নতুন বছরে নতুন করে জীবন সাজাতে চান সবাই। বদ অভ্যাসগুলো ঝেড়ে নিজেকে করতে চান কর্মক্ষম, ফিট আর আত্মবিশ্বাসী। নিউ ইয়ার রেজ্যুলিউশন একেক জনের একেক রকম। কেউ প্রতিজ্ঞা করেন সকালেই বিছানা ছাড়ব, কেউবা বলেন আর বাইরের খাবার খাব না।
নতুন বছরের রেজ্যুলিউশনে আর কিছু থাকুক বা থাকুক সুস্বাস্থ্য অবশ্যই আছে। প্রতিটি মানুষই চায় সুস্থভাবে জীবনযাপন করতে। কিন্তু বর্তমানে লাইফস্টাইল ডিজিজের হার ক্রমশ বাড়ছে। ঘরে ঘরে এখন উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস রোগী। হার্ট, কিডনি, লিভার সংক্রান্ত রোগে ভোগা ব্যক্তি তো আছেই।
বিজ্ঞাপন

নতুন বছরে যদি ফিট থাকতে চান তাহলে রোজকার জীবন থেকে ৩০ মিনিট বের করে নিন। এই আধা ঘণ্টা হাঁটুন ডায়েট, ওয়ার্কআউটের চেয়েও সহজে সুস্থ থাকার উপায় হলো ঘড়ি ধরে আধা ঘণ্টা হাঁটা।
কী হবে রোজ ৩০ মিনিট হাঁটলে? কী কী উপকার মিলবে? চলুন জানা যাক-

বিজ্ঞাপন
হার্টের স্বাস্থ্য ভালো থাকে
রোজ হাঁটাহাঁটি করলে নিয়ন্ত্রণে থাকে উচ্চ রক্তচাপ। কোলেস্টেরল বৃদ্ধিরও ভয় থাকে না। রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ে না। পুরো শরীরে রক্ত সঞ্চালন সচল থাকে। সহজেই হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি এড়ানো যায়।
এমনকি ঠান্ডায় হওয়া হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো যায় হাঁটার মাধ্যমে। দূরে থাকবে ডায়াবেটিস, ওবেসিটির মতো রোগবালাইও।

গাঁটের সমস্যা এড়ানো যায়
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে হাড়ের সমস্যাও। গাঁটের ব্যথায় ভোগেন বেশিরভাগ মানুষ। প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করলে এই ব্যথা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকবে। হাঁটাচলা করলে জয়েন্টও সচল থাকে। জয়েন্টে যে তরল রয়েছে তা অটুট থাকে।
পাশাপাশি পেশিতে রক্ত চলাচল করতে থাকে এবং বাতের ব্যথা এড়ানো যায়। আর্থ্রাইটিসের সমস্যাও নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন কেবল হাঁটাহাঁটি করেই।

বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
হাঁটলে মানসিক চাপ কমে। অর্থাৎ, শরীরে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা কমে। ফলে রাতে ঘুম ভালো হয় এবং শরীরে প্রদাহ এড়ানো যায়। ৭-৮ ঘণ্টার ভালো ঘুম শরীরে ইমিউনিটি তৈরিতে সাহায্য করে।
এছাড়া প্রকৃতির মাঝে হাঁটাচলা করলে পজিটিভ চিন্তাভাবনা করার ক্ষমতা তৈরি হয়। বাড়ে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা। তাই মন ও শরীর দু’টোই ভালো থাকে। মানুষের অন্যতম শত্রু স্ট্রেস বা মানসিক চাপ। আর এই সমস্যাকে দূরে রাখতে পারেন মাত্র ৩০ মিনিট হেঁটে।
এনএম

