মিয়ানমারে এক শতাব্দীর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে গত শুক্রবার। ৭.৭ মাত্রার ওই ভূমিকম্পের আঁচ পড়ে প্রতিবেশী থাইল্যান্ডসহ আরো ৭ দেশে।
বিধ্বংসী এ ভূমিকম্পে কেবলমাত্র মিয়ানমারেই প্রাণহানির ছাড়িয়েছে ১৭০০ জন। সময় যত যাচ্ছে ভূমিকম্পে নিখোঁজ ও আটকেপড়াদের মধ্যে প্রাণহানির সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা তত তৈরি হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
এর মধ্যে সোমবার (৩১ মার্চ) দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের প্রায় ৬০ ঘণ্টা পর উদ্ধারকারীরা একটি হোটেলের ধ্বংসাবশেষ থেকে এক নারীকে জীবিত উদ্ধার করেছেন। ফলে তিন দিন পর আশার আলো দেখা দিয়েছে। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।
চীন, রাশিয়া এবং স্থানীয় উদ্ধারকারী দল ৫ ঘণ্টার অভিযানের পর মান্দালয় শহরের ধসে পড়া গ্রেট ওয়াল হোটেলের নিচে আটকে পড়া ওই নারীকে উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার ভোরে চীনা দূতাবাসের ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, ওই নারীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের অনুসন্ধানকারীরা আরও জীবিতদের খুঁজে বের করার জন্য সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
বিজ্ঞাপন
গত শুক্রবার (২৮ মার্চ) ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের কাছে মান্দালয় অবস্থিত, যা মিয়ানমারে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ এবং প্রতিবেশী থাইল্যান্ডে ক্ষয়ক্ষতি করে।
ব্যাংককের গভর্নর চ্যাডচার্ট সিত্তিপুন্ত বলেছেন, জীবিতদের খুঁজে বের করার জন্য উদ্ধারকারীরা হাল ছাড়ছেন না।
উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তুরস্কে আটকেপড়াদের উদ্ধারে সাতদিন ধরে অভিযান অব্যাহত ছিল।
-এমএমএস