নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি আবাসিক মাদরাসার ছাদে খেলতে গিয়ে পাঁচ শিশু শিক্ষার্থী দগ্ধ হয়েছে। তাদের স্থানীয় একটি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কাশিপুর এলাকার মাহেলা খাতুন বালিকা মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। ধারণা করা হচ্ছে, ছাদের ওপর দিয়ে যাওয়া উচ্চক্ষমতার বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে তারা দগ্ধ হয়েছে।
দগ্ধ শিক্ষার্থীরা হলো— ষষ্ঠ শ্রেণির জিদনী (১৪), চতুর্থ শ্রেণির লামিয়া আক্তার শাপলা (১৩), সপ্তম শ্রেণির সুমাইয়া আক্তার (১৩), তৃতীয় শ্রেণির আসিয়া আক্তার আফরোজা (১২) ও চতুর্থ শ্রেণির আতিয়া (১১)।
মাদরাসাটির ক্যাশিয়ার মো. ইউসুফ আলী জানান, পাঁচ শিক্ষার্থীই মাদরাসাটির আবাসিক ছাত্রী। শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তারা খেলতে তিনতলা ভবনের ছাদে যায়। কিছুক্ষণ পর ছাদ থেকে শব্দ শুনে সেখানে গিয়ে তাদের দগ্ধ অবস্থায় দেখতে পান তিনি।
ইউসুফ আলী বলেন, মাদরাসা ভবনের ছাদের ওপর দিয়ে উচ্চক্ষমতার বিদ্যুতের তার রয়েছে। সেখান থেকেই কোনোভাবে তারা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দগ্ধ শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, বিকেলে তারা খেলাধুলার জন্য ছাদে গিয়েছিল। খেলার সময় হঠাৎ তাদের শরীরে আগুন ধরে যায়। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা তারা বলতে পারেনি।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ বলেন, পাঁচ শিক্ষার্থীর অবস্থাই গুরুতর। তাদের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, তা নিশ্চিত হতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।
এমএমআর/এএম




