শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

স্মরণে নায়করাজ

এখন আউটডোরে শুটিংয়ে গেলে ভোরে কেউ নামাজ পড়তে ডাকে না: আমিন খান

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২১ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৮ এএম

শেয়ার করুন:

এখন আউটডোরে শুটিংয়ে গেলে ভোরে কেউ নামাজ পড়তে ডাকে না: আমিন খান

বাংলা চলচ্চিত্রকে যদি রাজ্য ধরা হয়, তাহলে সেই রাজ্যের রাজা ছিলেন নায়ক রাজ্জাক। আর এ কারণেই জীবদ্দশায় তিনি পেয়েছিলেন ‘নায়করাজ’ উপাধি।

নায়করাজ ২০১৭ সালের ২১ আগস্ট আনন্দলোকের মায়া ত্যাগ করে অনন্তলোকের পথে পাড়ি জমান। আজ তার নবম মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি চলে যাওয়ার পর দেশের চলচ্চিত্রাঙ্গনে যে শূন্যতা তা এখনও পূরণ হয়নি।

রাজ্জাক সাহেবকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করব না: দেলোয়ার জাহান ঝন্টু

আজকাল সিনেমায় অনিয়মিত হলেও একসময় পর্দায় ব্যস্ত ছিলেন আমিন খান। নায়করাজের সঙ্গে একাধিক বার স্ক্রিনশেয়ার করেছেন। সেজন্য নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন অভিনেতা। তার কথায়, ‘অভিনেতা হিসেবে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি। কারণ শ্রদ্ধেয় রাজ্জাক সাহেবের সঙ্গে আমার কাজ করার সৌভাগ্য হয়েছে। ওনার মতো শিল্পী সবসময়য় আসে না। বাংলাদেশের ইতিহাস যতদিন থাকবে চলচ্চিত্রে প্রথম স্থানে ওনার নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।’

আমিন মনে করেন আকাশ ছুঁয়েও মাটির কাছাকাছি থাকতেন রাজ্জাক। অগ্রজ হয়েও অনুজদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সময় কাটাতেন। আমিন খান বলেন, ‘ওনার সঙ্গে বেশ কয়েকটি আউটডোর করার সৌভাগ্য হয়েছে আমার। ঢাকার বাইরে একসঙ্গে অনেকদিন কাটানোর সুযোগ হয়েছে। উনি যে নায়করাজ এক মুহূর্তের জন্য সেটা বুঝতে দেননি। বয়সের ব্যবধান ভুলে বন্ধুর মতো মিশেছেন আমাদের সঙ্গে। একজন মানুষ ছোটদের সঙ্গে কখন এভাবে মিশতে পারে? যখন তার ভেতরে ওই সংকীর্ণতাটা থাকে না।’

শেষ করলেন একটি স্মৃতিচারণের মাধ্যমে। বললেন, ‘রাজ্জাক সাহেবের সঙ্গে একটি মজার ঘটনা আমার মনে আছে। আমরা একটি সিনেমার শুটিংয়ে কক্সবাজার ছিলাম। উনি প্রতিদিন ভোরে ফজরের নামাজ পড়তে উঠতেন এবং আমার রুমের দরজায় জোরে জোরে নক করতেন। নামাজ পড়তে ডাকতেন, এই আমিন ভোর হয়ে গেছে ওঠো ওঠো। আমরা রোজ শুটিং সেরে ১২-১টার দিকে ঘুমাতে যেতাম। তারপরও ওনার ডাকে উঠতাম। এটা অন্যরকম অনুভূতি। পরিবারের মতো বোধ করাতো। এই জিনিসটা খুব মিস করি। এখন কোনো আউটডোরে শুটিংয়ে গেলে ভোর বেলা কেউ আর দরজায় নক করে ডাকে না।’

আরআর/

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর