ঈদ যেন এখনও শেষ হয়নি। সকাল, দুপুর কিংবা রাতের পাতে থাকছে গরুর মাংস, খাসির মাংস, পোলাওর মতো ভারী সব খাবার। ফলে অনেকেরই ওজন গেছে বেড়ে। দেহের বাড়তি মেদ কমাতে কেউ নামছেন ডায়েটে, কেউবা ছুটছেন জিমে।
অনেকসময় দেখা যায়, দেহের অন্যান্য অঙ্গের মেদ ঝরলেও ভুঁড়ি কিছুতেই কমে না। পেটের চর্বি কমাতে সকালে কিছু কাজ করতে পারেন। চলুন এসম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিই-
বিজ্ঞাপন
পানি পান
ভুঁড়ি কমাতে চাইলে ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে এক গ্লাস পানি পান করুন। এতে শরীর থেকে টক্সিন পদার্থগুলো বেরিয়ে যাবে। বাড়বে বিপাকহারও। খালি পেটে পানি পান করলে খিদে পাওয়ার প্রবণতাও কমে।
সকালে ওজন মাপুন
বিজ্ঞাপন
সকালে ঘুম থেকে উঠে পেট পরিষ্কার করে পানি, চা, কফি কিংবা ওষুধ খাওয়ার আগেই ওজন মাপা উচিত। তখন ওজন মাপলে অপাচ্য খাদ্যের বাড়তি ওজন যন্ত্রে দেখায় না। এভাবে ওজন মাপলে দেহের বাড়তি ওজন আসার সম্ভাবনা একেবারেই নেই। সকাল সকাল যদি দেখেন আপনার ওজন কমেছে, তবে আরও বেশি অনুপ্রাণিত হবেন। মানসিকভাবেও চাঙ্গা হবেন।
বাড়িতেই শরীরচর্চা
ভুঁড়ি কমানোর জন্য জিমে গিয়ে ভারী শরীরচর্চা করতে হবে, এমনটা নয়। বাড়িতে কার্ডিয়ো করেও কিন্তু পেটের মেদ কমানো যায়। সকালে ব্যায়ামের অভ্যাস করুন।
গ্রিন টি পান
সকালে উঠে চা-কফিতে চুমুক না দিয়ে গ্রিন টি পান করুন। এতে বিপাকহার বাড়ে, শরীর থেকে টক্সিন পদার্থ বের হয়ে যায়। ফলে মেদ ঝরার প্রক্রিয়াও তরান্বিত হয়।
ভারী প্রাতরাশ বা সকালের নাশতা
সকালে উঠে দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকবেন না। সকালের নাশতা ভারী করবেন। চেষ্টা করুন প্রাতরাশে যেন কার্বোহাইড্রেট-প্রোটিন-ফ্যাট-ভিটামিন-মিনারেল যথেষ্ট থাকে। এতেই কিন্তু ভুঁড়ি কমবে। বাইরে বের হলে দুপুরের খাবার বাড়ি থেকেই নিয়ে যান, বাইরের খাবার খাবেন না।
ছোটোখাটো এই অভ্যাসগুলো মেনে চললে পেটের ভুঁড়ি দ্রুত কমবে।
এনএম