উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের সমস্যা, কোলেস্টেরল বাড়তি কিংবা কোমর ব্যথা— যে সমস্যা নিয়েই ডাক্তারের কাছে যান না কেন, পরামর্শ দেবেন ওজন কমানোর। স্বাস্থ্য সচেতন ব্যক্তিরা তাই সুস্থ থাকতে ডায়েট করেন।
কেক পেস্ট্রি খাওয়া বন্ধ করা, ফাস্টফুড ছাড়া, রোজ আধা ঘণ্টা হাঁটা, শাক-সবজি খাওয়ার পরিমাণ বাড়ানো সবই তো করছেন। কিন্তু ওয়েট মেশিন জানাচ্ছে ওজন আটকে আছে আগের জায়গাতেই? তবে কি ওজন কমানোর মিশন ব্যর্থ?
বিজ্ঞাপন

ডায়েট করার মানে হলো শরীরের মেদ ঝরানো। অনেকসময় ওজন না কমেও কিছু উপসর্গ জানায় শরীরের মেদ ঝরছে। কী সেগুলো? চলুন জানা যাক-
প্রস্রাবের পরিমাণ বৃদ্ধি
মেদ ঝরার প্রক্রিয়া শুরু হলে শরীরের প্রস্রাবের পরিমাণ হঠাৎ বেড়ে যায়। মেদ পানির আকারে শরীর থেকে বের হতে শুরু করে। তাই প্রস্রাবের পরিমাণও অনেক ক্ষেত্রে স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়।
বিজ্ঞাপন

ঘামের গন্ধে পরিবর্তন
ফ্যাট ঝরার প্রক্রিয়া শুরু হলে বদলে যায় ঘামের গন্ধও। আসলে ফ্যাট গলতে শুরু করলে শরীরে জমে থাকা টক্সিন বেরিয়ে আসে। তাই ঘামেও টক্সিনের মাত্রা বেড়ে যায়।
সকাল সকাল খিদে পাওয়া
মেদ ঝরতে শুরু করলে সকালে উঠেই খিদে পেতে পারে। সকালে খিদে পাওয়ার মানে হলো, দেহের বিপাকহার উন্নত হয়েছে। সারা রাত ধরে ফ্যাট ঝরেছে। আর এই কারণেই সকাল সকাল খিদে লাগে।

পোশাক ঢিলে লাগা
অনেকসময় মেদ ঝরতে শুরু করলেও ওজনে কোনো পরিবর্তন হয় না। কিন্তু পোশাক পরলে মনে হয় বেশ ঢিলে লাগছে। বিশেষত জিনস বা ট্রাউজার পরলে বদলটা চোখে পড়ে। পোশাক ঢিলেঢালা লাগা মানে হলো শরীরের মেদ ঝরেছে।
চাঙ্গা লাগা
শরীরের ফ্যাট গলতে শুরু করলে সারা দিন বেশ চাঙ্গা লাগে। মেজাজ ফুরফুরে থাকে। আসলে ফ্যাট গলে জ্বালানি হিসাবে কাজ করে। এজন্য শরীরের শক্তি বাড়ে।

ঘন ঘন পিপাসা লাগা
ফ্যাট গলানোর প্রক্রিয়ায় পানিও যথেষ্ট ভূমিকা রাখে। ফলে শরীরে পানির ঘাটতি সৃষ্টি হয়। অর্থাৎ মেদ ঝরলে ঘন ঘন পানির পিপাসা পায়।
ত্বক জেল্লাদার লাগা
ফ্যাট বার্ন হলে ত্বক আগের তুলনায় অনেক বেশি জেল্লাদার মনে হবে। কারণ ফ্যাট গলতে শুরু করলে শরীরে প্রদাহের মাত্রা কমে যায়। ফলে ত্বক বেশি চকচকে, পরিষ্কার আর জেল্লাদার দেখায়।

অনেকসময় ওজন কিছুদিন এক জায়গায় স্থির হয়ে থাকে। এরপর কমে যায়। তাই ওজন কমছে না বলে হতাশ হবেন না। বরং এই উপসর্গগুলোর মাধ্যমে বুঝবেন শরীরের মেদ ঝরেছে। যা ইতিবাচক পরিবর্তন।
এনএম

