কম পরিমাণে মাংস রান্নার হিসেব অনেকে বুঝলেও একটু বেশি পরিমাণ মাংস রান্না করতে গেলে মসলার অনুপাত বুঝে উঠতে পারেন না। ফলে স্বাদ ঠিকমতো হয় না। ঈদের দিন কিংবা অতিথি আপ্যায়নে একটু বেশি পরিমাণ মাংস রান্না করতে হয়। ৪ কেজি গরুর মাংস পারফেক্টভাবে ভুনা করতে চাইলে মাংস আর মসলার অনুপাত খুব গুরুত্বপূর্ণ। জেনে নিন রেসিপি-
উপকরণ
বিজ্ঞাপন
মাংস- ৪ কেজি (হাড় ও চর্বি মিলিয়ে)
পেঁয়াজ কুচি- ১.৫ কেজি (বেরেস্তা ও গ্রেভির জন্য)
আদা বাটা- ৪ টেবিল চামচ
রসুন বাটা- ৪ টেবিল চামচ
জিরা বাটা/গুঁড়া- ২ টেবিল চামচ
ধনে গুঁড়া- ২ টেবিল চামচ
মরিচ গুঁড়া- ৩-৪ টেবিল চামচ (ঝাল অনুযায়ী)
হলুদ গুঁড়া- ২ টেবিল চামচ
গরম মসলা গুঁড়া- ২ চা চামচ (দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ)
তেল- ৫০০ মিলি (সয়াবিন বা সরিষার তেল)
লবণ- স্বাদমতো
অন্যান্য- তেজপাতা ৬-৭টি, কাঁচা মরিচ ১০-১২টি, টক দই ১ কাপ (ঐচ্ছিক)
প্রণালি
মাংসগুলো ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। বড় একটি হাঁড়িতে মাংসের সাথে তেল, পেঁয়াজ কুচি, সব বাটা ও গুঁড়া মসলা, লবণ এবং টক দই দিয়ে হাত দিয়ে খুব ভালোভাবে মাখিয়ে নিন। মেরিনেট করে ৩০-৪০ মিনিট রেখে দিন।
হাঁড়িটি চুলায় মাঝারি আঁচে বসিয়ে দিন। মাংস থেকে প্রচুর পানি বের হবে। এই পানিতেই মাংস ভালোভাবে সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত ঢাকনা দিয়ে মাঝারি আঁচে রান্না করুন। এসময় বাড়তি পানি দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
বিজ্ঞাপন
মাংসের পানি শুকিয়ে তেল উপরে ভেসে উঠলে ভালো করে কষিয়ে নিন। ৪ কেজির জন্য এই কষানোর প্রক্রিয়াটি একটু সময় নিয়ে করতে হবে।
মাংস পুরোপুরি সেদ্ধ হয়ে গেলে এবং মসলা ভাজা ভাজা হয়ে গেলে ২-৩ কাপ গরম পানি দিয়ে দিন। ঝোল ফুটে উঠলে কাঁচা মরিচ ও গরম মসলা গুঁড়া দিয়ে দিন।
মাংস মাখা মাখা হয়ে ঝোল ঘন হয়ে এলে ওপর থেকে সামান্য পেঁয়াজ বেরেস্তা ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।
এনএম




