মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেল: ব্যয় বাড়ছে ৫ হাজার কোটি টাকা

আব্দুল হাকিম
প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৯ পিএম

শেয়ার করুন:

৮৯ শতাংশ ব্যয় বেড়ে একনেকে উঠছে বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেল প্রকল্প
নতুন ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ৮৯ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। ছবি: এআই
  • নতুন রেললাইন হবে ৮৪ কিলোমিটার
  • বাদ পড়েছে ভারতের ঋণ
  • বদলেছে স্টেশনের নকশা
  • নতুন স্টেশন হবে আটটি
  • বগুড়া স্টেশনে হবে নতুন ভবন
  • দূরত্ব কমবে প্রায় ১১৪ কিলোমিটার

বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত নতুন ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ৮৯ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। মূল প্রকল্পে ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হলেও এখন তা বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ১০ হাজার ৫৭০ কোটি ২৯ লাখ টাকা। একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদও বাড়ছে। সংশোধিত এই প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশনের সংশ্লিষ্ট নথি অনুযায়ী, বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত নতুন রেলপথ নির্মাণের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ আরও সহজ, দ্রুত ও আধুনিক করার লক্ষ্য নেওয়া হয়। প্রকল্পের আওতায় ৮৪ দশমিক ০৭ কিলোমিটার মূল রেললাইন এবং ৩০ দশমিক ৭৫ কিলোমিটার লুপ লাইন নির্মাণ করা হবে। নতুন এই রেলপথ চালু হলে ঢাকা থেকে উত্তরাঞ্চলের রেলপথের দূরত্ব প্রায় ১১৪ কিলোমিটার কমবে বলে পরিকল্পনা কমিশনের মূল্যায়নে বলা হয়েছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে শুরু থেকেই নানা পরিবর্তন এসেছে। প্রথমে ভারতীয় ঋণসীমার আওতায় প্রকল্পটির অর্থায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। পরে অর্থায়নের উৎস পরিবর্তন করা হয়। ২০২৪ সালের ৫ মার্চ ভারতীয় ঋণসীমা পর্যালোচনার সিদ্ধান্তের পর প্রকল্প থেকে ভারতের এলওসি-৩ অর্থায়ন বাদ পড়ে। পরে এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক বা এআইআইবি প্রকল্পটিতে অর্থায়নে আগ্রহ দেখালে নতুন অর্থায়ন কাঠামো তৈরি করা হয়।

সংশোধিত প্রস্তাবে প্রকল্পের মোট ব্যয় ১০ হাজার ৫৭০ কোটি ২৯ লাখ টাকা ধরা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৩ হাজার ৮১ কোটি ১৯ লাখ টাকা। এআইআইবি থেকে প্রকল্প ঋণ হিসেবে ৭ হাজার ৪৬৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং অনুদান হিসেবে ৪ কোটি ৬৯ লাখ টাকা পাওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। অর্থায়নের উৎস পরিবর্তনের পাশাপাশি প্রকল্পের নকশা, অবকাঠামোর ধরন ও বাস্তবায়ন ব্যয়ও নতুন করে হিসাব করা হয়েছে।

প্রকল্পের ব্যয় বাড়ার পেছনে কয়েকটি কারণ দেখিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। এর মধ্যে রয়েছে জমি অধিগ্রহণ ব্যয় বৃদ্ধি, নতুন রেল ও সড়ক ওভারপাস যুক্ত করা, স্টেশনের নকশায় পরিবর্তন, অতিরিক্ত সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ, পরামর্শক সেবার ব্যয় বৃদ্ধি, ইউটিলিটি স্থানান্তর ও পুনর্বাসন ব্যয় এবং নির্মাণসামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি। পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তনের কারণেও প্রকল্প ব্যয় বেড়েছে।

প্রকল্প তৈরির সময় মার্কিন ডলারের বিনিময় হার ৮৩ টাকা ৯৫ পয়সা ধরে হিসাব করা হয়েছিল। বর্তমানে তা ১২২ টাকা ৩৩ পয়সা ধরে হিসাব করা হয়েছে। ফলে এআইআইবির অর্থায়নের অংশে টাকার অঙ্কে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। এ ছাড়া তিন বছরের জন্য ৬ শতাংশ মূল্য সমন্বয় এবং ৩ শতাংশ ভৌত জরুরি সংস্থানও রাখা হয়েছে।

