রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকির কার্যালয়ে প্রবেশ করে তাঁকে মারধরের অভিযোগের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, আইইডিসিআরের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের পরিচালকের নিজ কার্যালয়ে এ ধরনের হামলার অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ বা মতপার্থক্য থাকলে তা আইনানুগ ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি করতে হবে।
অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকির অভিযোগের বরাত দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) কর্মীরা মব সৃষ্টি করে এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। এ ঘটনা বিএনপি ও তাদের অঙ্গসংগঠনগুলোর মব সৃষ্টি করে দেশে অরাজকতা ও অশান্তি তৈরির প্রবণতার প্রমাণ বলে মন্তব্য করেন জুবায়ের।
তিনি বলেন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া, দলীয় প্রভাব খাটানো কিংবা সংঘবদ্ধভাবে কাউকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মপরিবেশ, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করা অপরিহার্য। কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রধানের ওপর তাঁর কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ শুধু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিরাপত্তার বিষয় নয়; এটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ও পেশাগত স্বাধীনতার জন্যও উদ্বেগের কারণ।
অ্যাডভোকেট জুবায়ের ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় ও দায় নির্ধারণ করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। একই সঙ্গে অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইইডিসিআরসহ দেশের সব সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিরাপদ ও স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
টিএই/এএম




