শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ঢাকা

জুমার দিন বেচা-কেনা নিষিদ্ধের আয়াত দ্বারা কি প্রথম আজান উদ্দেশ্য?

ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১ আগস্ট ২০২৪, ০৯:১৪ পিএম

শেয়ার করুন:

জুমার দিন বেচা-কেনা নিষিদ্ধের আয়াত দ্বারা কি প্রথম আজান উদ্দেশ্য?

জুমাবার মুসলমানদের কাছে একটি কাঙ্ক্ষিত দিন। এই দিনকে সাপ্তাহিক ঈদ বলা হয়েছে হাদিসে। সৃষ্টিজগতের শুরু থেকে দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জুমা নামে পবিত্র কোরআনে একটি স্বতন্ত্র সুরা আছে। মুমিনের উচিত- দিনটির মর্যাদা রক্ষায় কোনো অবহেলা না করা। জুমার দিন আজানের পর বেচাকেনা বন্ধ রাখা গুরুত্বপূর্ণ আমল। 

ইসলামি শরিয়তে জুমার আজানের পর বেচাকেনা নাজায়েজ। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন- یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اِذَا نُوۡدِیَ لِلصَّلٰوۃِ مِنۡ یَّوۡمِ الۡجُمُعَۃِ فَاسۡعَوۡا اِلٰی ذِكۡرِ اللّٰهِ وَ ذَرُوا الۡبَیۡعَ ؕ ذٰلِكُمۡ خَیۡرٌ لَّكُمۡ اِنۡ كُنۡتُمۡ تَعۡلَمُوۡنَ অর্থ: ‘হে মুমিনগণ, জুমার দিন যখন সালাতের জন্য আহ্বান করা হয় তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে ধাবিত হও এবং ক্রয়-বিক্রয় ত্যাগ করো। এটিই তোমাদের জন্য শ্রেয়, যদি তোমরা উপলব্ধি কর। (সুরা জুমা: ৯) 

আরও পড়ুন
জুমার দিনে যে পোশাক পরা সুন্নত
জুমার দিন মসজিদে ঢুকে ১৫ আদব
জুমার দিনসহ ৫ সময়ে দরুদ পড়ার বিশেষ নির্দেশনা

উল্লেখিত আয়াতে আহ্বান বলতে মৌলিকভাবে দ্বিতীয় আজান (খুতবার আজান) উদ্দেশ্য হলেও শব্দের ব্যাপকতার মাঝে জুমার প্রথম আজানও অন্তর্ভুক্ত। তাই তাফসিরবিদ ও ফিকহবিদগণের নির্ভরযোগ্য মতানুযায়ী, প্রথম আজানের পরও জুমার প্রস্তুতিমূলক কাজ ছাড়া অন্যকোনো কাজে লিপ্ত হওয়া উক্ত আয়াতের নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত। অতএব তা নাজায়েজ ও গুনাহের কাজ।

(মুসান্নাফ ইবনে আবি শায়বা: ৪/১২০; মুসান্নাফ আবদুর রাজজাক: ৩/২০৫; আদ্দুররুল মানছুর: ২/২১৯; বয়ানুল কোরআন: ৩/৫৪৭; তাফসিরে মাজহারি: ১০/২৮১; রদ্দুল মুহতার: ২/১৬১; আততাসহিহ ওয়াত তারজিহ: ১৮৫; ইলাউস সুনান: ৮/৮৬; ফতোয়ায়ে উসমানি: ১/৫৭৯)

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর