বিরোধীদের লাগাতার হুমকি, অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দিয়ে বর্তমান বিএনপি সরকারের পতন ঘটানো সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রাশেদ খান। তিনি বলেন, ফাঁকা আওয়াজ বা ওয়াজ দিয়ে নয়, জনগণের সমর্থন নিয়েই সরকার এগিয়ে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে ‘ন্যায়ভিত্তিক বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে বিভাজন নয়, ঐক্য’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ‘আমরা বাংলাদেশী’ সংগঠনের উদ্যোগে এই সভার আয়োজন করা হয়।
‘আমরা বাংলাদেশী’র আহ্বায়ক সৈয়দ এহসানুল হুদার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী এমপি। প্রধান বক্তা ছিলেন শাহাদাত হোসেন সেলিম।
রাশেদ খান বলেন, সরকারের বিভিন্ন ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ আস্থা রাখছে। প্রধানমন্ত্রী বিনয়, নম্রতা, আন্তরিকতা ও সহমর্মিতার যে রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করেছেন, তা জনগণের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। সম্প্রতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়ে নিজেদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরতে পেরেছে। এটি প্রমাণ করে, তিনি প্রটোকলের গণ্ডি পেরিয়ে সাধারণ মানুষের কাছাকাছি রয়েছেন। একই সঙ্গে সরকারি ব্যয় সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে সচিবালয়ে খাবারের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার উদ্যোগও সরকারের জবাবদিহিতা ও সাশ্রয়ী নীতির প্রতিফলন।
বিরোধী দলগুলোর সমালোচনা করে রাশেদ খান বলেন, সরকারের সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে তারা একের পর এক পতন ও গণঅভ্যুত্থানের হুমকি দিচ্ছে। মিথ্যাচার, প্রোপাগান্ডা ও অপপ্রচারের মাধ্যমে দেশে একটি নোংরা রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এসব অপচেষ্টা সফল হবে না। যারা ঐক্যের কথা বলেন, তারাই আবার প্রতিনিয়ত মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভেদ তৈরির চেষ্টা করেন। সত্যিকার অর্থে ঐক্য চাইলে আগে রাজনৈতিক শালীনতা, দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতা দেখাতে হবে।
বক্তব্যে বিরোধী পক্ষের বিভিন্ন মন্তব্যেরও সমালোচনা করেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, রাজনৈতিক ভিন্নমত থাকতেই পারে, কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ, কটূক্তি ও অশালীন বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। রাজনৈতিক অঙ্গনে শালীনতা ও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।
এএইচ/এফএ




