সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত উন্মুক্ত করার দাবি বায়রার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৪ পিএম

শেয়ার করুন:

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত উন্মুক্ত করার দাবি বায়রার
জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির (বায়রা) সংবাদ সম্মেলন

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত উন্মুক্ত করে বাংলাদেশি কর্মীদের পাঠানোর কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজ (বায়রা)।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানিয়ে শ্রমবাজারটি নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা দ্রুত নিরসনের আহ্বান জানানো হয়।

বায়রার লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ৪২৩টি রিক্রুটিং এজেন্সির মধ্য থেকে বোয়েসেলসহ ২৬টি মূল এজেন্সি এবং তাদের সহযোগী ৩১২টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে অভিবাসন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট করা হয়েছে। মালয়েশিয়া সরকার কর্মী নিয়োগের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে এসব এজেন্সির মধ্যে কোটা বরাদ্দ দেওয়া শুরু করেছে।

বরাদ্দকৃত কোটার আওতায় কর্মীদের জন্য অনলাইনে ই-অ্যাম্বাসি সফটওয়্যার মডিউলে কুয়ালালামপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের অ্যাটেস্টেশনসহ পরবর্তী কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলেও জানানো হয়।

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, দুই দেশের সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক এবং ফলপ্রসূ আলোচনার পর যখন কর্মী নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়েছে, ঠিক তখনই বায়রার কিছু সদস্য এজেন্সি ও মধ্যস্বত্বভোগী অভিবাসন প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। তাদের বিরুদ্ধে গণমাধ্যম ও সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে ভুল তথ্য উপস্থাপন, আন্দোলন, সভা-মিছিল, মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে সম্ভাবনাময় শ্রমবাজারটি আবারও বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টার অভিযোগ করা হয়।

বায়রার পক্ষ থেকে বলা হয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ড দুঃখজনক। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দেশের স্বার্থ ও কর্মীদের কর্মসংস্থানের বিষয়টি বিবেচনা না করে নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থকে প্রাধান্য দিচ্ছেন।

এদিকে, বিগত সরকারের ঘনিষ্ঠ কিছু এজেন্সি বর্তমান অভিবাসন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়ে ডিমান্ড লেটার সংগ্রহের প্রতিযোগিতায় নেমেছে বলেও বক্তব্যে দাবি করা হয়।

বায়রার পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধসহ বিভিন্ন কারণে ওই অঞ্চলের অধিকাংশ দেশে বাংলাদেশি কর্মীদের বৈদেশিক কর্মসংস্থান বন্ধ বা সংকুচিত হয়েছে। ফলে বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনাময় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারটি এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এ অবস্থায় রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর প্রতি শুধু নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থ নয়, দেশের স্বার্থ ও কর্মীদের কর্মসংস্থানের বিষয়টি বিবেচনা করে সম্মিলিতভাবে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানানো হয়।

বক্তারা বলেন, অভিবাসন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হলে মালয়েশিয়া সরকার অন্য উৎস দেশ থেকে কর্মী নিয়োগ করে তাদের শ্রমিকের চাহিদা পূরণ করতে পারে। এতে বাংলাদেশ এই সম্ভাবনাময় শ্রমবাজারের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বায়রার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা এবং রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।

এম/এফএ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর