যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলামান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মধ্যেই সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইনে হামলা চালিয়েছে ইরান।
বর্তমানে দেশটির অপরিশোধিত তেল রফতানির একমাত্র মাধ্যম এই পাইপলাইন। খবর রয়টার্সের।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (৮ এপ্রিল) সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থাটি জানিয়েছে, পাইপলাইনের পাশাপাশি সৌদি আরবের আরও বেশ কিছু স্থাপনাকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ায় বিশাল পরিমাণ তেল ও গ্যাস আটকা পড়ে এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম আকাশচুম্বী হয়ে যায়।
এমন পরিস্থিতিতে এই পাইপলাইন ব্যবহার করে সৌদি আরব তাদের পূর্বাঞ্চলীয় তেলসমৃদ্ধ এলাকা থেকে প্রতিদিন প্রায় ৭০ লাখ ব্যারেল তেল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে সরিয়ে নিচ্ছিল।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন:
এ হামলার ফলে পাইপলাইনটি দিয়ে তেল সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে। বর্তমানে এর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ জ্বালানিসংকটকে বাড়িয়ে তুলতে পারে আরও কয়েকগুণ।
উল্লেখ্য, সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিশ্বের বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আরামকো তাদের ‘ইস্ট-ওয়েস্ট’ পাইপলাইনের সক্ষমতার মধ্যে দৈনিক প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল তেল অভ্যন্তরীণ কাজে ব্যবহার করে।
বাকি প্রায় ৫০ লাখ ব্যারেল রফতানির জন্য রাখা হয়। শিপিং ডেটা বা জাহাজ চলাচলের তথ্য অনুযায়ী, ২৩ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সপ্তাহে ইয়ানবু বন্দর থেকে গড়ে দৈনিক ৪৬ লাখ ব্যারেল তেল পাঠানো হয়েছে, যা এর সর্বোচ্চ সক্ষমতার কাছাকাছি।
-এমএমএস