প্রকল্পটির বাস্তবায়ন মেয়াদও কয়েক দফা বাড়ানো হয়েছে। মূল পরিকল্পনায় ২০২৫ সালের ৩০ জুনের মধ্যে প্রকল্প শেষ করার কথা ছিল। পরে প্রথম দফায় সময় বাড়িয়ে ২০২৭ সালের ৩০ জুন করা হয়। এরপর তা আরও বাড়িয়ে ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত নেওয়া হয়। এখন প্রথম সংশোধিত প্রকল্পে ২০৩০ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাস্তবায়নের সময় চাওয়া হয়েছে। অর্থাৎ মূল নির্ধারিত সময়ের তুলনায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আরও কয়েক বছর সময় লাগবে।

সময় বাড়লেও প্রকল্পের কাজ এখনো অনেকটাই বাকি। চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ২৫ দশমিক ৭২ শতাংশ। আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ৩৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ। এ সময়ে প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ২৭৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের কয়েক বছর পার হলেও মোট কাজের এক-চতুর্থাংশের কিছু বেশি শেষ হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় করতোয়া নদীর ওপর ২৯৬ মিটার এবং ইছামতী নদীর ওপর ১৪৫ মিটার দীর্ঘ দুটি বড় সেতু নির্মাণ করা হবে। ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের ওপর ২৭৬ মিটার দীর্ঘ একটি রেল ওভারপাস এবং বগুড়া-নাটোর মহাসড়কের ওপর ১৫৩ দশমিক ৭ মিটার দীর্ঘ আরেকটি রেল ওভারপাস নির্মাণ করা হবে।

নতুন রেলপথের সঙ্গে আটটি নতুন স্টেশন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এগুলো হলো জামতৈল, কৃষ্ণদিয়ার, রায়গঞ্জ, ধানগড়া, চান্দনবাইশা, শেরপুর, আরিয়াল ও বগুড়া রানীরহাট। এর পাশাপাশি বগুড়া, কাহালু ও সান্তাহার স্টেশন পুনর্বাসন করা হবে। বগুড়া স্টেশনে আধুনিক স্টেশন ভবন নির্মাণেরও প্রস্তাব রয়েছে।

রেলপথটি সিরাজগঞ্জ সদর, কামারখন্দ ও রায়গঞ্জ উপজেলা এবং বগুড়া সদর, কাহালু, শাজাহানপুর ও শেরপুর উপজেলার মধ্য দিয়ে যাবে। নতুন এই রেল যোগাযোগ চালু হলে বগুড়া ও সিরাজগঞ্জসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার মানুষ সরাসরি উন্নত রেল যোগাযোগের সুবিধা পাবে। পণ্য পরিবহনেও নতুন এই রেলপথ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশনের মূল্যায়নে বলা হয়েছে, নতুন রেলপথটি চালু হলে ঢাকা ও উত্তরাঞ্চলের মধ্যে রেল যোগাযোগের দূরত্ব কমবে। বর্তমানে বিদ্যমান রেলপথ ব্যবহার করে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে যে সময় ও দূরত্ব লাগে, নতুন সংযোগ চালু হলে তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে। এতে যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি পণ্য পরিবহনের সময় ও ব্যয়ও কমতে পারে।

প্রকল্পের অর্থনৈতিক বিশ্লেষণেও এর সম্ভাব্য সুফল তুলে ধরা হয়েছে। ১২ শতাংশ ছাড়ের হারে অর্থনৈতিক অভ্যন্তরীণ মুনাফার হার ২১ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং অর্থনৈতিক সুবিধা-ব্যয় অনুপাত ১ দশমিক ১৫ হিসেবে দেখানো হয়েছে। অর্থাৎ অর্থনৈতিক বিবেচনায় প্রকল্পটি লাভজনক বলে মূল্যায়ন করা হয়েছে। তবে আর্থিক বিশ্লেষণে সুবিধা-ব্যয় অনুপাত ১-এর নিচে রয়েছে এবং আর্থিক অভ্যন্তরীণ মুনাফার হার ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ দেখানো হয়েছে।

প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে কাজের অগ্রগতির তুলনাও সামনে এসেছে। জুলাই পর্যন্ত যেখানে ভৌত অগ্রগতি ২৫ দশমিক ৭২ শতাংশ, সেখানে প্রকল্পের সংশোধিত ব্যয় ১০ হাজার ৫৭০ কোটি টাকার বেশি। ফলে প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজ শেষ করতে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হবে। একই সঙ্গে ২০৩০ সালের মধ্যে কাজ শেষ করার নতুন সময়সীমা ঠিকভাবে মানা যাবে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

প্রকল্পটির বাস্তবায়নে জমি অধিগ্রহণ, নকশা পরিবর্তন, সেতু ও ওভারপাস নির্মাণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর এবং অর্থায়নের উৎস পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলোকে ব্যয় ও সময় বৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব পরিবর্তনকে প্রকল্পের বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার প্রয়োজনীয়তা হিসেবে দেখিয়েছে।

প্রথমে নির্ধারিত ব্যয় ও সময়ের মধ্যে প্রকল্পটি শেষ করার লক্ষ্য থাকলেও বাস্তবায়ন পর্যায়ে সেই পরিকল্পনা ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। কয়েক দফা সময় বাড়ানোর পর এখন আবার সংশোধিত ব্যয় ও মেয়াদ নির্ধারণ করা হচ্ছে। এর ফলে প্রকল্পটি অনুমোদনের সময় একনেকে ব্যয় বৃদ্ধি, বাস্তবায়ন অগ্রগতি এবং নতুন সময়সীমা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে।

প্রস্তাবিত সংশোধিত প্রকল্প অনুযায়ী, আগামী অর্থবছরেই প্রকল্পে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৩ হাজার ৭৫৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৬২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং প্রকল্প সহায়তা ৩ হাজার ১২৭ কোটি ৪১ লাখ টাকা। ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ৩ হাজার ৪৫১ কোটি ২৪ লাখ টাকা, ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ২ হাজার ৪৬০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরে ২ হাজার ৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব রয়েছে। ২০৩০-৩১ অর্থবছরে বাকি ১০ কোটি ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা রাখা হয়েছে।

প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ও মেয়াদ পরিবর্তনের বিষয়ে গত ১২ জুলাই ২০২৬ প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিভিন্ন শর্ত পরিপালনের মাধ্যমে প্রকল্পটি সংশোধনের সুপারিশ করা হয়। এরপর পরিকল্পনা কমিশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে একনেকে উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক মো. আবু জাফর মিঞা জানান, দীর্ঘদিন পর বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পে আবারও গতি ফিরেছে। ইতোমধ্যে সংশোধিত ডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। নতুন প্রস্তাবে প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। ২০১৮ সালে ডিপিপি তৈরির সময়কার দামের ভিত্তিতে প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল। এরপর নির্মাণসামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়েছে। বিশেষ করে ডলারের বিনিময় হার বেড়ে যাওয়ায় প্রকল্পের ব্যয়ও বেড়েছে।

তিনি জানান, সংশোধিত প্রকল্পে মূল রেললাইনের দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ কিলোমিটার বেড়ে ৮৬ দশমিক ৫১ কিলোমিটার হয়েছে। এর সঙ্গে ৩৭ কিলোমিটার লুপলাইন যুক্ত করা হয়েছে। করতোয়া নদীর ওপর ২৪৬ মিটার এবং ইছামতী নদীর ওপর ২০৫ মিটার দীর্ঘ দুটি বড় সেতুসহ মোট ১২১টি ছোট-বড় সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের ওপর একটি রেল ওভারপাস এবং ঢাকা-নাটোর মহাসড়কের ওপর একটি রোড ওভারপাস নির্মাণ করা হবে।

পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশ রেলওয়ে শুরুতে সংশোধিত প্রকল্প ব্যয় ১২ হাজার ৫২৪ কোটি টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছিল। পরে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভায় ব্যয় ১ হাজার ৯৫৪ কোটি ৮ লাখ টাকা কমানোর সুপারিশ করা হয়। সেই সুপারিশের পর ব্যয় ১০ হাজার ৫৭০ কোটি টাকা নির্ধারণ করে সংশোধিত প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চল থেকে ঢাকায় পণ্য ও যাত্রী পরিবহনে সময় ও ব্যয় কমবে বলে মনে করছে সরকার। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের কৃষিপণ্য দ্রুত ঢাকার বাজারে পৌঁছানো এবং শিল্প ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ বাড়ানোর ক্ষেত্রে এই রেলপথ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রেলপথ সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম বলেন, মূলত ভারতের অর্থায়ন পাওয়া না যাওয়ার কারণে প্রকল্পটির বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়েছে। নতুন অর্থায়নকারী খুঁজতে গিয়ে সময় লেগেছে। সংশোধিত ব্যয়ের ক্ষেত্রে অর্থায়নের উৎস পরিবর্তন, টাকার বিপরীতে ডলারের মূল্য বৃদ্ধি, জমির দাম বাড়া এবং হালনাগাদ নকশার মাধ্যমে নতুন কিছু কাজ যুক্ত হওয়ার প্রভাব রয়েছে।

তিনি বলেন, ব্যয় বাড়লেও প্রকল্পটি বাস্তবায়নযোগ্য। বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ চালু হলে রেলপথের দূরত্ব কমবে, ফলে যাতায়াতের সময় ও ব্যয় কমবে। এ কারণে দীর্ঘমেয়াদে প্রকল্পটি অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হবে।

এএইচ/এআর

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর