খেজুর ছোট-বড় সবারই প্রিয় ফল। এই ফল বাজার থেকে কিনে এনেই না ধুয়েই খান অনেকে। কেউবা পানিতে ধুয়ে খান। সংরক্ষণ করেন কক্ষ তাপমাত্রায়। কিন্তু এখন থেকে খেজুর গরম পানিতে ধুয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সৌদি সরকার। এমনটি ফ্রিজে রেখে খেজুর সংরক্ষণেরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পৃথিবীর বেশিরভাগ খেজুর উৎপাদন ও সরবরাহ করে সৌদি।
সৌদি আরবের সৌদি ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অথোরিটি (এসএফডিএ) সম্প্রতি খেজুর গরম পানিতে ধুয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। তাদের পরামর্শে এও বলা হয়েছে দীর্ঘদিন খেজুর সংরক্ষণ করে খেতে চাইলে ফ্রিজে রাখতে হবে।
বিজ্ঞাপন
কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, গরম পানিতে ধুয়ে খেলে খেজুরে যদি কোনো কীটনাশক এবং রাসায়নিক পদার্থের অবশিষ্টাংশ থাকে তা গরম পানিতে ধোয়ার ফলে চলে যাবে।
খেজুর রাসায়নিক পদার্থের মাধ্যমে দূষিত হতে পারে। এসব পদার্থের মধ্যে রয়েছে- কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ, ভারী এবং বিষাক্ত ধাতু। এছাড়াও ভৌত কোনো পদার্থ (ফরেন বডি যেমন ধাতব অংশের উপস্থিতি) দ্বারা বা অণুজীবের বৃদ্ধি (ইস্ট এবং ছাঁচ) দ্বারা দূষিত হয়।
এসএফডিএ আরও জানায়, খেজুর সংরক্ষণের বিভিন্ন উপায় রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে ‘ফ্রিজিং’। কারণ এটি অণুজীবকে মেরে ফেলতে বা কমাতে কাজ করে। সেই সঙ্গে বায়োপ্রসেস এবং অক্সিডেশনও কমাতে কাজ করে।
যতটা সম্ভব কম তাপমাত্রায় খেজুর হিমায়িত করার পরামর্শ দিয়েছে সৌদি আরবের এই খাদ্য গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠানটি। কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে, হিমায়িত থাকার সময়টাতে এনজাইমেটিক কার্যকলাপ অব্যাহত থাকে।
বিজ্ঞাপন
খেজুরকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত ফ্রিজে রাখা যেতে পারে। তবে সেজন্য উপযুক্ত প্যাকেজিং গুরুত্বপূর্ণ, যাতে খেজুর আর্দ্রতার সংস্পর্শে আসতে না পারে।
এসএফডিএ জানিয়েছে, কিছু কিছু খেজুর ফ্রিজে তিন মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। অবশ্য ‘ড্রায়িং’ পদ্ধতিতেও খেজুর সংরক্ষণ করা যায়। এবাবে খেজুর এক বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়।
এজেড




