প্রতিটি মানুষের প্রকৃতির নিয়মে বার্ধক্য আসে। কিন্তু বয়সের আগে যদি বার্ধক্য হানা দেয়, তখন কী করবেন? বার্ধক্যের ছাপ সবার প্রথমে ত্বকে লক্ষ্য করা যায়। চামড়া কুঁচকে যাওয়া থেকে শুরু যাওয়া থেকে বলিরেখা বাড়তে থাকা—এগুলোই বার্ধক্যের লক্ষণ।
ত্বকের বার্ধক্যকে প্রতিরোধ করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। কিন্তু আপনি এই প্রক্রিয়াকে ধীর করে দিতে পারেন। অর্থাৎ, ৩৫-এ বার্ধক্যের লক্ষণ দেখা দেওয়ার বদলে ৫০-এ গিয়ে সেটা ধরা পড়বে।
আরও পড়ুন:
বার্ধক্যের প্রক্রিয়াকে ধীর করে দিতে পারে আমন্ড তেল। এটি হল এমন একটি তেল, যা ত্বককে আর্দ্রতা জোগানোর পাশাপাশি বলিরেখা প্রতিরোধে সাহায্য করে আমন্ডের তেল।

ত্বকের জৌলুস ধরে রাখার ক্ষেত্রে আমন্ড অয়েল ম্যাজিকের মতো কাজ করে। অনেক স্কিন কেয়ার পণ্যে আমন্ড অয়েল থাকে। অনেকে মেকআপ রিমুভার হিসেবেও আমন্ড অয়েলের সাহায্য নিয়ে থাকেন। এবার বার্ধক্যকে রুখে দিন এই তেল দিয়ে।
আমন্ড অয়েলের মধ্যে ভিটামিন ই রয়েছে, যা ত্বকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বককে ফ্রি র্যাডিকেলের হাত থেকে রক্ষা করে এবং অক্সিডেটিভ চাপ কমায়। এতে বলিরেখা, দাগছোপ ত্বকে সহজে দেখা যায় না।

আমন্ড অয়েল মাখলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং জেল্লা বাড়ে। এছাড়া ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মির হাত থেকে রক্ষা করে আমন্ড অয়েল। ত্বকের উপর সুরক্ষা কবচ হিসেবে কাজ করে এই তেল।
নিয়মিত মুখে আমন্ড অয়েল মালিশ করলে ত্বক টানটান থাকে। যার জেরে অসময়ে প্রকট হয় না বলিরেখা। এমনকি ত্বকের উপর যে অম্লীয় ক্ষারের স্তর থাকে, সেই পিএইচ লেভেলের ভারসাম্যও বজায় রাখে আমন্ড অয়েল।
রোজ রাতে ঘুমোতে যাওয়া আগে ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এবার দু-তিন ফোঁটা আমন্ড অয়েল নিয়ে ত্বকে ভাল করে মালিশ করুন। ত্বক সমস্ত তেল শুষে নেওয়া পর্যন্ত মালিশ করুন। প্রতিদিন রাতে এই টোটকা মেনে চললে বার্ধক্য আপনার ধারে কাছে ঘেঁষবে না।
এজেড




