ফ্ল্যাটে আটকে রেখে প্রেমিকাকে শারীরিক নির্যাতন এবং যৌন হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে ইনফ্লুয়েন্সার শমীক অধিকারীর বিরুদ্ধে। নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে এরইমধ্যে শমীককে গ্রেফতার করেছে ভারতীয় পুলিশ। মুখ খুলেছে অভিযোগ আনা তরুণী। এবার শমীকের দোষ স্বীকার করলেন তার বাবা-মা।
তবে যৌন নিগ্রহ নিয়ে তারা কিছু বলেননি। ওই তরুণীর ওপর ছেলের চালানো শারীরিক নির্যাতনের কথা স্বীকার করেছেন। শমীকের মা বলেন, “আমি কিছু বুঝতেই পারিনি ওরা কী বলছে। আমরা ভেবেছি ওদের ব্যক্তিগত বিষয়, তাই আমরা মাঝখানে যাইনি। আমাদের ঘর শিফট হচ্ছে বলে আমরাও নানান কাজে ব্যস্ত। এবার পরিস্থিতি এত জটিল হয় যে ওকে একটা চড় মারে শমীক।”
বিজ্ঞাপন
শমীকের বাবার মন্তব্য, “ওদের চেঁচামেচি শুনে আমি তখন দৌড়ে যাই। হয়তো হাত ধরে টানাটানিতেই কালশিটে পড়ে যায়।” শমীকের মা-বাবা দু’জনেই একবাক্যে স্বীকার করে নেন যে তাঁদের ছেলে চড় মেরেছে।
গতকাল শুক্রবার আলিপুর আদালতে পেশ করা হয় শমীককে। আদালত থেকে আগামী ১০ দিন তাকে পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদিও তার আগেই ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন এই ইনফ্লুয়েন্সার।

