠকে আরও শক্তিশালী করছে ক্লাব। সিটির ফুটবল পরিচালক হুগো ভিয়ানা বলেন, “এনজো একজন পূর্ণাঙ্গ মিডফিল্ডার। টেকনিক্যালি দুর্দান্ত, পরিশ্রমী, লড়াকু এবং গোল করার ক্ষমতাও আছে তার।”

শুধু এনজোই নন। এভারটন থেকে ইলিমান এনদিয়ায়ে (৬৫ মিলিয়ন), আইয়ুব বুয়াদ্দি (৮৬ মিলিয়ন) এবং ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার অ্যালান এলিয়াসকেও এনেছে সিটি। সব মিলিয়ে গ্রীষ্মের এই উইন্ডোতে তাদের খরচ প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন পাউন্ড। অন্যদিকে সাভিনহো, রদ্রিসহ কয়েকজন খেলোয়াড় বিক্রি করে প্রায় ২৮০ মিলিয়ন পাউন্ড আয় করেছে তারা। নতুন মৌসুমে দুই ম্যাচে দুই জয় নিয়ে শুরু করেছে সিটি। 

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর