রেজা কিবরিয়ার নেতৃত্বাধীন গণঅধিকার পরিষদকে রাজনৈতিক দল হিসেবে কেন নিবন্ধন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
সোমবার (১১ ডিসেম্বর) বিচারপতি কে, এম কারুল কাদের এবং বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
বিজ্ঞাপন
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), নির্বাচন কমিশনের সচিব এবং নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিবকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ সাইফুজ্জামান।
চলতি বছর ২০০৮ সনের রাজনৈতিক নিবন্ধন বিধিমালা ৭ এর উপবিধি ৬ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন চেয়ে আবেদন করে রেজা কিবরিয়ার নেতৃত্বাধীন গণঅধিকার পরিষদ। এরপর সেই আবেদন নামঞ্জুর করে ২৬ সেপ্টেম্বর রেজা কিবরিয়ার গণঅধিকার পরিষদকে চিঠি দেয় নির্বাচন কমিশন। ওই চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত ১১ নভেম্বর গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া হাইকোর্টে রিট (রিট পিটিশন নম্বর: ১৪৩০৩/২০২৩) দায়ের করেন। আজ সেই রিটের শুনানি শেষে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।
২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদ। পরবর্তী সময়ে ২০২০ সালে তা ‘ছাত্র অধিকার পরিষদ’ নামে নামকরণ করা হয়। সেই সংগঠনের নেতারাই একসময় গড়ে তোলেন বৃহৎ সংগঠন। ২০২১ সালের ২৬ অক্টোবর দেশের রাজনীতিতে আত্মপ্রকাশ করে নতুন রাজনৈতিক দল ‘গণঅধিকার পরিষদ’।
আনুষ্ঠানিকভাবে দল ঘোষণার পর সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সব মহলে আলোচনার শিরোনাম হয় গণঅধিকার পরিষদ। অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়াকে আহ্বায়ক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে সদস্য সচিব করে ৮৩ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তী সময়ে কমিটির পরিধি বাড়ানো হয়।
তবে চলতি বছরের জুনে গণঅধিকার পরিষদে ভাঙন সৃষ্টি হয়। রেজা কিবরিয়ার নেতৃত্বে একটি অংশ এবং নুরুল হক নুরের নেতৃত্বে আরেকটি অংশ সক্রিয় রয়েছে। দুটি অংশই বিএনপি নেতৃত্বাধীন যুগপৎ আন্দোলনে রয়েছে।
এআইএম/জেবি

